সংবাদ

নেছারাবাদে শতবর্ষী স্কুলের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন


প্রতিনিধি, নেছারাবাদ (পিরোজপুর)
প্রতিনিধি, নেছারাবাদ (পিরোজপুর)
প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৬:১৩ পিএম

নেছারাবাদে শতবর্ষী স্কুলের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন
ছবি : সংবাদ

পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার সুটিয়াকাঠী ইউনিয়ন হাই স্কুলের ১২ মাসের বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকায় সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। এতে তীব্র গরমে বিদ্যালয়ের প্রায় ৪০০ শিক্ষার্থীর পাঠদান চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। আজ মঙ্গলবার সকালে স্বরূপকাঠী জোনাল অফিসের কর্মীরা এই সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, ১৯০৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এই শতবর্ষী বিদ্যালয়টির তহবিলে ১৬ লাখ টাকা জমা থাকলেও মাত্র ৩২ হাজার ৭২৯ টাকার বিল বকেয়া রাখা হয়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রধান শিক্ষকের গাফিলতির কারণেই এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পাশের একটি দোকান থেকে ‘অবৈধভাবে’ সংযোগ নিয়ে পাখা ও বাতি চালাচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক শিক্ষার্থী জানায়, বিদ্যুৎ না থাকায় গরমে ক্লাসে বসে থাকা কষ্টকর হয়ে পড়েছে। বিকল্প উপায়ে বিদ্যুৎ আনার চেষ্টা করা হলেও তা পর্যাপ্ত নয়।

জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহিদ হোসেন প্রথমে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার বিষয়টি অস্বীকার করেন। পরে তিনি বলেন, ‘স্কুলের ফান্ডে টাকা থাকলেও আইনি জটিলতায় তা তোলা সম্ভব হয়নি। আমরা সময় চেয়েছিলাম, কিন্তু পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ দ্রুত সংযোগ কেটে দিয়েছে।’ পাশের দোকান থেকে বিদ্যুৎ নেওয়ার বিষয়ে তিনি দাবি করেন, ওই মিটারটিও তাঁদের।

পিরোজপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির স্বরূপকাঠী জোনাল অফিসের ডিজিএম মো. জানে আলম বলেন, ‘নিয়ম অনুযায়ী একাধিকবার লিখিত ও মৌখিকভাবে জানানো হলেও তারা বিল পরিশোধ করেনি। ১২ মাসের বিল বকেয়া থাকায় আমরা সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছি। অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমিত দত্ত বলেন, ‘আমি প্রধান শিক্ষককে সমস্যাটি দ্রুত সমাধানের নির্দেশ দিয়েছি।’

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬


নেছারাবাদে শতবর্ষী স্কুলের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন

প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৬

featured Image

পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার সুটিয়াকাঠী ইউনিয়ন হাই স্কুলের ১২ মাসের বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকায় সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। এতে তীব্র গরমে বিদ্যালয়ের প্রায় ৪০০ শিক্ষার্থীর পাঠদান চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। আজ মঙ্গলবার সকালে স্বরূপকাঠী জোনাল অফিসের কর্মীরা এই সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, ১৯০৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এই শতবর্ষী বিদ্যালয়টির তহবিলে ১৬ লাখ টাকা জমা থাকলেও মাত্র ৩২ হাজার ৭২৯ টাকার বিল বকেয়া রাখা হয়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রধান শিক্ষকের গাফিলতির কারণেই এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পাশের একটি দোকান থেকে ‘অবৈধভাবে’ সংযোগ নিয়ে পাখা ও বাতি চালাচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক শিক্ষার্থী জানায়, বিদ্যুৎ না থাকায় গরমে ক্লাসে বসে থাকা কষ্টকর হয়ে পড়েছে। বিকল্প উপায়ে বিদ্যুৎ আনার চেষ্টা করা হলেও তা পর্যাপ্ত নয়।

জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহিদ হোসেন প্রথমে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার বিষয়টি অস্বীকার করেন। পরে তিনি বলেন, ‘স্কুলের ফান্ডে টাকা থাকলেও আইনি জটিলতায় তা তোলা সম্ভব হয়নি। আমরা সময় চেয়েছিলাম, কিন্তু পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ দ্রুত সংযোগ কেটে দিয়েছে।’ পাশের দোকান থেকে বিদ্যুৎ নেওয়ার বিষয়ে তিনি দাবি করেন, ওই মিটারটিও তাঁদের।

পিরোজপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির স্বরূপকাঠী জোনাল অফিসের ডিজিএম মো. জানে আলম বলেন, ‘নিয়ম অনুযায়ী একাধিকবার লিখিত ও মৌখিকভাবে জানানো হলেও তারা বিল পরিশোধ করেনি। ১২ মাসের বিল বকেয়া থাকায় আমরা সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছি। অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমিত দত্ত বলেন, ‘আমি প্রধান শিক্ষককে সমস্যাটি দ্রুত সমাধানের নির্দেশ দিয়েছি।’


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত