পটুয়াখালীর কুয়াকাটা উপকূলসংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে এক জেলের জালে প্রায় ৮ কেজি ওজনের একটি বিরল কালো পোয়া মাছ ধরা পড়েছে। স্থানীয়ভাবে ‘লম্বু পোয়া’ নামে পরিচিত এই মাছটি রোববার (৫ জুলাই) সকালে আলীপুর মৎস্য বন্দরে নিলামের মাধ্যমে ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।
মৎস্য বিভাগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সমুদ্রের মাছ ধরার ওপর ৫৮ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা শেষে শনিবার (৪ জুলাই) রাতে কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে জাল ফেলেন রহিম মাঝি। একপর্যায়ে অন্য মাছের সঙ্গে তার জালে আটকা পড়ে বড় আকারের এই কালো পোয়া। রোববার (৫ জুলাই) সকালে মাছটি আলীপুর মৎস্য বন্দরে তোলা হলে নিলামে ওঠে। সেখানে ‘কুয়াকাটা ফ্রেশ ফিশ’-এর স্বত্বাধিকারী পিএম মূসা প্রতি মণ ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা হিসেবে কেজি প্রতি ৬ হাজার ২৫০ টাকা দরে মোট ৫০ হাজার টাকায় মাছটি কিনে নেন।
জেলে রহিম মাঝি বলেন, ‘নিষেধাজ্ঞা শেষে অনেক আশা নিয়ে সাগরে গিয়েছিলাম। শুরুতে তেমন মাছ না পেলেও শেষে বড় এই পোয়া মাছটি জালে দেখে খুব আনন্দ হয়েছে। এত দামি মাছ আগে কখনও পাইনি। মাছটি বিক্রির টাকায় ঋণের কিছু অংশ পরিশোধের পাশাপাশি পরিবারের খরচ মেটাতে পারব।’
ক্রেতা পিএম মূসা জানান, এই মাছের বায়ুথলি (সুইম ব্লাডার) অত্যন্ত মূল্যবান হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বিদেশে রপ্তানির উদ্দেশ্যে তিনি মাছটি সংগ্রহ করেছেন।
কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, স্থানীয়ভাবে কালো পোয়া বা লম্বু পোয়া নামে পরিচিত এই মাছের ওজন সাধারণত ৪ থেকে ৪০ কেজি পর্যন্ত হয়। উচ্চমূল্যের কারণে অনেকে একে ‘সাগরের কালো সোনা’ বলে ডাকেন। দীর্ঘ নিষেধাজ্ঞা শেষে এমন মূল্যবান মাছ ধরা পড়া জেলেদের জন্য ইতিবাচক সংকেত।
/

সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুলাই ২০২৬
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা উপকূলসংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে এক জেলের জালে প্রায় ৮ কেজি ওজনের একটি বিরল কালো পোয়া মাছ ধরা পড়েছে। স্থানীয়ভাবে ‘লম্বু পোয়া’ নামে পরিচিত এই মাছটি রোববার (৫ জুলাই) সকালে আলীপুর মৎস্য বন্দরে নিলামের মাধ্যমে ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।
মৎস্য বিভাগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সমুদ্রের মাছ ধরার ওপর ৫৮ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা শেষে শনিবার (৪ জুলাই) রাতে কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে জাল ফেলেন রহিম মাঝি। একপর্যায়ে অন্য মাছের সঙ্গে তার জালে আটকা পড়ে বড় আকারের এই কালো পোয়া। রোববার (৫ জুলাই) সকালে মাছটি আলীপুর মৎস্য বন্দরে তোলা হলে নিলামে ওঠে। সেখানে ‘কুয়াকাটা ফ্রেশ ফিশ’-এর স্বত্বাধিকারী পিএম মূসা প্রতি মণ ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা হিসেবে কেজি প্রতি ৬ হাজার ২৫০ টাকা দরে মোট ৫০ হাজার টাকায় মাছটি কিনে নেন।
জেলে রহিম মাঝি বলেন, ‘নিষেধাজ্ঞা শেষে অনেক আশা নিয়ে সাগরে গিয়েছিলাম। শুরুতে তেমন মাছ না পেলেও শেষে বড় এই পোয়া মাছটি জালে দেখে খুব আনন্দ হয়েছে। এত দামি মাছ আগে কখনও পাইনি। মাছটি বিক্রির টাকায় ঋণের কিছু অংশ পরিশোধের পাশাপাশি পরিবারের খরচ মেটাতে পারব।’
ক্রেতা পিএম মূসা জানান, এই মাছের বায়ুথলি (সুইম ব্লাডার) অত্যন্ত মূল্যবান হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বিদেশে রপ্তানির উদ্দেশ্যে তিনি মাছটি সংগ্রহ করেছেন।
কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, স্থানীয়ভাবে কালো পোয়া বা লম্বু পোয়া নামে পরিচিত এই মাছের ওজন সাধারণত ৪ থেকে ৪০ কেজি পর্যন্ত হয়। উচ্চমূল্যের কারণে অনেকে একে ‘সাগরের কালো সোনা’ বলে ডাকেন। দীর্ঘ নিষেধাজ্ঞা শেষে এমন মূল্যবান মাছ ধরা পড়া জেলেদের জন্য ইতিবাচক সংকেত।
/

আপনার মতামত লিখুন