মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ি উপজেলার বেতকা ইউনিয়নের তালতলা এলাকায় ড্রেজার বসিয়ে ফসলি জমি ভরাটের অভিযোগ উঠেছে। তালতলা-ডহরী খালে বাল্কহেড থেকে বালু খালাস করে ড্রেজারের মাধ্যমে এই কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, গত ১২ জুলাই থেকে প্রভাবশালী একটি মহল এই অবৈধ কর্মকাণ্ড শুরু করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মোতালেব খান নামের এক ব্যক্তি তালতলা এলাকায় ফসলি জমি ভরাটের কাজ শুরু করেছেন। অন্যদিকে, তালতলা বাজার সংলগ্ন এলাকায় সোবহান কোল্ড স্টোরেজের পূর্ব পাশে দিন-রাত প্রকাশ্যে ড্রেজার বাণিজ্য চালাচ্ছেন স্থানীয় বিএনপি নেতা শাহজাহান বেপারী। দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের নাকের ডগায় এই অবৈধ কার্যক্রম চললেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।
তালতলা ছাড়াও উপজেলার দিঘিরপাড়, হাসাইল, বালিগাঁও, কামারখাড়া ও আড়িয়লসহ বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ ড্রেজার বসানোর প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে। এতে কৃষিজমি ও খালের স্বাভাবিক প্রবাহ নষ্ট হওয়ার শঙ্কায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বাসিন্দা অভিযোগ করেন, প্রশাসনকে তথ্য দিলে অনেক সময় তা ফাঁস হয়ে যায়, ফলে নিরাপত্তার অভাবে অনেকে মুখ খুলতে সাহস পান না।
অভিযোগের বিষয়ে ড্রেজার মালিক শাহজাহান বেপারী বলেন, ‘আমি ড্রেজার দিয়ে মাটি কাটি না। নদী থেকে মাটি কিনে এনে চুক্তিতে জমি ভরাট করে দিই।’
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ওয়াজেদ শরীফ বলেন, ‘আমি নিয়মিত অভিযান চালিয়ে ড্রেজার ও পাইপ বিনষ্ট করি। এখানে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও নৌ পুলিশেরও দায়িত্ব রয়েছে, যা তারা পালন করছে না। বিষয়টি এখন জানলাম, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এ বিষয়ে বক্তব্যের জন্য টঙ্গীবাড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাহমিনা আক্তারের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।
/

বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুলাই ২০২৬
মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ি উপজেলার বেতকা ইউনিয়নের তালতলা এলাকায় ড্রেজার বসিয়ে ফসলি জমি ভরাটের অভিযোগ উঠেছে। তালতলা-ডহরী খালে বাল্কহেড থেকে বালু খালাস করে ড্রেজারের মাধ্যমে এই কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, গত ১২ জুলাই থেকে প্রভাবশালী একটি মহল এই অবৈধ কর্মকাণ্ড শুরু করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মোতালেব খান নামের এক ব্যক্তি তালতলা এলাকায় ফসলি জমি ভরাটের কাজ শুরু করেছেন। অন্যদিকে, তালতলা বাজার সংলগ্ন এলাকায় সোবহান কোল্ড স্টোরেজের পূর্ব পাশে দিন-রাত প্রকাশ্যে ড্রেজার বাণিজ্য চালাচ্ছেন স্থানীয় বিএনপি নেতা শাহজাহান বেপারী। দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের নাকের ডগায় এই অবৈধ কার্যক্রম চললেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।
তালতলা ছাড়াও উপজেলার দিঘিরপাড়, হাসাইল, বালিগাঁও, কামারখাড়া ও আড়িয়লসহ বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ ড্রেজার বসানোর প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে। এতে কৃষিজমি ও খালের স্বাভাবিক প্রবাহ নষ্ট হওয়ার শঙ্কায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বাসিন্দা অভিযোগ করেন, প্রশাসনকে তথ্য দিলে অনেক সময় তা ফাঁস হয়ে যায়, ফলে নিরাপত্তার অভাবে অনেকে মুখ খুলতে সাহস পান না।
অভিযোগের বিষয়ে ড্রেজার মালিক শাহজাহান বেপারী বলেন, ‘আমি ড্রেজার দিয়ে মাটি কাটি না। নদী থেকে মাটি কিনে এনে চুক্তিতে জমি ভরাট করে দিই।’
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ওয়াজেদ শরীফ বলেন, ‘আমি নিয়মিত অভিযান চালিয়ে ড্রেজার ও পাইপ বিনষ্ট করি। এখানে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও নৌ পুলিশেরও দায়িত্ব রয়েছে, যা তারা পালন করছে না। বিষয়টি এখন জানলাম, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এ বিষয়ে বক্তব্যের জন্য টঙ্গীবাড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাহমিনা আক্তারের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।
/

আপনার মতামত লিখুন