বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য নির্ধারিত জামালপুর এলাকাতেই বিশ্ববিদ্যালয়টি স্থাপনের দাবিতে ঢাকা-বগুড়া মহাসড়ক অবরোধ ও মানবপ্রাচীর কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকাল ১০টা থেকে শাজাহানপুর উপজেলার নয়মাইল এলাকায় এই কর্মসূচি শুরু হয়।
শাজাহানপুর, গাবতলী, শেরপুর, ধুনট ও নন্দীগ্রাম উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীসহ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। অবরোধের কারণে মহাসড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়, যার ফলে ভোগান্তিতে পড়েন হাজারো যাত্রী।
সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, প্রায় ২৫ বছর আগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া শাজাহানপুর উপজেলার জামালপুর এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু দীর্ঘ সময়েও তা বাস্তবায়িত হয়নি। সম্প্রতি ভূমি অধিগ্রহণের জটিলতার অজুহাত দেখিয়ে ওই স্থান পরিবর্তন করে অন্যত্র বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং এ লক্ষ্যে আইন পাস করা হয়েছে।
আড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান বলেন, “ভূমি অধিগ্রহণের প্রতিবন্ধকতার কথা বলে প্রস্তাবিত স্থান পরিবর্তনের যে চেষ্টা চলছে, তা আমরা মানব না। এলাকাবাসী দীর্ঘকাল ধরে এই স্বপ্ন দেখে আসছে।”
অধ্যক্ষ আব্দুল হালিম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য জামালপুর এলাকায় পর্যাপ্ত সরকারি জমি রয়েছে। এ ছাড়া এই এলাকাটি সড়ক ও প্রস্তাবিত রেলপথের সঙ্গে সংযুক্ত এবং পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (আরডিএ)-এর নিকটবর্তী হওয়ায় এটি শিক্ষার পরিবেশের জন্য অত্যন্ত উপযোগী।
বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জমি অধিগ্রহণের জন্য আবেদন করলেও সংশ্লিষ্ট ফাইল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ৬ মাস ধরে আটকে রয়েছে। তারা দাবি করেন, বগুড়া-৭ আসনের সংসদ সদস্য মোরশেদ মিল্টন বিষয়টি জাতীয় সংসদে উত্থাপন করেছেন এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আবেদন জানিয়েছেন। দ্রুত এই দাবি বাস্তবায়ন না হলে আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন আন্দোলনকারীরা।
\

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৬
বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য নির্ধারিত জামালপুর এলাকাতেই বিশ্ববিদ্যালয়টি স্থাপনের দাবিতে ঢাকা-বগুড়া মহাসড়ক অবরোধ ও মানবপ্রাচীর কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকাল ১০টা থেকে শাজাহানপুর উপজেলার নয়মাইল এলাকায় এই কর্মসূচি শুরু হয়।
শাজাহানপুর, গাবতলী, শেরপুর, ধুনট ও নন্দীগ্রাম উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীসহ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। অবরোধের কারণে মহাসড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়, যার ফলে ভোগান্তিতে পড়েন হাজারো যাত্রী।
সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, প্রায় ২৫ বছর আগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া শাজাহানপুর উপজেলার জামালপুর এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু দীর্ঘ সময়েও তা বাস্তবায়িত হয়নি। সম্প্রতি ভূমি অধিগ্রহণের জটিলতার অজুহাত দেখিয়ে ওই স্থান পরিবর্তন করে অন্যত্র বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং এ লক্ষ্যে আইন পাস করা হয়েছে।
আড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান বলেন, “ভূমি অধিগ্রহণের প্রতিবন্ধকতার কথা বলে প্রস্তাবিত স্থান পরিবর্তনের যে চেষ্টা চলছে, তা আমরা মানব না। এলাকাবাসী দীর্ঘকাল ধরে এই স্বপ্ন দেখে আসছে।”
অধ্যক্ষ আব্দুল হালিম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য জামালপুর এলাকায় পর্যাপ্ত সরকারি জমি রয়েছে। এ ছাড়া এই এলাকাটি সড়ক ও প্রস্তাবিত রেলপথের সঙ্গে সংযুক্ত এবং পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (আরডিএ)-এর নিকটবর্তী হওয়ায় এটি শিক্ষার পরিবেশের জন্য অত্যন্ত উপযোগী।
বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জমি অধিগ্রহণের জন্য আবেদন করলেও সংশ্লিষ্ট ফাইল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ৬ মাস ধরে আটকে রয়েছে। তারা দাবি করেন, বগুড়া-৭ আসনের সংসদ সদস্য মোরশেদ মিল্টন বিষয়টি জাতীয় সংসদে উত্থাপন করেছেন এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আবেদন জানিয়েছেন। দ্রুত এই দাবি বাস্তবায়ন না হলে আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন আন্দোলনকারীরা।
\

আপনার মতামত লিখুন