সংবাদ

ফরিদপুরে একসঙ্গে ৫ সন্তানের জন্ম


প্রতিনিধি, ফরিদপুর
প্রতিনিধি, ফরিদপুর
প্রকাশ: ৩ জুলাই ২০২৬, ০৩:২৮ পিএম

ফরিদপুরে একসঙ্গে ৫ সন্তানের জন্ম
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। ছবি : সংবাদ

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একসঙ্গে ৫ সন্তানের জন্ম দিয়েছেন চাঁদনী বেগম (২০) নামে এক গৃহবধূ। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরে নরমাল ডেলিভারিতে ৩ কন্যা ও ২ পুত্রসন্তানের জন্ম দেন তিনি। তবে ৭ মাসেই জন্ম হওয়ায় এবং ওজন কম থাকায় শেষ পর্যন্ত ৪টি শিশু মারা গেছে। বর্তমানে ১টি শিশু ও মা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গতকাল দুপুরে প্রসব বেদনা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন চাঁদনী বেগম। দুপুর ২টা ৭ মিনিট থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে তিনি ৫ সন্তানের জন্ম দেন। নবজাতকগুলোর ওজন ছিল ৩৪০ গ্রাম থেকে সর্বোচ্চ ৮১৫ গ্রামের মধ্যে।

হাসপাতালের স্টাফ নার্স মিনতি সরকার জানান, মাত্র ৭ মাস বয়সে জন্ম হওয়ায় শিশুদের শারীরিক গঠন পূর্ণাঙ্গ ছিল না। অনেকের চোখও ফোটেনি। জন্মের পর থেকেই তারা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল।

চাঁদনী বেগমের বাবা জাহাঙ্গীর মোল্লা জানান, তার মেয়ে বর্তমানে একটি কলেজের স্নাতক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। বছরখানেক আগে নগরকান্দার ভবুকদিয়া এলাকার হাসান মোল্লার সঙ্গে চাঁদনীর বিয়ে হয়। এটিই ছিল এই দম্পতির প্রথম সন্তান।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উন্নত চিকিৎসার চেষ্টা করা হলেও জন্মের কিছু সময় পর একে একে ৪টি শিশু মারা যায়। বর্তমানে ১টি শিশু বেঁচে আছে, তবে তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক। মা চাঁদনী বেগমও অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

/

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬


ফরিদপুরে একসঙ্গে ৫ সন্তানের জন্ম

প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুলাই ২০২৬

featured Image

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একসঙ্গে ৫ সন্তানের জন্ম দিয়েছেন চাঁদনী বেগম (২০) নামে এক গৃহবধূ। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরে নরমাল ডেলিভারিতে ৩ কন্যা ও ২ পুত্রসন্তানের জন্ম দেন তিনি। তবে ৭ মাসেই জন্ম হওয়ায় এবং ওজন কম থাকায় শেষ পর্যন্ত ৪টি শিশু মারা গেছে। বর্তমানে ১টি শিশু ও মা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গতকাল দুপুরে প্রসব বেদনা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন চাঁদনী বেগম। দুপুর ২টা ৭ মিনিট থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে তিনি ৫ সন্তানের জন্ম দেন। নবজাতকগুলোর ওজন ছিল ৩৪০ গ্রাম থেকে সর্বোচ্চ ৮১৫ গ্রামের মধ্যে।

হাসপাতালের স্টাফ নার্স মিনতি সরকার জানান, মাত্র ৭ মাস বয়সে জন্ম হওয়ায় শিশুদের শারীরিক গঠন পূর্ণাঙ্গ ছিল না। অনেকের চোখও ফোটেনি। জন্মের পর থেকেই তারা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল।

চাঁদনী বেগমের বাবা জাহাঙ্গীর মোল্লা জানান, তার মেয়ে বর্তমানে একটি কলেজের স্নাতক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। বছরখানেক আগে নগরকান্দার ভবুকদিয়া এলাকার হাসান মোল্লার সঙ্গে চাঁদনীর বিয়ে হয়। এটিই ছিল এই দম্পতির প্রথম সন্তান।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উন্নত চিকিৎসার চেষ্টা করা হলেও জন্মের কিছু সময় পর একে একে ৪টি শিশু মারা যায়। বর্তমানে ১টি শিশু বেঁচে আছে, তবে তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক। মা চাঁদনী বেগমও অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

/


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত