সংবাদ

৩ মাসের শিশুর পা মুচড়ে দেওয়ার ঘটনায় গ্রেপ্তার ২


প্রতিনিধি, নরসিংদী
প্রতিনিধি, নরসিংদী
প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৫:৪৬ পিএম

৩ মাসের শিশুর পা মুচড়ে দেওয়ার ঘটনায় গ্রেপ্তার ২
গ্রেপ্তারের পর দুই আসামিকে থানায় নেওয়া হচ্ছে। ছবি : সংবাদ

নরসিংদীর মাধবদীতে ৩ মাসের এক নবজাতকের পা মুচড়ে দেওয়ার ঘটনায় চাচি লতা বেগমকে প্রধান আসামি করে মামলা করা হয়েছে। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে শিশুটির চাচা ও দাদাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে প্রধান অভিযুক্ত লতা বেগম পলাতক রয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাতে জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের প্রবেশন কর্মকর্তা রিজা আক্তার বাদী হয়ে মাধবদী থানায় মামলাটি করেন। ভুক্তভোগী শিশু রিজিক ওই এলাকার মো. জহির ও সাইফা আক্তার দম্পতির সন্তান। মামলায় লতা বেগম ছাড়াও তার স্বামী কাউছার আহম্মেদ ও বাবা আলমাছ মিয়াকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক বিরোধের জেরে গত শনিবার বিকেলে শিশু রিজিককে একা পেয়ে তার পা মুচড়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন চাচি লতা বেগম। বিষয়টি আঁচ করতে পেরে শিশুটির মা সাইফা আক্তার কৌশলে ঘরের কোণে মোবাইল ফোনে ভিডিও রেকর্ড চালু করে রেখে যান। ভিডিওতে লতার নিষ্ঠুরতা ধরা পড়ে। ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন পরিবারের অন্য সদস্যরা এবং লতা বেগমকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেন। পরে ভিডিওটি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে তীব্র সমালোচনা ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

শিশুটির মা-বাবা পারিবারিক বিষয় উল্লেখ করে কোনো অভিযোগ করতে না চাইলেও রাষ্ট্রপক্ষ থেকে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, “পরিবার মামলা করতে না চাইলেও এমন নিষ্ঠুর ঘটনার বিচারের দায়িত্ব রাষ্ট্র নেবে। এ ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং লতা বেগমকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। শিশুটিকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।”

/

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬


৩ মাসের শিশুর পা মুচড়ে দেওয়ার ঘটনায় গ্রেপ্তার ২

প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুলাই ২০২৬

featured Image

নরসিংদীর মাধবদীতে ৩ মাসের এক নবজাতকের পা মুচড়ে দেওয়ার ঘটনায় চাচি লতা বেগমকে প্রধান আসামি করে মামলা করা হয়েছে। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে শিশুটির চাচা ও দাদাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে প্রধান অভিযুক্ত লতা বেগম পলাতক রয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাতে জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের প্রবেশন কর্মকর্তা রিজা আক্তার বাদী হয়ে মাধবদী থানায় মামলাটি করেন। ভুক্তভোগী শিশু রিজিক ওই এলাকার মো. জহির ও সাইফা আক্তার দম্পতির সন্তান। মামলায় লতা বেগম ছাড়াও তার স্বামী কাউছার আহম্মেদ ও বাবা আলমাছ মিয়াকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক বিরোধের জেরে গত শনিবার বিকেলে শিশু রিজিককে একা পেয়ে তার পা মুচড়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন চাচি লতা বেগম। বিষয়টি আঁচ করতে পেরে শিশুটির মা সাইফা আক্তার কৌশলে ঘরের কোণে মোবাইল ফোনে ভিডিও রেকর্ড চালু করে রেখে যান। ভিডিওতে লতার নিষ্ঠুরতা ধরা পড়ে। ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন পরিবারের অন্য সদস্যরা এবং লতা বেগমকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেন। পরে ভিডিওটি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে তীব্র সমালোচনা ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

শিশুটির মা-বাবা পারিবারিক বিষয় উল্লেখ করে কোনো অভিযোগ করতে না চাইলেও রাষ্ট্রপক্ষ থেকে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, “পরিবার মামলা করতে না চাইলেও এমন নিষ্ঠুর ঘটনার বিচারের দায়িত্ব রাষ্ট্র নেবে। এ ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং লতা বেগমকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। শিশুটিকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।”

/


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত