সংবাদ

বন্দরে এক মাসে ৭ হত্যা ও ৪ লাশ উদ্ধার, আতঙ্কে বাসিন্দারা


প্রতিনিধি, বন্দর (নারায়ণগঞ্জ)
প্রতিনিধি, বন্দর (নারায়ণগঞ্জ)
প্রকাশ: ৭ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩৬ পিএম

বন্দরে এক মাসে ৭ হত্যা ও ৪ লাশ উদ্ধার, আতঙ্কে বাসিন্দারা
বন্দর থানা। ছবি : সংবাদ

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটেছে। গত ১ মাসে এই উপজেলায় ৭টি হত্যাকাণ্ড, ৪টি অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির লাশ উদ্ধার এবং ৭টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। একের পর এক অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে এলাকায় চরম নিরাপত্তাহীনতা ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

সরেজমিনে জানা গেছে, গত ১ জুন নবীগঞ্জ কদমরসুল ঘাট সংলগ্ন শীতলক্ষ্যা নদী থেকে এক অজ্ঞাত যুবকের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এর কয়েক দিন পর ৭ জুন রাতে কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে এনায়েতনগর ভাঙা ব্রিজের কাছে ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে নিহত হন পোশাকশ্রমিক জুবায়ের (১৮)। ওই ঘটনায় মামলা নিতে পুলিশের গড়িমসির অভিযোগে এলাকাবাসী থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভও করেন।

গত মাসে আরও বেশ কয়েকটি চাঞ্চল্যকর মৃত্যু দেখেছে বন্দরবাসী। ১৭ জুন পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করেন এক ব্যক্তি। ২০ জুন শীতলক্ষ্যা নদী থেকে উদ্ধার করা হয় সাত বছরের শিশু হাসানের লাশ। ২৬ জুন মুছাপুর এলাকায় এক ইউপি সদস্য ও তাঁর সহযোগীর মারধরে নিহত হন ব্যবসায়ী মোতালেব হোসেন। সর্বশেষ ৪ জুলাই ঢাকেশ্বরী এলাকার একটি ডোবা থেকে অটোরিকশাচালক মাসুম রানার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এলাকায় মাদক ব্যবসা, কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত ও চুরির উপদ্রব আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। সন্ধ্যার পর সাধারণ মানুষের চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে অভিভাবকেরা চরম উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি সার্কেল) দীপংকর ঘোষ বলেন, "অপরাধ দমনে পুলিশ তৎপর রয়েছে। ইতিমধ্যে কয়েকটি ঘটনার মূল আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশের বিশেষ অভিযান ও টহল আরও জোরদার করা হয়েছে।"

/

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬


বন্দরে এক মাসে ৭ হত্যা ও ৪ লাশ উদ্ধার, আতঙ্কে বাসিন্দারা

প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুলাই ২০২৬

featured Image

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটেছে। গত ১ মাসে এই উপজেলায় ৭টি হত্যাকাণ্ড, ৪টি অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির লাশ উদ্ধার এবং ৭টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। একের পর এক অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে এলাকায় চরম নিরাপত্তাহীনতা ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

সরেজমিনে জানা গেছে, গত ১ জুন নবীগঞ্জ কদমরসুল ঘাট সংলগ্ন শীতলক্ষ্যা নদী থেকে এক অজ্ঞাত যুবকের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এর কয়েক দিন পর ৭ জুন রাতে কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে এনায়েতনগর ভাঙা ব্রিজের কাছে ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে নিহত হন পোশাকশ্রমিক জুবায়ের (১৮)। ওই ঘটনায় মামলা নিতে পুলিশের গড়িমসির অভিযোগে এলাকাবাসী থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভও করেন।

গত মাসে আরও বেশ কয়েকটি চাঞ্চল্যকর মৃত্যু দেখেছে বন্দরবাসী। ১৭ জুন পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করেন এক ব্যক্তি। ২০ জুন শীতলক্ষ্যা নদী থেকে উদ্ধার করা হয় সাত বছরের শিশু হাসানের লাশ। ২৬ জুন মুছাপুর এলাকায় এক ইউপি সদস্য ও তাঁর সহযোগীর মারধরে নিহত হন ব্যবসায়ী মোতালেব হোসেন। সর্বশেষ ৪ জুলাই ঢাকেশ্বরী এলাকার একটি ডোবা থেকে অটোরিকশাচালক মাসুম রানার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এলাকায় মাদক ব্যবসা, কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত ও চুরির উপদ্রব আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। সন্ধ্যার পর সাধারণ মানুষের চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে অভিভাবকেরা চরম উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি সার্কেল) দীপংকর ঘোষ বলেন, "অপরাধ দমনে পুলিশ তৎপর রয়েছে। ইতিমধ্যে কয়েকটি ঘটনার মূল আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশের বিশেষ অভিযান ও টহল আরও জোরদার করা হয়েছে।"

/


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত