দিনাজপুরের কাহারোলে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও পুলিশের যৌথ অভিযানে ৩৫ লাখ টাকা মূল্যের একটি কষ্টিপাথরের মূর্তি উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় পাচারের অভিযোগে একজনকে আটক করা হয়। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সন্ধ্যায় উপজেলার সৈয়দপুর পানুয়াপাড়া এলাকা থেকে মূর্তিটি উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও ব্যাটালিয়ন (৫০ বিজিবি)।
আটক ব্যক্তির নাম শ্রী মাইকেল রায় (৪২)। বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঠাকুরগাঁও ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল খ. আখলাকুর রহমানের নির্দেশনায় এই বিশেষ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মাইকেল রায়ের কাছ থেকে ৩৫ কেজি ওজনের মূর্তিটি উদ্ধার করা হয়। কষ্টিপাথরের মূর্তিটি ৩০ ইঞ্চি দীর্ঘ ও ১৫ ইঞ্চি প্রস্থের। বিজিবির হিসাব অনুযায়ী, এর বাজারমূল্য প্রায় ৩৫ লাখ টাকা।
এ সময় আটক ব্যক্তির কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন ও সিম কার্ড জব্দ করা হয়। জব্দকৃত মালামালসহ মোট সিজার মূল্য ৩৫ লাখ ১ হাজার ২০০ টাকা ধরা হয়েছে। এ ঘটনায় বিজিবি বাদী হয়ে কাহারোল থানায় মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
বিজিবি জানায়, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান, মাদক ও অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে তাদের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ও নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে স্থানীয় জনসাধারণের সহযোগিতাও কামনা করেছে সংস্থাটি।
/

বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুলাই ২০২৬
দিনাজপুরের কাহারোলে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও পুলিশের যৌথ অভিযানে ৩৫ লাখ টাকা মূল্যের একটি কষ্টিপাথরের মূর্তি উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় পাচারের অভিযোগে একজনকে আটক করা হয়। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সন্ধ্যায় উপজেলার সৈয়দপুর পানুয়াপাড়া এলাকা থেকে মূর্তিটি উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও ব্যাটালিয়ন (৫০ বিজিবি)।
আটক ব্যক্তির নাম শ্রী মাইকেল রায় (৪২)। বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঠাকুরগাঁও ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল খ. আখলাকুর রহমানের নির্দেশনায় এই বিশেষ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মাইকেল রায়ের কাছ থেকে ৩৫ কেজি ওজনের মূর্তিটি উদ্ধার করা হয়। কষ্টিপাথরের মূর্তিটি ৩০ ইঞ্চি দীর্ঘ ও ১৫ ইঞ্চি প্রস্থের। বিজিবির হিসাব অনুযায়ী, এর বাজারমূল্য প্রায় ৩৫ লাখ টাকা।
এ সময় আটক ব্যক্তির কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন ও সিম কার্ড জব্দ করা হয়। জব্দকৃত মালামালসহ মোট সিজার মূল্য ৩৫ লাখ ১ হাজার ২০০ টাকা ধরা হয়েছে। এ ঘটনায় বিজিবি বাদী হয়ে কাহারোল থানায় মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
বিজিবি জানায়, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান, মাদক ও অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে তাদের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ও নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে স্থানীয় জনসাধারণের সহযোগিতাও কামনা করেছে সংস্থাটি।
/

আপনার মতামত লিখুন