সংবাদ

আর্কাইভ দেখুন

প্রস্তাবিত স্থানে বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ

প্রস্তাবিত স্থানে বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ

বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য নির্ধারিত জামালপুর এলাকাতেই বিশ্ববিদ্যালয়টি স্থাপনের দাবিতে ঢাকা-বগুড়া মহাসড়ক অবরোধ ও মানবপ্রাচীর কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকাল ১০টা থেকে শাজাহানপুর উপজেলার নয়মাইল এলাকায় এই কর্মসূচি শুরু হয়।শাজাহানপুর, গাবতলী, শেরপুর, ধুনট ও নন্দীগ্রাম উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীসহ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। অবরোধের কারণে মহাসড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়, যার ফলে ভোগান্তিতে পড়েন হাজারো যাত্রী।সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, প্রায় ২৫ বছর আগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া শাজাহানপুর উপজেলার জামালপুর এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু দীর্ঘ সময়েও তা বাস্তবায়িত হয়নি। সম্প্রতি ভূমি অধিগ্রহণের জটিলতার অজুহাত দেখিয়ে ওই স্থান পরিবর্তন করে অন্যত্র বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং এ লক্ষ্যে আইন পাস করা হয়েছে।আড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান বলেন, “ভূমি অধিগ্রহণের প্রতিবন্ধকতার কথা বলে প্রস্তাবিত স্থান পরিবর্তনের যে চেষ্টা চলছে, তা আমরা মানব না। এলাকাবাসী দীর্ঘকাল ধরে এই স্বপ্ন দেখে আসছে।” অধ্যক্ষ আব্দুল হালিম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য জামালপুর এলাকায় পর্যাপ্ত সরকারি জমি রয়েছে। এ ছাড়া এই এলাকাটি সড়ক ও প্রস্তাবিত রেলপথের সঙ্গে সংযুক্ত এবং পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (আরডিএ)-এর নিকটবর্তী হওয়ায় এটি শিক্ষার পরিবেশের জন্য অত্যন্ত উপযোগী।বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জমি অধিগ্রহণের জন্য আবেদন করলেও সংশ্লিষ্ট ফাইল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ৬ মাস ধরে আটকে রয়েছে। তারা দাবি করেন, বগুড়া-৭ আসনের সংসদ সদস্য মোরশেদ মিল্টন বিষয়টি জাতীয় সংসদে উত্থাপন করেছেন এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আবেদন জানিয়েছেন। দ্রুত এই দাবি বাস্তবায়ন না হলে আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন আন্দোলনকারীরা।\ 


আজকের জাতীয় দৈনিকগুলোর শিরোনাম

আজকের জাতীয় দৈনিকগুলোর শিরোনাম

তেলাপোকা পার্টির কর্মসূচি ঘিরে উত্তপ্ত দিল্লি - মানবজমিনশিক্ষায় দুর্নীতি এবং নিটের প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনকে ধাপে ধাপে তেলাপোকা জনতা পার্টি এগিয়ে নিয়ে চলেছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল তাদের প্রতি প্রত্যক্ষভাবে না হলেও পরোক্ষভাবে সমর্থন জানিয়েছে। এগিয়ে এসে পাশে দাঁড়িয়েছেন বিশিষ্টজনরাও। এই আবহে তেলাপোকা জনতা পার্টি সংসদ অভিযান কর্মসূচির ডাক দিয়েছিল। এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দিল্লির রাজপথ উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল। সোমবার থেকেই সংসদের বাদল অধিবেশন শুরু হয়েছে। সংসদ ভবনে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন দলের সাংসদেরা। উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীসহ কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার অন্য সদস্যরাও। এই পরিস্থিতিতে সিজেপি’র আহ্বানে সাড়া দিয়ে হাজার হাজার তরুণ-তরুণী অভিযানে যোগ দিয়েছিলেন। প্রায় পাঁচ হাজার পুলিশ ও আধাসেনা নামিয়েও বিক্ষোভকারীদের দমানো যায়নি। এমন কি মিছিল আটকাতে লাঠি, কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার ও ব্যারিকেড তৈরি করেও তেলাপোকা জনতা পার্টি (সিজেপি)’র সংসদ অভিযান রুখতে পারেনি পুলিশ। পুলিশের বাধা কাটিয়েই সোমবার দুপুরে সংসদ ভবনের কাছে পৌঁছে গিয়েছিল বিক্ষোভকারীরা। বিক্ষোভকারীদের মিছিল এগিয়ে আসতেই নিরাপত্তার কারণে সংসদের প্রধান ফটক বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল।টানা বৃষ্টি ও উজান ঢল, ১০ জেলায় ফের বন্যার আশঙ্কা - সংবাদউজানের ভারী বৃষ্টি ও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অব্যাহত বর্ষণের প্রভাবে দেশের উত্তর, উত্তর-পূর্ব ও মধ্যাঞ্চলে আবারও বন্যা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, আগামী ২৪-৪৮ ঘণ্টার মধ্যে অন্তত ১০টি জেলায় বন্যার ঝুঁকি রয়েছে। একই সঙ্গে কয়েকটি জেলার নদী-তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে পারে। এদিকে, আবহাওয়া অধিদপ্তরও জানিয়েছে, আগামী পাঁচ দিন দেশের সব বিভাগেই বজ্রসহ বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে ইতোমধ্যে বন্যাকবলিত এলাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।দি আরবের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধের ঘোষণা হুতিদের - প্রথম আলোইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা চলছে। ৯ রাত ধরে ইরানের বিভিন্ন অঞ্চলে হামলা চালাচ্ছে মার্কিন বাহিনী। জবাবে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে সামরিক–বেসামরিক স্থাপনা তেহরানের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হচ্ছে। এরই মধ্যে সংঘাতে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ আরোপ করার ঘোষণা দিয়েছে ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতি।বেনজীরকে ফেরত দিতে সম্মত দুবাই - যুগান্তরদুর্নীতির মামলায় অভিযুক্ত পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে দেশে ফেরানোর বিষয়ে নীতিগত সম্মতি দিয়েছে দুবাই পুলিশ। প্রত্যর্পণের আইনি ও কারিগরি প্রক্রিয়া সম্পর্কে বেশ কিছু নথিপত্র ও তথ্য-উপাত্ত চেয়ে ইন্টারপোলের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারকে চিঠি পাঠিয়েছে সংস্থাটি। বর্তমানে পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের ইন্টারপোল শাখার সহযোগিতায় সে বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করছে পুলিশ ও দুদক। সোমবার দুবাইয়ের দিক থেকে বাংলাদেশের চিঠির উত্তর পাঠানোর বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র।পে-স্কেল বাস্তবায়নের চাপে হিমশিম সরকার - দেশ রুপান্তরবিগত অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে নবম জাতীয় পে-স্কেলের প্রতিবেদন সরকারের কাছে জমা দেয় জাতীয় বেতন কমিশন। ওই অর্থবছরে (২০২৫-২৬) সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বাবদ ব্যয় হয়েছে ৮৫ হাজার ১৩৭ কোটি টাকা। আর নতুন পে-স্কেল চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাস্তবায়ন করতে হলে ১ লাখ ৬ হাজার ৩০৭ কোটি টাকা বাড়তি অর্থের প্রয়োজন হবে। অর্থাৎ বছর ঘুরতেই এ খাতে পেনশনের পাওনাসহ রাষ্ট্রের খরচ দাঁড়াবে প্রায় ২ লাখ ১৮ হাজার কোটি টাকায়। ব্যয় বৃদ্ধির এই হার ১৫৬ শতাংশ।মামলা বাড়ছে, রায় কম - আজকের পত্রিকাজুলাই গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে প্রায় দুই বছরে ছয়টি মামলার রায় হয়েছে। বর্তমানে দুই ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন রয়েছে ২০টি মামলা। ৩৮ অভিযোগের তদন্ত চলার পাশাপাশি তদন্তের জন্য বাছাই করা হয়েছে আরও অর্ধশতাধিক অভিযোগ।এগুলোর বাইরে ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশনে জমা আছে আরও কয়েক শ অভিযোগ। অর্থাৎ ট্রাইব্যুনালে মামলার সংখ্যা দিন দিন বাড়বে। প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী একটি মামলা নিষ্পত্তি হতে কয়েক মাস লাগছে। মামলা বাড়লে নিষ্পত্তির জন্য অপেক্ষাও দীর্ঘ হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।ডেঙ্গুর ধরন পাল্টেছে, সংক্রমণ-মৃত্যুঝুঁকি বাড়তে পারে - সমকালচার বছর ধরে দেশে ডেঙ্গু ভাইরাসের সবচেয়ে বেশি প্রচলিত ধরন (সেরোটাইপ) ছিল ডেনভ-২। তবে চলতি বছর সেই চিত্র বদলে গেছে। এখন আধিপত্য দেখা যাচ্ছে ডেনভ-৩ সেরোটাইপের। রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) বলছে, এ বছর বিশ্লেষণ করা নমুনার ৯১ দশমিক ৫ শতাংশে ডেনভ-৩ ও ৮ দশমিক ৫ শতাংশে ডেনভ-২ শনাক্ত হয়েছে। অন্য কোনো সেরোটাইপ পাওয়া যায়নি।পাহাড়ে আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীর গোপন তৎপরতা আরাকানের - নয়া দিগন্তমিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে জান্তা বাহিনীর হাতছাড়া হওয়া মংডু ও বুথিডংয়ের কৌশলগতভাবে বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত অঞ্চল। অন্য দিকে এই সুযোগে সীমান্তের ওপার থেকে পার্বত্য চট্টগ্রামে ঢুকছে অত্যাধুনিক ভারী অস্ত্রের চালান। মিয়ানমার সীমান্তের অরক্ষিত অংশ ও নাফ নদী ব্যবহার করে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আরাকান আর্মির মাধ্যম রকেট লঞ্চার, একে-৪৭, হ্যান্ড গ্রেনেড এবং মাইনের মতো ভারী অস্ত্র পাচার হচ্ছে বলে একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা সূত্র জানিয়েছে। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো- বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চলের উল্লেখযোগ্যসংখ্যক পাহাড়ি যুবক ও স্থানীয় আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্যরা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী ‘আরাকান আর্মির’ (এএ) পক্ষে সরাসরি যুদ্ধে অংশ নিচ্ছে। ফলে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে নতুন করে ঘনীভূত হচ্ছে গভীর নিরাপত্তা সঙ্কট।সিস্টেম লসের নামে গ্যাস চুরি - কালের কণ্ঠতীব্র গ্যাসসংকটে শিল্প-কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। বিদ্যুৎ উৎপাদনেও কাঙ্ক্ষিত গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না। আবার সরবরাহ লাইনে পর্যাপ্ত গ্যাস না থাকায় আবাসিক গ্রাহকদের বাসাবাড়িতেও ঠিকমতো রান্না হচ্ছে না। অথচ এমন কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও সিস্টেম লসের নামে প্রতিদিনই হিসাবের বাইরে চলে যাচ্ছে প্রায় ২০ কোটি ঘনফুট গ্যাস, যার আর্থিক মূল্য প্রায় ১৪ কোটি টাকা। বছরে এই ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়াচ্ছে প্রায় পাঁচ হাজার ১১০ কোটি টাকা। জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনুমোদিত কারিগরি ক্ষতির বাইরে এই পুরো অংশই মূলত গ্যাস চুরি, অবৈধ সংযোগ ও ব্যবস্থাপনাগত দুর্বলতার ফল।সুশীলরা দুর্গত মানুষের পাশে থাকেন না কেন? - বাংলাদেশ প্রতিদিনড. মুহাম্মদ ইউনূস। শান্তিতে নোবেলজয়ী। অন্তর্র্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন দেড় বছর। ক্ষমতায় থাকার সময় দেশের মানুষের ভাগ্যবদলের অনেক গল্প শুনিয়েছিলেন। দেশকে এগিয়ে কোথায় নিয়ে যাবেন তার লম্বা ফিরিস্তি দিতেন প্রতিদিন। ইউনূস আমলে দেড় বছরে দেশের কী হাল হয়েছে তা এখন সবাই জানে। তা নিয়ে আজ আলোচনা করতে চাই না। কিন্তু দেশদরদি এই শান্তির দূত আজ কোথায়?\ 


রাজশাহীর সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

রাজশাহীর সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

ট্রেনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক শিক্ষার্থীকে টিটি (টিকিট চেকার) কর্তৃক মারধরের ঘটনার প্রতিবাদে রেলপথ অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন শিক্ষার্থীরা। ফলে রাজশাহীর সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে পড়েছে।​মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকাল সাড়ে ৮টা থেকে শুরু হওয়া এই অবরোধ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত (সকাল ১১টা) অব্যাহত রয়েছে। এ অবরোধের কারণে রাজশাহী স্টেশন থেকে দুটি আন্তঃনগর ও একটি মেইল ট্রেন ছাড়তে পারেনি, ফলে চরম বিলম্বের মুখে পড়েছেন হাজারো যাত্রী।​আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, ভুক্তভোগী ফরহাদ হোসেন রাবির আইন বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। ট্রেনে রসিদ ছাড়াই যাত্রীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার প্রতিবাদ করায় টিটি তার ওপর চড়াও হন এবং তাকে মারধর করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে অভিযুক্ত টিটির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিসহ চার দফা দাবিতে রাজশাহী-ঢাকা রেলপথ অবরোধ করেন তারা। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। ​ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান বলেন, ‘আমাদের এক শিক্ষার্থী মারধরের শিকার হওয়ার প্রতিবাদে সাধারণ শিক্ষার্থীরা রেললাইন অবরোধ করেছে। রেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা হয়েছে, তারা আলোচনায় বসতে রাজি। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে আমরা দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করছি।’​অন্যদিকে, পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের প্রধান বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপক (সিসিএম) হাবিবুর রহমান জানান, ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় সূচি বিপর্যয় ঘটেছে। তারা সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সাথে আলোচনা করে দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালাচ্ছেন।


ধ্বংসের মুখে আত্রাইয়ের সরকারি কৃষি কোয়ার্টার

ধ্বংসের মুখে আত্রাইয়ের সরকারি কৃষি কোয়ার্টার

নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় কৃষি বিভাগের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের জন্য নির্মিত সরকারি কোয়ার্টারগুলো দীর্ঘ দিন ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। রক্ষণাবেক্ষণের অভাব, সংস্কারের উদ্যোগ না থাকা এবং তদারকির দুর্বলতায় এসব সরকারি স্থাপনা এখন বেদখল হয়ে যাচ্ছে। অনেক জায়গায় অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে।উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ৮ টি ইউনিয়নের মধ্যে মাত্র ১ টি কোয়ার্টার সংস্কার করা হয়েছে। বাকি ৭ টিই ২০১৩ সালে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। এ বিষয়ে জেলা অফিসে একাধিকবার চিঠি পাঠানো হলেও এখন পর্যন্ত কোনো বরাদ্দ মেলেনি।স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, একসময় এই ভবনগুলো কর্মকর্তাদের আবাস, বীজ সংরক্ষণ ও দাপ্তরিক কাজে ব্যবহৃত হতো। দীর্ঘ দিন কোনো কর্মকর্তা না থাকায় ভবনগুলো এখন জরাজীর্ণ। অনেক ভবনের দরজা-জানালা চুরি হয়ে গেছে। কোনোটির একাংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে, আবার কোথাও ভবনের ভেতরে রাখা হচ্ছে গবাদিপশু। এমনকি ভবনের চারপাশের সরকারি জমি স্থানীয় প্রভাবশালীরা দখল করে গাছপালা ও ঘরবাড়ি নির্মাণ করেছেন।ঘোষপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ওয়াজেদ বলেন, "সরকারি জায়গায় অবৈধভাবে ঘর তোলা হয়েছে, অথচ প্রশাসন নীরব। সাধারণ মানুষ এসব সরকারি সম্পত্তিকে নিজেদের মনে করে ব্যবহার করছে। দ্রুত এগুলো দখলমুক্ত করা জরুরি।"উদয়পুর গ্রামের কিসমত হায়াত আক্ষেপ করে বলেন, কৃষি কর্মকর্তারা ইউনিয়নে না থাকায় কৃষকেরা সময়মতো পরামর্শ পাচ্ছেন না। আগে কর্মকর্তারা ইউনিয়নে থাকলেও এখন সব কার্যক্রম উপজেলা সদর থেকে পরিচালিত হয়। ফলে মাঠপর্যায়ের কৃষকেরা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।মথুরাবাটি গ্রামের কৃষক আব্দুল আলীম জানান, অনেক কৃষকই জানেন না যে ইউনিয়নে তাদের জন্য নির্দিষ্ট অফিস বা ভবন রয়েছে। ভবনগুলো সংস্কার করে কার্যক্রম চালু করলে সাধারণ কৃষকদের অনেক উপকার হতো।এ বিষয়ে কয়েকজন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ভবনগুলো বসবাসের অযোগ্য ও জরাজীর্ণ হওয়ায় দাপ্তরিক কাজ চালানো অসম্ভব। বাধ্য হয়েই তাদের উপজেলা সদর থেকে কাজ করতে হচ্ছে।উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রসেনজিৎ তালুকদার বলেন, "বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। সংস্কার ও সীমানা প্রাচীর নির্মাণের প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। সরকারি জমি যাতে বেদখল না হয়, সে বিষয়েও স্থানীয় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।"\ 


যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার করা হবে না নেতানিয়াহুকে: ট্রাম্প  ​

যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার করা হবে না নেতানিয়াহুকে: ট্রাম্প ​

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু আমেরিকা সফরে এলে তাকে কোনোভাবেই গ্রেপ্তার করা হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সম্প্রতি নিউ ইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি নেতানিয়াহুকে শহরে প্রবেশের পর আটক করা যায় কি না, সে বিষয়ে আইনি পথ খুঁজে দেখার কথা জানানোর পর এই তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান ট্রাম্প।​এর আগে নিউ ইয়র্ক টাইমসে দেওয়া এক বক্তব্যে মেয়র জোহরান মামদানি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীকে 'যুদ্ধাপরাধী' হিসেবে উল্লেখ করেন এবং তাকে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (হেগ) পাঠানো উচিত বলে মন্তব্য করেন।এমনকি নেতানিয়াহু নিউ ইয়র্কে এলে স্থানীয় আইন অনুযায়ী তাকে গ্রেপ্তারে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব, সে বিষয়ে পৌরসভার কর্মকর্তাদের সাথে আইনি আলোচনা চলছে বলেও জানান তিনি।​মেয়রের এমন উদ্যোগের কড়া সমালোচনা করেছে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। একই সাথে তারা আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি)-এর গ্রেপ্তারি পরোয়ানাকে ভুয়া আখ্যা দিয়ে আইসিসি-কে একটি ‘ক্যাঙ্গারু কোর্ট’ বলে অভিহিত করে। ইসরায়েলের স্পষ্ট বক্তব্য যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েল কোনো দেশের ওপরই এই আদালতের কোনো এখতিয়ার নেই।​মেয়র মামদানির বক্তব্যের কড়া বিরোধিতা করে ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লেখেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে থাকাকালীন নেতানিয়াহু কোনোভাবেই গ্রেপ্তার হবেন না।’ ট্রাম্প আরও যোগ করেন, নেতানিয়াহু মূলত ইরানের বিরুদ্ধে লড়াই করছেন, যে ইরান হাজার হাজার সাধারণ মানুষ ও মার্কিন সেনাদের ওপর হামলা চালিয়েছে।​উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের নভেম্বরে গাজায় যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আইসিসি নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। তবে ইসরায়েল শুরু থেকেই এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র আইসিসির সদস্য বা চুক্তিভুক্ত দেশ না হওয়ায় এই ধরনের পরোয়ানা বাস্তবায়নে ওয়াশিংটনের ওপর কোনো আইনি বাধ্যবাধকতাও নেই।


ছাতা কারিগরদের পোয়াবারো, দম ফেলার সময় নেই

ছাতা কারিগরদের পোয়াবারো, দম ফেলার সময় নেই

বর্ষার আগমনে পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলায় বেড়েছে ছাতা ব্যবহারের চাহিদা। সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে ভ্রাম্যমাণ ছাতা কারিগরদের ব্যস্ততা। নতুন ছাতার চড়া দামের কারণে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো এখন পুরোনো ছাতা মেরামত করতেই বেশি ভিড় করছে উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে।সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কারিগরদের এখন দম ফেলার সময় নেই। পত্তাশী ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামের কারিগর মো. কালাম জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে এই পেশার সঙ্গে জড়িত। বছরের ৬ মাস তিনি ছাতা মেরামতের কাজ করেন এবং বাকি সময় অন্য পেশায় শ্রম দেন। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তিনি এখন ব্যস্ত থাকেন নষ্ট ছাতা সারাতে।নতুন ছাতা না কিনে পুরোনো ছাতা মেরামত করতে আসা ইন্দুরকানী সদর ইউনিয়নের উত্তর ভবানীপুর গ্রামের শাহ আলম হাওলাদার বলেন, ‘বৃষ্টির কারণে ঘরের বাইরে বের হওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। এই মুহূর্তে নতুন ছাতা কেনা আমার পক্ষে সম্ভব নয়, তাই পুরোনোটিই সারাতে নিয়ে এসেছি।’একই চিত্র দেখা গেল দক্ষিণ ইন্দুরকানী গ্রামের গৃহিণী তহমিনা বেগমের ক্ষেত্রেও। তার স্বামী অন্যের জমিতে কাজ করেন। ৪ ছেলেমেয়ের মধ্যে ৩ জনই স্কুল-কলেজে পড়ে। তহমিনা বলেন, ‘এখন বৃষ্টির দিন, ছেলেমেয়েরা প্রাইভেট পড়তে গেলে ছাতা ছাড়া উপায় নেই। নতুন ছাতা কিনতে অনেক টাকা লাগে। তাই ১০০ টাকা দিয়ে দুটি পুরোনো ছাতা মেরামত করিয়ে নিলাম।’স্থানীয়রা বলছেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে নতুন ছাতা কেনা অনেকের জন্যই বিলাসিতা। তাই কম খরচে পুরোনো ছাতা মেরামত করে বৃষ্টি থেকে বাঁচার চেষ্টা করছেন সাধারণ মানুষ।


স্বাস্থ্যমন্ত্রী নড্ডার সঙ্গে সিজেপির বৈঠকে মিলল না আশ্বাস

স্বাস্থ্যমন্ত্রী নড্ডার সঙ্গে সিজেপির বৈঠকে মিলল না আশ্বাস

আন্তর্জাতিক ডেস্কনিট (NEET) পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে গত ১২ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ করেছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। সোমবার (২০ জুলাই) পার্লামেন্ট ভবন অভিমুখে হাজার হাজার মানুষের এই পদযাত্রা ঘিরে দিনভর উত্তেজনা বিরাজ করে। তবে বিক্ষোভকারীদের মূল দাবিগুলো সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার।গতকাল বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ পার্লামেন্টে পৌঁছানোর আগেই রাজপথ উত্তাল হয়ে ওঠে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অমিত শাহ পুলিশ কমিশনার ও গোয়েন্দা প্রধানদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখেন। পুলিশকে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হলেও বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষ ঘটে। এতে অন্তত ১০০ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মৃদু লাঠিচার্জ ও টিয়ারশেল ব্যবহার করে।বিক্ষোভের মুখে কেন্দ্রীয় সরকার আলোচনার জন্য স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নড্ডাকে দায়িত্ব দেয়। নিট পরীক্ষা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে হলেও এর সিলেবাস ও আসন বণ্টন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যুক্ত থাকায় নড্ডাকেই আলোচনার জন্য উপযুক্ত মনে করে সরকার। বিকেলে সিজেপি প্রতিনিধিরা নড্ডার বাসভবনে গিয়ে ৩দফা দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি জমা দেন। তাদের দাবিগুলো ছিল–শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ, প্রশ্ন ফাঁসের কারণে আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের পরিবারকে ১ কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ এবং পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুকের মুক্তি।বৈঠক শেষে সরকারি সূত্রে জানা গেছে, জেপি নড্ডা আন্দোলনকারীদের কোনো আশ্বাস দেননি। উল্টো তিনি দ্রুত বিক্ষোভ তুলে নিয়ে স্বাভাবিক অবস্থা ফেরাতে সহায়তা করার আহ্বান জানান। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের কোনো প্রশ্নই ওঠে না এবং ক্ষতিপূরণের বিষয়েও কোনো প্রস্তাব বিবেচনাধীন নেই। সোনম ওয়াংচুকের মুক্তি নির্ভর করছে চিকিৎসকদের ছাড়পত্রের ওপর।সরকার এই আন্দোলনকে ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে আখ্যা দিয়েছে। গোয়েন্দা তথ্যের বরাতে বলা হচ্ছে, উত্তরপ্রদেশের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে সমাজবাদী পার্টিসহ বিভিন্ন বিরোধী দল এই বিক্ষোভকে মদত দিচ্ছে। এদিকে দিল্লির এই অচলাবস্থার কারণে পার্লামেন্টের বাদল অধিবেশনের প্রথম সপ্তাহ পুরোপুরি পণ্ড হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।সূত্র: এনডিটিভি/ 


হল ফি কমানোর দাবিতে তিতুমীর কলেজে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

হল ফি কমানোর দাবিতে তিতুমীর কলেজে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

হল ফি কমানোর দাবিতে সরব হয়ে উঠেছেন রাজধানীর সরকারি তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীরা। সোমবার (২০ জুলাই) রাতে ক্যাম্পাসের হল গেটের সামনে জড়ো হয়ে বিভিন্ন প্রতিবাদী স্লোগান দেন তারা।​বিক্ষোভকালে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধিভুক্ত অন্যান্য কলেজে হল ফি ৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হলেও তিতুমীর কলেজে তা নেওয়া হচ্ছে ৮ হাজার টাকা। অতিরিক্ত এই ফি-এর কারণে সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য পড়াশোনা ও থাকার খরচ চালানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।​শিক্ষার্থীরা আরও জানান, ফি কমানোর দাবিতে গত কয়েকদিন ধরেই তারা নানাভাবে আন্দোলন চালিয়ে আসছিলেন। সেসময় কলেজ প্রশাসন ফি কমানোর আশ্বাস দিলেও সম্প্রতি জারি করা নতুন প্রজ্ঞাপনে ফি কমানো হয়েছে মাত্র ২০০ টাকা।​প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তকে 'প্রহসনমূলক' অ্যাখ্যা দিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন আন্দোলনকারীরা। একই সাথে ফি পুনর্বিবেচনা এবং কলেজ অধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিও উত্থাপন করেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।


ফরিদপুরে অপচিকিৎসায় কলেজছাত্রীর মৃত্যুর অভিযোগ

ফরিদপুরে অপচিকিৎসায় কলেজছাত্রীর মৃত্যুর অভিযোগ

ফরিদপুরে অ্যাপেন্ডিসাইটিসের অস্ত্রোপচারের পর এক কলেজছাত্রীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। নিহতের স্বজনদের দাবি, চিকিৎসকের ভুল চিকিৎসার কারণে ওই শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ৩ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। এদিকে ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত চিকিৎসক আত্মগোপনে রয়েছেন।নিহত আয়েশা আফরিন (১৭) ফরিদপুর সরকারি ইয়াসিন কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। সে সদরপুর উপজেলার কৈলাশের ডাঙ্গী গ্রামের প্রবাসী লিটন মাতুব্বরের মেয়ে।পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার বিকেলে পেটে তীব্র ব্যথা শুরু হলে আয়েশাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে অবস্থিত ‘আল জারা প্রাইভেট হাসপাতালে’ ভর্তি করা হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে রাতেই তার অ্যাপেন্ডিসাইটিসের অস্ত্রোপচার করা হয়। স্বজনদের অভিযোগ, অস্ত্রোপচারের পর থেকেই আয়েশার অবস্থার অবনতি হতে থাকে। পরিস্থিতি গুরুতর দেখে রাত ৩টার দিকে তাকে শহরের অন্য একটি হাসপাতালের আইসিইউতে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকালে তার মৃত্যু হয়।নিহতের মা আলেয়া বেগম বিলাপ করতে করতে বলেন, ‘আমার সুস্থ মেয়েটাকে ওরা ভুল চিকিৎসা দিয়ে মেরে ফেলল! আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই, দোষীদের কঠিন শাস্তি চাই।’অভিযোগ উঠেছে, ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের এক চিকিৎসক এই অস্ত্রোপচারটি করেছিলেন। আয়েশার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই ওই চিকিৎসক পলাতক। তার ব্যবহৃত মুঠোফোনটিও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। তদন্তের জন্য ৩ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রতিবেদনে চিকিৎসার কোনো গাফিলতি বা অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’/ 


হাতকড়া খুলে গারদখানা থেকে পালাল ডাকাত সম্রাট

হাতকড়া খুলে গারদখানা থেকে পালাল ডাকাত সম্রাট

গাজীপুর মহানগরীর সদর মেট্রো থানা পুলিশ হেফাজতে থাকা অবস্থায় গারদখানা থেকে কৌশলে পালিয়ে গেছে সম্রাট (২৫) নামে এক দুর্ধর্ষ ডাকাত। সোমবার (২০ জুলাই) দুপুরে আদালত পাঠানোর প্রস্তুতিকালে হাতকড়া থেকে হাত বের করে সে পালিয়ে যায়। সম্রাট জামালপুর জেলার দুলাল মিয়ার ছেলে। তার বিরুদ্ধে গাজীপুরসহ বিভিন্ন থানায় একাধিক ডাকাতি মামলা রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় রবিবার (১৯ জুলাই) দিবাগত রাতে বোর্ডবাজার এলাকা থেকে সম্রাটকে গ্রেপ্তার করে সদর মেট্রো থানা পুলিশ। সোমবার দুপুর ২টার দিকে তাকে আদালতে হাজির করার জন্য গারদখানায় নেওয়া হয়। সেখানে দায়িত্বরতদের নজর এড়িয়ে কৌশলে হাতের হাতকড়া খুলে দ্রুত পালিয়ে যায় সে।গাজীপুর সদর মেট্রো থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘আসামি সম্রাটের হাত তুলনামূলক চিকন হওয়ায় সে কৌশলে হাতকড়া থেকে হাত বের করে দৌড়ে পালিয়ে যায়। তাকে পুনরায় গ্রেপ্তারে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’এ বিষয়ে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদার জানান, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে এবং দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। পুলিশি হেফাজত থেকে আসামির পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় বিভাগীয় তদন্ত ও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানানো হয়েছে।/ 


'কানের দুলের জন‌্য' প্রাণ গেল শিশুর, গণপিটুনিতে নিহত 'ঘাতক'

'কানের দুলের জন‌্য' প্রাণ গেল শিশুর, গণপিটুনিতে নিহত 'ঘাতক'

সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার নলতার কাশিবাটি গ্রামে 'কানের দুলের জন‌্য' এক শিশুকে অপহরণ করে হত্যার লোমহর্ষক ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২০ জুলাই) রাতে 'ঘাতক' সেই নারীকে পিটিয়ে হত্যা করেছে উত্তেজিত জনতা। নিহত শিশু ফারজানা (৯) স্থানীয় কাশিবাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল এবং সে ওই গ্রামের খান ইমামুলের মেয়ে। অভিযুক্ত সুমা বেগম ওই স্কুলের সামনে ঝালমুড়ি বিক্রি করতেন। ​ঘটনার বিবরণে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো সোমবার সকালে ফারজানা স্কুলে যায়। বেলা ১০টার দিকে স্কুলের সামনে সুমার ঝালমুড়ির দোকানে সে মুড়ি কিনতে যায়। এ সময় শিশুটির কানে থাকা স্বর্ণের দুলের দিকে নজর পড়ে দোকানদার সুমার। ধার-দেনাগ্রস্ত সুমা দুলের লোভে শিশুটিকে কৌশলে দোকানের ভেতরে নিয়ে হাত-পা ও মুখ বেঁধে একটি ওয়ারড্রবের ভেতর আটকে রাখে এবং পরে তাকে হত্যা করে লাশ সেখানেই লুকিয়ে রাখে। ​এদিকে স্কুল ছুটির পর ফারজানা বাড়ি না ফেরায় তার মা-বাবা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। ফারজানার ব্যাগ ও বই স্কুলের বেঞ্চে পাওয়া গেলেও শিক্ষকদের কাছে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। দুপুরের পর এলাকায় মাইকিংও করা হয়। ঘটনার পর বিকেল থেকে স্থানীয়রা সুমাকে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে বারবার নিজেকে নির্দোষ দাবি করে অস্বীকার করতে থাকে। ​সন্ধ্যা ৭টার দিকে কালীগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে স্থানীয়দের সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়। এ সময় উত্তেজিত জনতা সুমার বাড়িতে ঢুকে তল্লাশি চালায়। এক পর্যায়ে ওয়ারড্রবের ভেতর ফারজানার নিথর দেহ উদ্ধার হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। জনতা ক্ষুব্ধ হয়ে সুমাকে গণপিটুনি দেয় এবং রাত ৮টার দিকে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। রাত ৯টার দিকে কালীগঞ্জ থানা পুলিশের দুটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে শিশু ফারজানা ও ঘাতক সুমার মরদেহ উদ্ধার করে।


১৭ জেলায় ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত

১৭ জেলায় ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত

দেশের ১৭টি জেলায় আজ দুপুরের মধ্যে ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রপাত হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এসব এলাকায় বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।​মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া এক সতর্কবার্তায় আবহাওয়া অফিস এই তথ্য জানিয়েছে।​পূর্বাভাস অনুযায়ী রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। সেই সঙ্গে এসব এলাকায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।​সম্ভাব্য প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।


সারাদেশে ফ্যামিলি কার্ড সম্প্রসারণের পরিকল্পনা: প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা

সারাদেশে ফ্যামিলি কার্ড সম্প্রসারণের পরিকল্পনা: প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা

অতিবর্ষণে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে এমপি বাবুল

অতিবর্ষণে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে এমপি বাবুল

চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা ও সংস্কৃতি বাধ্যতামূলক হচ্ছে

চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা ও সংস্কৃতি বাধ্যতামূলক হচ্ছে

প্রান্তিক মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা, অবহেলায় শাস্তির হুঁশিয়ারি

প্রান্তিক মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা, অবহেলায় শাস্তির হুঁশিয়ারি

সৌরবিদ্যুৎ: পাঁচ বছরে ১০ হাজার মেগাওয়াটের পরিকল্পনা

সৌরবিদ্যুৎ: পাঁচ বছরে ১০ হাজার মেগাওয়াটের পরিকল্পনা

দিল্লির পর নিউইয়র্কেও পুরস্কার জিতল ‘মানুষের বাগান’

দিল্লির পর নিউইয়র্কেও পুরস্কার জিতল ‘মানুষের বাগান’

ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নেই, তবুও লাখ টাকার মামলা

ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নেই, তবুও লাখ টাকার মামলা

প্রিয় দলের হারে সাতক্ষীরায় আর্জেন্টিনা সমর্থকের মৃত্যু

প্রিয় দলের হারে সাতক্ষীরায় আর্জেন্টিনা সমর্থকের মৃত্যু

খেলা দেখতে বেরিয়ে ফিরলেন লাশ হয়ে

খেলা দেখতে বেরিয়ে ফিরলেন লাশ হয়ে

গত ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরাই মাদকের ডিলার ছিলেন : নিপুন

গত ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরাই মাদকের ডিলার ছিলেন : নিপুন