নওগাঁর বদলগাছী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের সীমানা প্রাচীর নির্মাণের বরাদ্দের টাকা দিয়ে ভবন রং ও নামমাত্র সংস্কার করার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. রিপা রানীর বিরুদ্ধে সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘনের এই অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা। তারা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের সীমানা প্রাচীর নির্মাণের জন্য ৪ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সীমানা প্রাচীর নির্মাণের পর টাকা অবশিষ্ট থাকলে অন্য সংস্কারকাজ করার কথা। কিন্তু ওই কর্মকর্তা প্রাচীর নির্মাণ না করেই ভবনে রং ও সামান্য সংস্কারকাজ করে পুরো টাকা খরচ দেখিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের পেছনের অংশ এখনো উন্মুক্ত। সেখানে কোনো প্রাচীর নেই। স্থানীয়দের দাবি, কার্যালয়ে যেটুকু রঙের কাজ করা হয়েছে, তার ব্যয় কোনোভাবেই এক লাখ টাকার বেশি নয়। প্রাচীর না থাকায় সরকারি এই স্থাপনার নিরাপত্তা নিয়েও ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. রিপা রানী বলেন, “সীমানা প্রাচীর নির্মাণের চেয়ে ভবন রং ও সংস্কার করা বেশি জরুরি ছিল। ৪ লাখ টাকায় পুরো প্রাচীর নির্মাণ সম্ভব নয়। তাই জেলা কর্মকর্তার সঙ্গে পরামর্শ করেই এটি করা হয়েছে।”
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. গৌরাঙ্গ কুমার তালুকদার প্রথমে নীতিমালা অনুযায়ী কাজ হয়েছে বলে দাবি করলেও পরে জানান, প্রাচীর নির্মাণের অগ্রাধিকারের বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
/

বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুলাই ২০২৬
নওগাঁর বদলগাছী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের সীমানা প্রাচীর নির্মাণের বরাদ্দের টাকা দিয়ে ভবন রং ও নামমাত্র সংস্কার করার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. রিপা রানীর বিরুদ্ধে সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘনের এই অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা। তারা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের সীমানা প্রাচীর নির্মাণের জন্য ৪ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সীমানা প্রাচীর নির্মাণের পর টাকা অবশিষ্ট থাকলে অন্য সংস্কারকাজ করার কথা। কিন্তু ওই কর্মকর্তা প্রাচীর নির্মাণ না করেই ভবনে রং ও সামান্য সংস্কারকাজ করে পুরো টাকা খরচ দেখিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের পেছনের অংশ এখনো উন্মুক্ত। সেখানে কোনো প্রাচীর নেই। স্থানীয়দের দাবি, কার্যালয়ে যেটুকু রঙের কাজ করা হয়েছে, তার ব্যয় কোনোভাবেই এক লাখ টাকার বেশি নয়। প্রাচীর না থাকায় সরকারি এই স্থাপনার নিরাপত্তা নিয়েও ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. রিপা রানী বলেন, “সীমানা প্রাচীর নির্মাণের চেয়ে ভবন রং ও সংস্কার করা বেশি জরুরি ছিল। ৪ লাখ টাকায় পুরো প্রাচীর নির্মাণ সম্ভব নয়। তাই জেলা কর্মকর্তার সঙ্গে পরামর্শ করেই এটি করা হয়েছে।”
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. গৌরাঙ্গ কুমার তালুকদার প্রথমে নীতিমালা অনুযায়ী কাজ হয়েছে বলে দাবি করলেও পরে জানান, প্রাচীর নির্মাণের অগ্রাধিকারের বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
/

আপনার মতামত লিখুন