প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশে ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ ক্যাটাগরিতে ৭৯ হাজার ২৪৬ জন শিক্ষার্থী নির্বাচিত হয়েছে। জেলাভিত্তিক বিশ্লেষণে ঢাকা জেলায় সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৬৮২ জন বৃত্তি পেয়েছে। অন্যদিকে সবচেয়ে বেশি ফেল এবং অনুপস্থিতির শীর্ষে রয়েছে যথাক্রমে দিনাজপুর ও নারায়ণগঞ্জ।
রোববার (১২ জুলাই) দুপুরে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ফল ঘোষণা করেন।
বৃত্তিপ্রাপ্ত ছাত্রের সংখ্যা ৩৫ হাজার ৮৯২ জন। যা মোট বৃত্তিপ্রাপ্তের ৪৫ দশমিক ২৯ শতাংশ। এর মধ্যে ট্যালেন্টপুলে ১৬ হাজার ৩৯৮ জন। সাধারণ ক্যাটাগরিতে ১৯ হাজার ৪৯৪ জন। বৃত্তিপ্রাপ্ত ছাত্রী ৪৩ হাজার ৩৫৪ জন, ৫৪.৭১ শতাংশ। অর্থাৎ ছেলেদের চেয়ে বৃত্তির ফলে এগিয়ে মেয়েরা।
জেলাভিত্তিক বিশ্লেষণে সবচেয়ে ভালো ফল করেছে ঢাকা জেলার শিক্ষার্থীরা। ঢাকায় সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৬৮২ জন বৃত্তি পেয়েছে। তাদের মধ্যে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে ১ হাজার ৮৯৭ জন এবং সাধারণ ক্যাটাগরিতে ২ হাজার ৭৮৫ জন।
৬৪ জেলার মধ্যে সবচেয়ে কম বৃত্তি পেয়েছে বান্দরবান। জেলাটি থেকে এবার বৃত্তি পেয়েছে মাত্র ১৮৮ জন। তার মধ্যে ১০৯ জন ট্যালেন্টপুলে এবং ৭৯ জন সাধারণ ক্যাটাগরিতে।
বৃত্তি পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশি ফেল করেছে দিনাজপুর জেলায়। জেলাটিতে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১৫ হাজার ৩৬৬ জন। তাদের মধ্যে ফেল করেছে ৮ হাজার ৮৯৮ জন। ফেলের অনুপাত ৫৭.৯১ শতাংশ।
সবচেয়ে বেশি অনুপস্থিত ছিল নারায়ণগঞ্জে। জেলাটির মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৯ হাজার ১৯৬ জন। তার মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেয়নি ৪ হাজার ৮৫৮ জন। শতাংশের হিসাবে অনুপস্থিতি ৫২.৮০ শতাংশ।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় ৭৮ হাজার ৮১০টি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। তার মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ৬৫ হাজার ৬০৫টি এবং বেসরকারি ১৩ হাজার ২০৫টি।
এবার পরীক্ষায় রেজিস্ট্রেশন করে ৬ লাখ ৪৫ হাজার ৪১ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে ছাত্র ২ লাখ ৫৬ হাজার ১১৭ জন এবং ছাত্রী ৩ লাখ ৮৮ হাজার ৯২৪ জন।
গত ১৫ থেকে ১৮ এপ্রিল পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিল ৪ লাখ ১৯ হাজার ৯৮২ জন। উপস্থিতির হার ৬৫.১১ শতাংশ।

রোববার, ১২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুলাই ২০২৬
প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশে ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ ক্যাটাগরিতে ৭৯ হাজার ২৪৬ জন শিক্ষার্থী নির্বাচিত হয়েছে। জেলাভিত্তিক বিশ্লেষণে ঢাকা জেলায় সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৬৮২ জন বৃত্তি পেয়েছে। অন্যদিকে সবচেয়ে বেশি ফেল এবং অনুপস্থিতির শীর্ষে রয়েছে যথাক্রমে দিনাজপুর ও নারায়ণগঞ্জ।
রোববার (১২ জুলাই) দুপুরে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ফল ঘোষণা করেন।
বৃত্তিপ্রাপ্ত ছাত্রের সংখ্যা ৩৫ হাজার ৮৯২ জন। যা মোট বৃত্তিপ্রাপ্তের ৪৫ দশমিক ২৯ শতাংশ। এর মধ্যে ট্যালেন্টপুলে ১৬ হাজার ৩৯৮ জন। সাধারণ ক্যাটাগরিতে ১৯ হাজার ৪৯৪ জন। বৃত্তিপ্রাপ্ত ছাত্রী ৪৩ হাজার ৩৫৪ জন, ৫৪.৭১ শতাংশ। অর্থাৎ ছেলেদের চেয়ে বৃত্তির ফলে এগিয়ে মেয়েরা।
জেলাভিত্তিক বিশ্লেষণে সবচেয়ে ভালো ফল করেছে ঢাকা জেলার শিক্ষার্থীরা। ঢাকায় সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৬৮২ জন বৃত্তি পেয়েছে। তাদের মধ্যে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে ১ হাজার ৮৯৭ জন এবং সাধারণ ক্যাটাগরিতে ২ হাজার ৭৮৫ জন।
৬৪ জেলার মধ্যে সবচেয়ে কম বৃত্তি পেয়েছে বান্দরবান। জেলাটি থেকে এবার বৃত্তি পেয়েছে মাত্র ১৮৮ জন। তার মধ্যে ১০৯ জন ট্যালেন্টপুলে এবং ৭৯ জন সাধারণ ক্যাটাগরিতে।
বৃত্তি পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশি ফেল করেছে দিনাজপুর জেলায়। জেলাটিতে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১৫ হাজার ৩৬৬ জন। তাদের মধ্যে ফেল করেছে ৮ হাজার ৮৯৮ জন। ফেলের অনুপাত ৫৭.৯১ শতাংশ।
সবচেয়ে বেশি অনুপস্থিত ছিল নারায়ণগঞ্জে। জেলাটির মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৯ হাজার ১৯৬ জন। তার মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেয়নি ৪ হাজার ৮৫৮ জন। শতাংশের হিসাবে অনুপস্থিতি ৫২.৮০ শতাংশ।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় ৭৮ হাজার ৮১০টি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। তার মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ৬৫ হাজার ৬০৫টি এবং বেসরকারি ১৩ হাজার ২০৫টি।
এবার পরীক্ষায় রেজিস্ট্রেশন করে ৬ লাখ ৪৫ হাজার ৪১ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে ছাত্র ২ লাখ ৫৬ হাজার ১১৭ জন এবং ছাত্রী ৩ লাখ ৮৮ হাজার ৯২৪ জন।
গত ১৫ থেকে ১৮ এপ্রিল পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিল ৪ লাখ ১৯ হাজার ৯৮২ জন। উপস্থিতির হার ৬৫.১১ শতাংশ।

আপনার মতামত লিখুন