নাটোর মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে চিকিৎসক ও নার্সের অবহেলায় ১ নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ স্বজন ও স্থানীয় জনতার হামলায় পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আহত হয়েছেন। রোববার (১২ জুলাই) সকালে এই ঘটনা ঘটে। এ সময় হাসপাতালের কাঁচ ভাঙচুর করা হয়।
ভুক্তভোগীর পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নাটোর সদর উপজেলার আগদিঘা গ্রামের রিকশাচালক বাবু হোসেন তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী রুমা খাতুনকে নিয়ে গতকাল শনিবার ওই কেন্দ্রে আসেন। অভিযোগ রয়েছে, তখন কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। আজ সকালে প্রসূতির পুনরায় ব্যথা শুরু হলে তাকে আবারও কল্যাণ কেন্দ্রে আনা হয়। কিন্তু দীর্ঘ সময় কোনো চিকিৎসা না পাওয়ায় গর্ভেই সন্তানের মৃত্যু হয় বলে দাবি স্বজনদের। পরে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় মৃত সন্তান প্রসব করেন রুমা।
এ খবর ছড়িয়ে পড়লে রোগীর স্বজনরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে পরিদর্শিকা ইতি রানি কেন্দ্র থেকে পালিয়ে যান। পরে ভারপ্রাপ্ত সহকারী পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শাহাবুজ্জামান ঘটনাস্থলে গেলে উত্তেজিত জনতা তার ওপর চড়াও হয় এবং তাকে মারধর করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
নিহত নবজাতকের বাবা বাবু হোসেন বলেন, "গতকাল নিয়ে আসার পরও ডাক্তাররা ভর্তি করেনি। আজ সময়মতো চিকিৎসা দিলে আমার সন্তান মারা যেত না।"
মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের মেডিকেল অফিসার ডা. মিজানুর রহমান জানান, এ ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হচ্ছে। চিকিৎসার ক্ষেত্রে কারও অবহেলা প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
/

রোববার, ১২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুলাই ২০২৬
নাটোর মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে চিকিৎসক ও নার্সের অবহেলায় ১ নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ স্বজন ও স্থানীয় জনতার হামলায় পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আহত হয়েছেন। রোববার (১২ জুলাই) সকালে এই ঘটনা ঘটে। এ সময় হাসপাতালের কাঁচ ভাঙচুর করা হয়।
ভুক্তভোগীর পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নাটোর সদর উপজেলার আগদিঘা গ্রামের রিকশাচালক বাবু হোসেন তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী রুমা খাতুনকে নিয়ে গতকাল শনিবার ওই কেন্দ্রে আসেন। অভিযোগ রয়েছে, তখন কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। আজ সকালে প্রসূতির পুনরায় ব্যথা শুরু হলে তাকে আবারও কল্যাণ কেন্দ্রে আনা হয়। কিন্তু দীর্ঘ সময় কোনো চিকিৎসা না পাওয়ায় গর্ভেই সন্তানের মৃত্যু হয় বলে দাবি স্বজনদের। পরে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় মৃত সন্তান প্রসব করেন রুমা।
এ খবর ছড়িয়ে পড়লে রোগীর স্বজনরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে পরিদর্শিকা ইতি রানি কেন্দ্র থেকে পালিয়ে যান। পরে ভারপ্রাপ্ত সহকারী পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শাহাবুজ্জামান ঘটনাস্থলে গেলে উত্তেজিত জনতা তার ওপর চড়াও হয় এবং তাকে মারধর করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
নিহত নবজাতকের বাবা বাবু হোসেন বলেন, "গতকাল নিয়ে আসার পরও ডাক্তাররা ভর্তি করেনি। আজ সময়মতো চিকিৎসা দিলে আমার সন্তান মারা যেত না।"
মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের মেডিকেল অফিসার ডা. মিজানুর রহমান জানান, এ ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হচ্ছে। চিকিৎসার ক্ষেত্রে কারও অবহেলা প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
/

আপনার মতামত লিখুন