খালেদ হামিদীর বাছাই ১৫ কবিতা
খালেদ হামিদীর বাছাই ১৫ কবিতা মৃতদের মাঝে একা সচল চনমনে একাধিক ফুলশয্যা ব্যর্থ হলে কারোকৌমার্য অটুট থাকা দু’জন পরের ভোরে স্নানঘরের জলে ঝাঁপ দেয় কেন বোঝার আগেই লেখা হলে ভবিতব্য অলক্ষ্যে আয়ুর ঢেউ গড়ায় কি বহুদূর?সন্ততির পিতা পরে কোন্ বিফলতালুকাতে নামে না আর সবুজ নদেও?তবে নৈঃসঙ্গের আনন্দে কখনও কাঁপে।বাহুমূলের ঝোপের কৃষ্ণতা অথবাঅদেখা অরণ্য থেকে নিজেরই জাগৃতি দেখার অতুলনীয় শিহরন আর কে পায়? সুযোগ নেই রাজারও এমন।
অথচ পূর্বজ নাকি পুরানা, বাতিল! নবীনেরা কয় দিব্যি ষড়যন্ত্রে মেতে: ‘'মঞ্চে উঠে ওরা কিছু পাঠেরও অযোগ্য!” শুনে বাবা কহে: “নিজেকে জানো না বলে খ্যাতিমোহ, রিরংসার চক্রে তোমরা
মৃত। ভিন্ন কিংবা একই সব সঙ্গই স্বার্থের।” তার জ্যোৎস্না ঠিকরে
পড়া চুলে গোঁফে রঞ্জকের চাকচিক্য দেখেও কেউ পরিহাস ও পছন্দ নির্দ্বিধায় ছোড়ে: “আরে,
আপনাকে দেখাচ্ছে বেশ তো ইয়াং!” একাকী স্বকীয়তায়, শ্মশ্রুহীন, অটল সে বলে: “চিরতরুণ আমার দাড়িমোচই শুধু ইঁচড়ে পাকা!” ০৪-০৫ জুলাই ২০২৬চট্টগ্রাম পাতায়া
সৈকতে সে
কবে বছর আশি আগে পিতামহ নিহত রেঙ্গুনে,তুমুল
দাঙ্গার ক্ষণে বিরোধী কারোর তীব্র জহর সঞ্চারে!ছিলেন
কাস্টমস কালেক্টর তিনি বার্মার বন্দরে।ইতিহাস
কবিতায় বেমানান বলেএখন
সেসব গল্প মুখরোচক চানাচুর অথবা কল্পনালতাহয়ে
ওঠে অনেকের শ্রবণের কূলে।বিয়োগ
না ঘটলে দাদা তোমার অমন,সন্ততি
হতো কি তবে কৈশোরে অনাথ,থেমে
যেত কি আমারই বাবার আশ্চর্যসব
ছবি আঁকা! পৃথিবী ত্যাগের কালেআমি
কেন থাকিনি তোমার পাশে!তোমারই
দ্বিতীয় ভাষা ইংরেজি কি তখন নিস্তব্ধ!পরনে
ছিল কি হাফ প্যান্ট আহাঁটুকোমর,টি-শার্ট
অথবা ঠোঁট থেকে খসে পড়ে ধূমায়িত
বিশ্বস্ত চুরুট?বিবাদের
আগে যদি এসে যেতে এইসিয়ামে,
শ্যামদেশে!আজও
কি হাওয়ায় বেজে চলে শেষ নিঃশ্বাস তোমার;রক্ত
কি রয়েছে মিশে সফেন জোয়ারে, রাতে, পাতায়া সৈকতে! গুটিয়ে
রাখি পা তাই পানি থেকে দূরে। শুনি শুধু থাই
উপসাগরের কথা মূল্যবান:সবুজ
জলের ঢেউ কবির সমান। মে
২৪, পাতায়া, থাইল্যান্ড ওজুন
১৫, ২০২৬; চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ ফের
বৈপরীত্য "যখন
দুর্মুখ তখন রই চুপ;ত্রাসের
রাজত্ব কায়েমে বেয়াকুব।তৎক্ষণাৎ
তবে গলিত মরদেহস্মৃতিতে
ফেরে কেন অসহ গন্ধেরযাতনা
হেনে নাকে! মরেছে চুরিকালেবিদ্যুতের
তার! খবর শুনে ছুট;না
দেখে ফেরা শেষে ঘ্রাণেন্দ্রিয় চেপে।অমন
ছেলেবেলা আবার আসে তেড়ে!"-যে
বলে সেও থামে যূথির সুরভিতে,হারানো
আঙিনায়। জুঁই কি আজও ফোটেতীব্র
সুগন্ধে নিদ্রা ভেঙে কারো?কেউ
বা টের পায় জাগতে হবে আরও। ০৭
মে ২০২৬চট্টগ্রাম বৈপরীত্য ‘অতলান্তিকে স্রোতব্যবস্থা দুর্বলতার শিকার; ওদিকে ক্রমশ সম্প্রসারিত মহাবিশ্বের আকার। অথচ আমার একদিকে কমে, বাড়ে না আরেক পাশে। সেও নাকছাবি না খুলেও দূরে; তাতে কী বা যায় আসে!’ যে বলেছে তার স্মৃতির বাগান হঠাৎ বাত্যাহত;দেখে মাটি জুড়ে হাসনাহেনার নাকফুল অগণিত। ০৩ মে ২০২৬চট্টগ্রাম অথচ আমি কি না তোমার বিগ্রহে ভীষণ বিচলিতআমার দুই চোখে আঁধার টুপটাপঝরেছে কতবার! ওদিকে নভোযানচাঁদের পশ্চাতে গেলেই কী নিঝুম সঙ্গহীনতার সময়,
অদ্ভুত,গেঁথেছে সত্তায় সাহসী মানুষের বিরল প্রতিনিধি। এদিকে অনুবাদেঅনেকে অক্ষম বোমার অপঘাতে স্বজন হারানোর কেমন অনুভূতিরক্তে বেজে চলে গাজা ও তেহরানে।অথচ আমি কি না সহজে কেঁপে উঠিনস্যি কারও কারও অসহ আচরণে! ০৭-০৮ এপ্রিল ২০২৬চট্টগ্রাম মীমাংসার আগে ‘কে তুই কুড়ালের মারিস কোপ বুকে? আঁতকে উঠে ঘুম ভাঙতে দেখি গোলমৃত্যু ঘোরে লাল, মার্বেলের চেয়েখানিক বড়ো আলো। ভয়ে ও বিভ্রমে আইপিএস চোখে বাড়ালে সন্ত্রাসআলিঙ্গনে কেন খুনিকে চাই বাঁধি!’ ‘নস তো অবতার নিয়ত ক্ষমাশীল;তবুও থুতু মুখে ছিটালে দুশমনকেন যে ভুলে থেকে কী সব লিখে যাস!নখরাঘাতে কারো আঁচড় কাটা দেহেতুমুল গালাগাল নিরবে সদা সয়েলুঙ্গি ধরে টান দিলেও বসে পড়েআব্রু রক্ষায় কাঁদিস মেঝেময়। তাতেও পদাঘাত উরুতে বারবার!’ এসব সংলাপ নারীর ছাড়া কার? নরেরও হতে পারে!- কারোর অনুমান।এমতাবস্থায় ভিখারি বুড়ো, বুড়ি,যুবাও কতিপয় কহে: না, আমরাই;অদেখা মার খেতে এসেছি দুনিয়ায়। আহত কারা তবে,-- মীমাংসার আগেপুলিশ লাথি মেরে রিকশা চালকেরঅবস্থান মুছে ফেলায় উদ্যত;যেভাবে হানাদার সেনারা নিগ্রহে,হননে মেতেছিল একাত্তরে, খুব! ১৫-১৭ মার্চ ২০২৬চট্টগ্রাম জানিস
না, লিখতে শুরু করেছি আমরাই আমাদের
অভিশাপ ফলেনি কখনও।কবে
যে কৃষির শুরু, সেই থেকে আজও তোরাই
নাছোড় খুব ভয়ংকরতায়।কাঠের
বিরাট যত নৌকায় আটকবিক্ষুব্ধ
কৃষ্ণাঙ্গদের ফেলেছিস জলে,প্রণীত
কানুনানুগ দর্পের সাগরে। অগণন
হননের ইতিহাস বেয়েঅটুট
তোদের দম্ভে বজ্রও পড়েনি!অভিসম্পাত
শব্দটি ভুল তাই আজ।বিদ্রোহী?
কাগুজে কাব্য! জানে নজরুল!কিন্তু
তোরা গণ্ডমূর্খ কাঁপা আস্ফালনে।জানিস
না, লিখতে শুরু করেছি আমরাই। তোদের
যান্ত্রিক প্রতাপের ঢের আগেগেঁথেছি
হাতির দাঁতে, ম্যামথের হাড়ে,গুহায়
বসেও নানা নিজের অক্ষর।হার্মাদ
জল্লাদ হয়ে জলস্থল থেকেআকাশপথে
ক্ষেপণাস্ত্র যতই ছুড়িসজানবি
না পাখির হাড়ে ফুঁ দিয়ে কীভাবেবাজিয়েছি
বেণু। নিয়ান্ডারথাল নিধনেশামিল
হইনি আমি। বোমায় হারিয়েযাওয়া
কারোর ফেরার আশায় চকিতে, বাতাসে
হেলান দিয়ে সুর তুলি ধীরেদূর
অরিগনেসিয়ান নিজস্ব বাঁশিতে। ০৩-০৫
ফেব্রুয়ারি ২০২৬চট্টগ্রাম লঘু অন্ত্যমিলে কী তবে হারিয়ে গেলে বাবা
দেখেছেন দেশভাগ আর মুক্তিযুদ্ধ শেষে।যুগল
উপনিবেশের পরেও বিদায় নেননি হেসে।মুক্তিদাতার
শাহাদাতে তিনি ভীষণ মর্মাহত;সন্তান
তাঁর অধম আমিও নীরবে বিবাদরত।--ভুল
প্রত্যাশা, ভীতিকর পাওয়া, দু'য়ের দ্বন্দ্বে ক্ষয়শুধু
ব্যষ্টির? মরে মরে বাঁচা সমষ্টি চুপ রয়।'পিতা
তিন কাল, আমি দু'আমল দেখেছি' বলেই শুনি,সন্ততি
কহে: ‘তাহলে আমরা কী আশায় দিন গুনি? শুরুতে করোনা, অভ্যুত্থান, ফের মব, রাহাজানি;গাজা ধ্বংসের পরেই হঠাৎ নিহত কেন খামেনি!’ ০১-০২ মার্চ ২০২৬চট্টগ্রাম স্থূল অন্ত্যমিলে যদি কিছু মেলে জগতে আমাকে যুক্ত করেন মা-বাবা।তবুও হাঁটার পথে কারা দেয় থাবা?বুদ্ধের অনুপযোগী প্রতি পদক্ষেপেফোটেনি এখনও পদ্ম বলে কি আক্ষেপেকাটে একা কোনো ক্ষণ বিরল প্রহরে?বেমানান উপমায় খোদার কহরেগুটিসুটি তবে আমি হঠাৎ একান্তে?জানি, কারো অপমান পাবোই
দিনান্তে। অভিন্ন শরণে একে উপাচার গড়ে;অথচ নিঃসঙ্গ দেব ক্রমে ভেঙে পড়ে!আয়কারী হাতিয়ার যদি সংসারেঅগোচরে থেকে যায় কে কারে সংহারে।অনেকে বহুত্ববাদী; একের পূজারী সংখ্যালঘু হলে ঘৃণা গুপ্ত
মহামারি।নিয়ত বয়স্ক প্রেমী সন্ততির মুখেআত্মপ্রসারণ দেখে অসম্পূর্ণ সুখে। বিযুক্তির অগ্নি থেকে সাধ্য নেই ছুটি মেলে পাখা;যদিও ব্যাংকের মতো কোথাও আমার নেই শাখা। ২৭-২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬চট্টগ্রাম অভিন্ন দড়িতে বাঁধা চার গরিলার সব হাত এক দড়িতে বেঁধেছে কারা!না,
না,
দেখ কালো পশমি জামায় আপাদমুণ্ড ঢাকা।তবে এলিয়েন ধরা পড়ে গেছে ভূবাসী দানব-হাতে?না হলে গ্রহান্তরের প্রাণিতে ভয় কার নেই বল?আরে! দূর হতে ক্রমশ নিকটে এলেই বিস্ফারিত সবার চক্ষু: পুরুষ টানিছে চতুর্জীবের রশি!একা এক নর! মানুষ তবে কি! বিস্ময় শুধু বাড়ে।আরও কাছে এলে কেউ বলে ওঠে: বন্দিরা সব নারী!দুই জোড়া বউ স্বামীর সঙ্গে যাচ্ছে বাপের বাড়ি!! ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬চট্টগ্রাম নয়নতারা পেয়ারা, মরিচ আর হরেক শাকের পাশে ফুটে আছ একা, ছড়িয়ে গোলাপি আলো, ঘোর এপ্রিলেও।যুদ্ধের খবর কিংবা মানুষের হানাহানি,-- কিছুই জানো না। সুরভিবিহীন তুমি; তবুও তাকিয়ে থাকি তোমার দিকেই। কিন্তু কেন? বলবো না। সবার অনুভূতিতো আর এখনওহয়নি ভোঁতা। ২৫ এপ্রিল ২০২৬চট্টগ্রাম জন্মদিন
জন্মদিন
মনে এলে আজতক মরেছি কতবার ভেবেই
ঘরের শীর্ষে, আঙিনার কোণ ঘেঁষে কারা আকাশ প্রদীপ জ্বালে? বর্তিকার একাধিক পথধরে
ফিরি তবে বাড়ি? আমারই অনুচ্চারিত ইচ্ছা অনুযায়ী
কারও দেখা: প্রতি স্তম্ভে কবিতা টাঙানো। কিছু
লোক মিনমিন প্রেমের সুদূর হোমিওপ্যাথি খুঁজে
পেলে অন্য কেউ 'এগুলো আবার মিলনের এলোপ্যাথি'
বলে খুব উত্তাপ পোহায়। কতিপয় ব্যক্তিও
ঝাঁজালো: ‘আরে, এই পদ্য লাল!’ বাকি জন শ্লেষেও
সরব: ‘ওরা দেখে নাই, আরও আছে নীল।‘--শুনেই
অপর চোখে ভাসমান রবীন্দ্রকিতাব প্রদীপের
নামে লেখা। কেন হায় তারা দেখা শুধু! ঘর
বাড়ি হৃত প্রায়, উঠানে বর্গির হানা জারি; তবুও
মৃত্তিকা ছেড়ে কীভাবে আকাশ দিই পাড়ি! ১৮-১৯
জানুয়ারি ২০২৬চট্টগ্রাম কাবিনের পদ্য অবিবাহিতরা
কীভাবে অতিবাহিত আজ কেউ জানো?ত্রিমাসের ভ্রূণ হননে ব্যাকুল তরুণী, ক্লিনিকে,
শোনো? অভিন্ন ছাত দু’ঘরে শয়ন, দম্পতি খেটে
মরে সন্তানদের
ভবিতব্যের রসদ যাতে না সরে।হঠাৎ কখনো
দু’য়ে বিরক্ত,
স্বামীখান দিশাহারা;ঢোকে না মাথায়
কীভাবে কাবিননামা ছেড়ে আনোয়ারা!উপন্যাসেই শুধু
সম্ভব অত মহত্ত্ব রূপায়ন;
কেউ কহে সে তো
অধিকারচ্যুতি,
বেকুব মেয়ের রসায়ন। অতিষ্ঠ বর এবং জনক করে না কো তবু বিবাগী হবার ভুল; স্বাধিকারহরা
কাবিন না মেনে বিয়েবাড়ি ছাড়ে জেদি কাজী নজরুল। ১১/১১/২০২৫চট্টগ্রাম পৃথিবী আসলে একটি পঙক্তি
আসি আসি করে কোথায় থমকে যায়?কচু পাতা থেকে
শিশিরের ফোঁটা পতনোন্মুখ দেখেনাকি লাফে
হেঁটে এগুনো ব্যাঙের পিপাসা মেটে না হায়! অথচ ঘুঘুর ঝাঁক
এসে দেখে ঘাসে জলকণা চেখে! আরও কত পাখি
ধান খেয়ে গেলে কাকতাড়ুয়ার শুরু;ধান থেকে শিশু
হয় বলে আর কবিতা লেখে না কেউ।কাব্যচরণ তবুও
না দিলে ধরা, কাকে ডাকি গুরু?বোমার আঘাতে
কোথাও আকাশে নিহত শিশুর ঢেউ! কে যেন বলেছে:“পৃথিবী
আসলে পশুপক্ষীর, মানুষেরা সব এলিয়েন!”সন্তান বুকেত্রস্ত মা-বাবা
কেঁপে চিৎকৃত: “এ আবার কী শোনালেন!!” ২০ এপ্রিল ২০২৫চট্টগ্রাম টোনালিটিEverything has tonality. -- Charlie Puth টোনালিটি মানে
অভিধানে যা-ই থাকচামচে অথবা
কাঠিতে বাজালে কাপকিংবা বাটির
কিনার নয়তো প্লেটকারোর বক্ষ
থেকে কি আওয়াজ ওঠে?মৃদু কি মাঝারি টোকায়,
আঘাতে কাচকী স্বনন তোলে
সত্তার অনুবাদে?নাকি মানুষেরা
জিনিসেরও ধ্বনি বোঝে,লোহালক্কড়, তামা-পিতলের ভাষা?না হলে সে কবে
তোমারই চলার ধারেপেয়ালা বাজিয়ে
তোমাকে ডেকেছিলাম,ফিরেও না দেখে
কীভাবে মেসেঞ্জারে লিখলে হঠাৎ: 'সুর তুলেছিলে খুব;বহু দূর হতে
তাতে দিই আজও ডুব।'--?
১২ জুন ২০২৫চট্টগ্রামকবি পরিচিতিখালেদ
হামিদীর জন্ম : ২৪ জানুয়ারি ১৯৬৩। ব্যবস্থাপনায় স্নাতক (সম্মান) ১৯৮৫ ও স্নাতকোত্তর
১৯৮৬; চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশিত
গ্রন্থ : কাব্য
:
১. আমি অন্তঃসত্ত্বা হবো (১৯৯৯); ২. হে সোনার এশীয় (২০০৪); ৩. মুখপরম্পরা (২০০৭); ৪.
ধান থেকে শিশু হয় (২০১০); ৫. স্লামডগ, মিলিয়নার
নই (২০১৩); ৬. তুমি কি রোহিঙ্গা মাছি (২০১৮); ৭. ঘুমোই চশমা চোখে (২০১৯; ঋতবাক; কলকাতা; ভারত); ৮. আমি কি টাকা তবে (২০২২); ৯. তবুও
উপনিবেশ (২০২৪); ১০. এখনও হইনি ফাঁপা (২০২৬) গল্প
: আকব্জিআঙুল নদীকূল (২০১২); উপন্যাস
: ১. সব্যসাচী (২০১৭); ১৩. হেলিকপটার ও সোনার তলোয়ার (২০২৩); ডকুফিকশন
: কিছুই যাবে না ফেলা (২০২১); প্রবন্ধ
:
১. কবির সন্ধানে কবিতার খোঁজে (২০০৭); ২. না কবিতা, হাঁ কবিতা (২০১৬); ৩. চেনা
কবিতার ভিন্ন পাঠ (২০১৯); অনুবাদ
: ১. ওঅল্ট হুইটম্যানের কবিতা (২০১৬); ২. ওরহান পামুকের নির্বাচিত গদ্য (২০২৫) পুরস্কার
:
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন মহান একুশে স্মারক সম্মাননা পদক ২০১৯; শালুক
বিশেষ সম্মাননা পদক ২০১৯;
পোর্টল্যান্ড গ্রুপ সম্মাননা
স্মারক ২০২২