খুলনার আড়ংঘাটায় একটি মাদ্রাসায় ১০ বছরের এক শিশুকে পায়ে
শিকল দিয়ে বেঁধে নির্যাতন করা হয়েছে। শিশুটিকে দিয়ে মাদ্রাসার গরু চড়ানোসহ
নানাভাবে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগে মাদ্রাসা
শিক্ষক আসলাম উদ্দিনকে (৫৭) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (৬ জুলাই) রাতে খুলনার আড়ংঘাটা থানাধীন আমিননগর
হামিউস সুন্নাহ দারুল উলুম মাদ্রাসা ও লিল্লা এতিমখানা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা
হয়। এর আগে ৫ জুলাই শিশু মিরাজুল ইসলামকে পায়ে কাঠের টুকরাসহ শিকলবন্দী ও অসহায়
অবস্থায় দেখতে পান তার পরিবারের সদস্যরা।
পুলিশ জানায়, শিক্ষক আসলাম উদ্দিন শিশুটিকে শিকল দিয়ে
বেঁধে রাখতেন এবং তাকে দিয়ে ঘাস কাটা ও গরু-ছাগল চড়ানোর কাজ করাতেন। সামান্য ভুল হলে
তার উপর চলত অমানুষিক নির্যাতন। অতিষ্ঠ হয়ে শিশুটি কয়েকবার পালানোর চেষ্টা করলেও
পরিবারের সদস্যরা তাকে আবার মাদ্রাসায় দিয়ে যেতেন। সবশেষ ৫ জুলাই শিশুটির করুণ দশা
দেখে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে। থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুবর্ণা
রাণি পাল হাওলাদার মামলাটির তদন্ত শুরু করেছেন।
আড়ংঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হালিমুর রহমান
জানান, ‘ওই ঘটনায়
থানায় মামলা করা হয়েছে। বাচ্চাটিকে উদ্ধার করে আসামীর বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ ওসি আরও জানান, ‘শুনেছি
মাদ্রাসা শিক্ষক শিশুটিকে দিয়ে ঘাস কাটা ও গরু-ছাগল চড়ানোর কাজ করাত এবং সেই সাথে
তাকে নির্যাতনও করত।’
শিশুটিকে আঘাত, উৎপীড়ন ও ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহারের অভিযোগে তার মা রত্না
খাতুন মামলা করেছেন। আসামি আসলাম উদ্দিন শিকল পরানোর কথা স্বীকার করেছেন।
\

মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুলাই ২০২৬
খুলনার আড়ংঘাটায় একটি মাদ্রাসায় ১০ বছরের এক শিশুকে পায়ে
শিকল দিয়ে বেঁধে নির্যাতন করা হয়েছে। শিশুটিকে দিয়ে মাদ্রাসার গরু চড়ানোসহ
নানাভাবে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগে মাদ্রাসা
শিক্ষক আসলাম উদ্দিনকে (৫৭) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (৬ জুলাই) রাতে খুলনার আড়ংঘাটা থানাধীন আমিননগর
হামিউস সুন্নাহ দারুল উলুম মাদ্রাসা ও লিল্লা এতিমখানা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা
হয়। এর আগে ৫ জুলাই শিশু মিরাজুল ইসলামকে পায়ে কাঠের টুকরাসহ শিকলবন্দী ও অসহায়
অবস্থায় দেখতে পান তার পরিবারের সদস্যরা।
পুলিশ জানায়, শিক্ষক আসলাম উদ্দিন শিশুটিকে শিকল দিয়ে
বেঁধে রাখতেন এবং তাকে দিয়ে ঘাস কাটা ও গরু-ছাগল চড়ানোর কাজ করাতেন। সামান্য ভুল হলে
তার উপর চলত অমানুষিক নির্যাতন। অতিষ্ঠ হয়ে শিশুটি কয়েকবার পালানোর চেষ্টা করলেও
পরিবারের সদস্যরা তাকে আবার মাদ্রাসায় দিয়ে যেতেন। সবশেষ ৫ জুলাই শিশুটির করুণ দশা
দেখে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে। থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুবর্ণা
রাণি পাল হাওলাদার মামলাটির তদন্ত শুরু করেছেন।
আড়ংঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হালিমুর রহমান
জানান, ‘ওই ঘটনায়
থানায় মামলা করা হয়েছে। বাচ্চাটিকে উদ্ধার করে আসামীর বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ ওসি আরও জানান, ‘শুনেছি
মাদ্রাসা শিক্ষক শিশুটিকে দিয়ে ঘাস কাটা ও গরু-ছাগল চড়ানোর কাজ করাত এবং সেই সাথে
তাকে নির্যাতনও করত।’
শিশুটিকে আঘাত, উৎপীড়ন ও ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহারের অভিযোগে তার মা রত্না
খাতুন মামলা করেছেন। আসামি আসলাম উদ্দিন শিকল পরানোর কথা স্বীকার করেছেন।
\

আপনার মতামত লিখুন