টাঙ্গাইলের মধুপুরে প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকদের নিয়ে ‘কৃষক পার্টনার কংগ্রেস’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ‘প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন, এন্টারপ্রেনরশিপ অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ’ (পার্টনার) প্রকল্পের আওতায় এই কংগ্রেসের আয়োজন করে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।কংগ্রেসে মধুপুরের লাল মাটি অঞ্চলে নিরাপদ ফসল ও সবজি চাষে জৈবিক পদ্ধতির গুরুত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। কৃষকরা রাসায়নিক সারের পরিবর্তে কেঁচো সার (ভার্মি কম্পোস্ট) ও জৈব সার ব্যবহারের সুফল নিয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইফুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মমতাজ বেগম, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা খাইরুল ইসলাম, অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা রাসেল পারভেজ তমাল ও বিএনপি নেতা আব্দুল লতিফ পান্না।বক্তারা বলেন, নিরাপদ ও জৈবিক পদ্ধতিতে খাদ্য উৎপাদন করে দেশের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সম্ভব। এতে কৃষক ও কৃষি - উভয়ই সমৃদ্ধ হবে।কংগ্রেসে অংশ নেওয়া কৃষক আব্দুল আউয়াল জানান, এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে তারা নিরাপদ চাষাবাদের বিষয়ে উৎসাহিত হচ্ছেন। ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদনকারী সুমি খাতুন বলেন, ‘কেঁচো সার তৈরি করে আমি এখন স্বাবলম্বী। আমার সাফল্য দেখে এখন প্রতিবেশীরাও এই সার তৈরিতে এগিয়ে আসছেন।’উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মমতাজ বেগম বলেন, নিরাপদ ফসল উৎপাদনে কৃষি বিভাগ কৃষকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে। ইউএনও সাইফুল ইসলাম কৃষকদের উদ্দেশ্যে বলেন, কৃষি বিভাগের পরামর্শ মেনে চাষাবাদ করলে ফসলের মান বাড়বে। তিনি নিরাপদ সবজি চাষে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।