২০২৬ বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে পর্তুগালের বিদায়ের রেশ কাটতে না কাটতেই নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। বিশ্বকাপের মঞ্চ থেকে বিদায় নেওয়ার মাত্র কয়েকদিনের মাথায় নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ নিয়ে একটি পোস্ট করেন তিনি।
সেই পোস্টে রোনালদো লেখেন, ‘ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ? আমি ইতোমধ্যেই দু’বার জিতেছি।’
বিশ্বকাপের মতো বড় আসর থেকে দলের বিদায়ের ঠিক পরপরই এমন মন্তব্যকে অনেকে সহজভাবে নিতে পারেননি। অনেকেই তার এই আচরণকে ‘সোর লুজার’ বা পরাজয় মেনে নিতে না পারার অক্ষমতা হিসেবে আখ্যা দিয়ে তীব্র সমালোচনা করছেন।
পোস্টটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। একজন ব্যবহারকারী মন্তব্য করেন, ‘এটাই রোনালদোর সবচেয়ে খারাপ দিক।’
আরেকজন ক্ষোভ প্রকাশ করে লেখেন, ‘তিনি পরাজয়টা মেনে নিতে পারছেন না।’ তবে সব সমালোচনা ছাপিয়ে অনেক ভক্ত আবার তার পাশে দাঁড়িয়েছেন।
রোনালদোর অনেক সমর্থক যুক্তি দেখাচ্ছেন, তার ফুটবল ক্যারিয়ারের বিশাল অর্জন নিয়ে গর্ব করার পূর্ণ অধিকার রয়েছে তার। স্পেনের বিপক্ষে ১-০ গোলে হেরে বিশ্বকাপ স্বপ্ন শেষ হওয়ার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা ও সমালোচনা অব্যাহত রয়েছে।
৪১ বছর বয়সী এই তারকা খেলোয়াড় ইতোমধ্যে নিশ্চিত করেছেন, ২০২৬ সালের এই আসরটিই ছিল তার শেষ বিশ্বকাপ। তবে জাতীয় দলের জার্সিতে ক্যারিয়ারের ইতি টানবেন কি না, সে বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাননি তিনি।
স্পেনের কাছে পরাজয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হলেও পর্তুগালের হয়ে নিজের দীর্ঘ অবদান নিয়ে তিনি গর্বিত বলে জানিয়েছিলেন। বর্তমানে সব মিলিয়ে রোনালদোর সেই পোস্টটি ফুটবল দুনিয়ায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

রোববার, ১২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুলাই ২০২৬
২০২৬ বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে পর্তুগালের বিদায়ের রেশ কাটতে না কাটতেই নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। বিশ্বকাপের মঞ্চ থেকে বিদায় নেওয়ার মাত্র কয়েকদিনের মাথায় নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ নিয়ে একটি পোস্ট করেন তিনি।
সেই পোস্টে রোনালদো লেখেন, ‘ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ? আমি ইতোমধ্যেই দু’বার জিতেছি।’
বিশ্বকাপের মতো বড় আসর থেকে দলের বিদায়ের ঠিক পরপরই এমন মন্তব্যকে অনেকে সহজভাবে নিতে পারেননি। অনেকেই তার এই আচরণকে ‘সোর লুজার’ বা পরাজয় মেনে নিতে না পারার অক্ষমতা হিসেবে আখ্যা দিয়ে তীব্র সমালোচনা করছেন।
পোস্টটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। একজন ব্যবহারকারী মন্তব্য করেন, ‘এটাই রোনালদোর সবচেয়ে খারাপ দিক।’
আরেকজন ক্ষোভ প্রকাশ করে লেখেন, ‘তিনি পরাজয়টা মেনে নিতে পারছেন না।’ তবে সব সমালোচনা ছাপিয়ে অনেক ভক্ত আবার তার পাশে দাঁড়িয়েছেন।
রোনালদোর অনেক সমর্থক যুক্তি দেখাচ্ছেন, তার ফুটবল ক্যারিয়ারের বিশাল অর্জন নিয়ে গর্ব করার পূর্ণ অধিকার রয়েছে তার। স্পেনের বিপক্ষে ১-০ গোলে হেরে বিশ্বকাপ স্বপ্ন শেষ হওয়ার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা ও সমালোচনা অব্যাহত রয়েছে।
৪১ বছর বয়সী এই তারকা খেলোয়াড় ইতোমধ্যে নিশ্চিত করেছেন, ২০২৬ সালের এই আসরটিই ছিল তার শেষ বিশ্বকাপ। তবে জাতীয় দলের জার্সিতে ক্যারিয়ারের ইতি টানবেন কি না, সে বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাননি তিনি।
স্পেনের কাছে পরাজয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হলেও পর্তুগালের হয়ে নিজের দীর্ঘ অবদান নিয়ে তিনি গর্বিত বলে জানিয়েছিলেন। বর্তমানে সব মিলিয়ে রোনালদোর সেই পোস্টটি ফুটবল দুনিয়ায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন