সংবাদ

বগুড়ায় নির্মাণের ৩য় দিনেই ধসে পড়ল সড়ক


প্রতিনিধি, শিবগঞ্জ (বগুড়া)
প্রতিনিধি, শিবগঞ্জ (বগুড়া)
প্রকাশ: ৭ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩১ পিএম

বগুড়ায় নির্মাণের ৩য় দিনেই ধসে পড়ল সড়ক
সড়ক ধসে যাওয়ায় ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন। ছবি : সংবাদ

বগুড়ার শিবগঞ্জের মোকামতলায় চলনাকাঁথী-হরিপুর সড়কের কার্পেটিং কাজ শেষ হওয়ার মাত্র ৩ দিনের মাথায় বিভিন্ন স্থানে ধস নেমেছে। স্থানীয়রা নিজ উদ্যোগে মাটি ফেলে সংস্কারের চেষ্টা করলেও সাম্প্রতিক বৃষ্টিতে সড়কটি আবারও ধসে পড়ে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতে যান চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন কয়েক হাজার মানুষ।

সোমবার (৬ জুলাই) সরেজমিনে দেখা গেছে, নবনির্মিত সড়কটির বেশ কিছু স্থানে কার্পেটিংয়ের নিচের মাটি সরে গিয়ে পাশের জমিতে বিলীন হয়ে গেছে। কোথাও কোথাও ইট ও খোয়া বেরিয়ে এসেছে। ঝুঁকি নিয়েই চলাচল করছে শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের যানবাহন। তবে ধসে যাওয়া স্থানে কোনো সতর্কতামূলক চিহ্ন বা লাল পতাকা দেখা যায়নি।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, গত ২০ মে সড়কটির কার্পেটিং কাজ শেষ হয়। এর ৩ দিনের মাথায় কয়েকটি স্থানে ধস দেখা দিলে এলাকাবাসী স্বেচ্ছাশ্রমে মাটি দিয়ে তা মেরামত করেন। কিন্তু কয়েক দিনের বৃষ্টিতে সেই মাটি ধুয়ে গিয়ে সড়কটি এখন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

এলাকাবাসীর দাবি, সড়ক নির্মাণে অত্যন্ত নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে। রাস্তার পাশের সুরক্ষা বাঁধ বা প্যালাসাইডিং যথাযথভাবে নির্মাণ না করায় সামান্য বৃষ্টিতেই এই বিপর্যয় ঘটেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্থানীয় ব্যক্তি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "সরকার তো বরাদ্দে কোনো কমতি রাখেনি। কিন্তু ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্টদের গাফিলতিতে রাস্তার এই অবস্থা হয়েছে।"

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে শিবগঞ্জ উপজেলা এলজিইডি কার্যালয়ে গিয়ে উপজেলা প্রকৌশলী সিহাদুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। সড়ক নির্মাণসংক্রান্ত তথ্য চাইলে তিনি বলেন, "তথ্য এখন মুখস্থ নেই, মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ফোন দিয়েন।" তবে মঙ্গলবার তার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। 

/

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬


বগুড়ায় নির্মাণের ৩য় দিনেই ধসে পড়ল সড়ক

প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুলাই ২০২৬

featured Image

বগুড়ার শিবগঞ্জের মোকামতলায় চলনাকাঁথী-হরিপুর সড়কের কার্পেটিং কাজ শেষ হওয়ার মাত্র ৩ দিনের মাথায় বিভিন্ন স্থানে ধস নেমেছে। স্থানীয়রা নিজ উদ্যোগে মাটি ফেলে সংস্কারের চেষ্টা করলেও সাম্প্রতিক বৃষ্টিতে সড়কটি আবারও ধসে পড়ে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতে যান চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন কয়েক হাজার মানুষ।

সোমবার (৬ জুলাই) সরেজমিনে দেখা গেছে, নবনির্মিত সড়কটির বেশ কিছু স্থানে কার্পেটিংয়ের নিচের মাটি সরে গিয়ে পাশের জমিতে বিলীন হয়ে গেছে। কোথাও কোথাও ইট ও খোয়া বেরিয়ে এসেছে। ঝুঁকি নিয়েই চলাচল করছে শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের যানবাহন। তবে ধসে যাওয়া স্থানে কোনো সতর্কতামূলক চিহ্ন বা লাল পতাকা দেখা যায়নি।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, গত ২০ মে সড়কটির কার্পেটিং কাজ শেষ হয়। এর ৩ দিনের মাথায় কয়েকটি স্থানে ধস দেখা দিলে এলাকাবাসী স্বেচ্ছাশ্রমে মাটি দিয়ে তা মেরামত করেন। কিন্তু কয়েক দিনের বৃষ্টিতে সেই মাটি ধুয়ে গিয়ে সড়কটি এখন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

এলাকাবাসীর দাবি, সড়ক নির্মাণে অত্যন্ত নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে। রাস্তার পাশের সুরক্ষা বাঁধ বা প্যালাসাইডিং যথাযথভাবে নির্মাণ না করায় সামান্য বৃষ্টিতেই এই বিপর্যয় ঘটেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্থানীয় ব্যক্তি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "সরকার তো বরাদ্দে কোনো কমতি রাখেনি। কিন্তু ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্টদের গাফিলতিতে রাস্তার এই অবস্থা হয়েছে।"

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে শিবগঞ্জ উপজেলা এলজিইডি কার্যালয়ে গিয়ে উপজেলা প্রকৌশলী সিহাদুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। সড়ক নির্মাণসংক্রান্ত তথ্য চাইলে তিনি বলেন, "তথ্য এখন মুখস্থ নেই, মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ফোন দিয়েন।" তবে মঙ্গলবার তার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। 

/


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত