প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করেননি- অভিযোগ তুলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াত-এনসিপিসহ ১১ দলীয় ঐক্যজোটের নেতারা। রংপুর বিভাগীয় সমাবেশে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও সীমান্ত হত্যা বন্ধের দাবি জানানো হয়।
শনিবার (১১ জুলাই) বিকেলে রংপুর জিলা স্কুল মাঠে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের আগে ঘোষণা করেছিলেন- বিএনপি ক্ষমতায় গেলে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবেন। কিন্তু এবারের বাজেটে এ খাতে ১০ টাকাও বরাদ্দ দেওয়া হয়নি।’
তিনি প্রশ্ন তোলেন, ভারত সীমান্ত দিয়ে পুশ-ইন করছে, অথচ সরকার কোনো প্রতিবাদ করছে না। তিনি বলেন, ‘তিস্তা নিয়ে কোনো ধানাই-পানাই মানবো না। বাস্তবায়ন না করলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।’
সমাবেশে এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলী আহম্মদ ভারতকে উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা রংপুর দখলের হুমকি দেন, এটা করার চেষ্টা করলে আমরা কলকাতা, হিমাচল ও কাশ্মির নিয়ে নেবো।’
তিনি প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশে বলেন, ‘আপনি নির্বাচনের সময় রংপুরে বলেছিলেন- সংস্কার করবেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করবেন। এখন কিছুই করছেন না। দাবি না মানলে উপজেলা থেকে শুরু করে পুরো দেশ অচল করে দেওয়া হবে।’
এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘বিএনপি কখনো জনগণের জন্য ভালো কিছু করেনি। দীর্ঘ ১৬ বছর রংপুর আঞ্চলিক বৈষম্যের শিকার- এবারের বাজেটেও রংপুরের উন্নয়নে কোনো বরাদ্দ নেই।’
তিনি চীন সফরের প্রসঙ্গে বলেন, ‘তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কোনো কথাই হয়নি। রোহিঙ্গা সমস্যারও কোনো সমাধান হয়নি। এই সরকার যেমন দেশে বিচ্ছিন্ন, তেমনি সারা বিশ্বেও বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। আইএমএফ বলেছে- তারা কোনো ঋণ দেবে না।’
সমাবেশে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন এনসিপির সাধারণ সম্পাদক আখতার হোসেন, জাগপার মুখপাত্র রাশেদ খান, খেলাফত মজলিসের নেতা, রংপুর মহানগর জামায়াতের আমীর এটিএম আজম খান প্রমুখ।
এর আগে বৃষ্টি উপেক্ষা করে রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জেলা-উপজেলা থেকে নেতাকর্মীরা সমাবেশে যোগ দেন।

শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুলাই ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করেননি- অভিযোগ তুলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াত-এনসিপিসহ ১১ দলীয় ঐক্যজোটের নেতারা। রংপুর বিভাগীয় সমাবেশে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও সীমান্ত হত্যা বন্ধের দাবি জানানো হয়।
শনিবার (১১ জুলাই) বিকেলে রংপুর জিলা স্কুল মাঠে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের আগে ঘোষণা করেছিলেন- বিএনপি ক্ষমতায় গেলে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবেন। কিন্তু এবারের বাজেটে এ খাতে ১০ টাকাও বরাদ্দ দেওয়া হয়নি।’
তিনি প্রশ্ন তোলেন, ভারত সীমান্ত দিয়ে পুশ-ইন করছে, অথচ সরকার কোনো প্রতিবাদ করছে না। তিনি বলেন, ‘তিস্তা নিয়ে কোনো ধানাই-পানাই মানবো না। বাস্তবায়ন না করলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।’
সমাবেশে এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলী আহম্মদ ভারতকে উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা রংপুর দখলের হুমকি দেন, এটা করার চেষ্টা করলে আমরা কলকাতা, হিমাচল ও কাশ্মির নিয়ে নেবো।’
তিনি প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশে বলেন, ‘আপনি নির্বাচনের সময় রংপুরে বলেছিলেন- সংস্কার করবেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করবেন। এখন কিছুই করছেন না। দাবি না মানলে উপজেলা থেকে শুরু করে পুরো দেশ অচল করে দেওয়া হবে।’
এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘বিএনপি কখনো জনগণের জন্য ভালো কিছু করেনি। দীর্ঘ ১৬ বছর রংপুর আঞ্চলিক বৈষম্যের শিকার- এবারের বাজেটেও রংপুরের উন্নয়নে কোনো বরাদ্দ নেই।’
তিনি চীন সফরের প্রসঙ্গে বলেন, ‘তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কোনো কথাই হয়নি। রোহিঙ্গা সমস্যারও কোনো সমাধান হয়নি। এই সরকার যেমন দেশে বিচ্ছিন্ন, তেমনি সারা বিশ্বেও বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। আইএমএফ বলেছে- তারা কোনো ঋণ দেবে না।’
সমাবেশে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন এনসিপির সাধারণ সম্পাদক আখতার হোসেন, জাগপার মুখপাত্র রাশেদ খান, খেলাফত মজলিসের নেতা, রংপুর মহানগর জামায়াতের আমীর এটিএম আজম খান প্রমুখ।
এর আগে বৃষ্টি উপেক্ষা করে রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জেলা-উপজেলা থেকে নেতাকর্মীরা সমাবেশে যোগ দেন।

আপনার মতামত লিখুন