বর্ষার রিমঝিম সুর, নাচের ছন্দ আর কবিতার মেলবন্ধনে নতুন রূপ পেতে যাচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের ঐতিহ্যবাহী বকুলতলা। শুক্রবার (১৭ জুলাই) বেলা ১১টায় খোলা আকাশের নিচে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ব্যতিক্রমী নৃত্য উৎসব ‘ঘনঘটা ২’।
অর্থী আহমেদ ড্যান্স একাডেমি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই উৎসবে প্রধান আকর্ষণ তিন শতাধিক অপেশাদার নৃত্যশিল্পীর অংশগ্রহণ। সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় হলো, নৃত্যশিল্পীদের বয়স ৩ থেকে ৭০ বছর। ডাক্তার, প্রকৌশলী, বিজ্ঞানী, গবেষক, শিক্ষক, সাংবাদিক, সমাজকর্মী ও গৃহিণীসহ নানা পেশার মানুষ এই মঞ্চে এক সুতোয় গাঁথা পড়বেন।
আয়োজনের পরিচালক ও একুশে পদকপ্রাপ্ত নৃত্যশিল্পী অর্থী আহমেদ জানান, “ঘনঘটা শুধু একটি নৃত্য পরিবেশনা নয়, এটি নতুন করে জীবনকে শুরু করার উৎসব। বয়স এখানে কোনো বাধা নয়, মনের ভেতরের চেপে রাখা স্বপ্নকে মুক্ত আকাশে ডানা মেলতে দেওয়ারই এক অনন্য প্রয়াস এটি।”
সবার জন্য উন্মুক্ত এই আয়োজনে দর্শকদের জন্য রয়েছে বিশেষ কিছু নির্দেশিকা। খোলা আকাশের নিচে বর্ষার প্রকৃতি উপভোগ করতে দর্শকদের সাদা, নীল বা সবুজ রঙের শাড়ি অথবা পাঞ্জাবি পরে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে। তবে প্রকৃতির সঙ্গে একাত্ম হতে দর্শকদের ছাতা সঙ্গে না আনার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছে আয়োজক কর্তৃপক্ষ। ছাতা ঘরে রেখে বৃষ্টির গান, নাচ ও কবিতার ছন্দে সবাইকে ভিজে বর্ষা উদযাপনের আহ্বান জানানো হয়েছে।
সংস্কৃতিকামী মানুষের এই আয়োজনে জুড়ে দেওয়া হয়েছে সামাজিক দায়বদ্ধতার বার্তা। পার্বত্য চট্টগ্রামের সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তায় অনুষ্ঠানস্থলে ‘জাগো ফাউন্ডেশন’-এর একটি অনুদান বুথ থাকবে। উৎসবে আসা দর্শনার্থীরা সরাসরি সেখানে বন্যার্তদের জন্য ত্রাণ ও সাহায্য প্রদান করতে পারবেন।
উল্লেখ্য, গত বছর একই স্থানে ১১০ জন শিল্পীকে নিয়ে ‘ঘনঘটা’র প্রথম আসর বসেছিল। এবার আরও বড় পরিসরে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এই উৎসবের দ্বিতীয় সংস্করণ।
\

বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুলাই ২০২৬
বর্ষার রিমঝিম সুর, নাচের ছন্দ আর কবিতার মেলবন্ধনে নতুন রূপ পেতে যাচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের ঐতিহ্যবাহী বকুলতলা। শুক্রবার (১৭ জুলাই) বেলা ১১টায় খোলা আকাশের নিচে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ব্যতিক্রমী নৃত্য উৎসব ‘ঘনঘটা ২’।
অর্থী আহমেদ ড্যান্স একাডেমি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই উৎসবে প্রধান আকর্ষণ তিন শতাধিক অপেশাদার নৃত্যশিল্পীর অংশগ্রহণ। সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় হলো, নৃত্যশিল্পীদের বয়স ৩ থেকে ৭০ বছর। ডাক্তার, প্রকৌশলী, বিজ্ঞানী, গবেষক, শিক্ষক, সাংবাদিক, সমাজকর্মী ও গৃহিণীসহ নানা পেশার মানুষ এই মঞ্চে এক সুতোয় গাঁথা পড়বেন।
আয়োজনের পরিচালক ও একুশে পদকপ্রাপ্ত নৃত্যশিল্পী অর্থী আহমেদ জানান, “ঘনঘটা শুধু একটি নৃত্য পরিবেশনা নয়, এটি নতুন করে জীবনকে শুরু করার উৎসব। বয়স এখানে কোনো বাধা নয়, মনের ভেতরের চেপে রাখা স্বপ্নকে মুক্ত আকাশে ডানা মেলতে দেওয়ারই এক অনন্য প্রয়াস এটি।”
সবার জন্য উন্মুক্ত এই আয়োজনে দর্শকদের জন্য রয়েছে বিশেষ কিছু নির্দেশিকা। খোলা আকাশের নিচে বর্ষার প্রকৃতি উপভোগ করতে দর্শকদের সাদা, নীল বা সবুজ রঙের শাড়ি অথবা পাঞ্জাবি পরে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে। তবে প্রকৃতির সঙ্গে একাত্ম হতে দর্শকদের ছাতা সঙ্গে না আনার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছে আয়োজক কর্তৃপক্ষ। ছাতা ঘরে রেখে বৃষ্টির গান, নাচ ও কবিতার ছন্দে সবাইকে ভিজে বর্ষা উদযাপনের আহ্বান জানানো হয়েছে।
সংস্কৃতিকামী মানুষের এই আয়োজনে জুড়ে দেওয়া হয়েছে সামাজিক দায়বদ্ধতার বার্তা। পার্বত্য চট্টগ্রামের সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তায় অনুষ্ঠানস্থলে ‘জাগো ফাউন্ডেশন’-এর একটি অনুদান বুথ থাকবে। উৎসবে আসা দর্শনার্থীরা সরাসরি সেখানে বন্যার্তদের জন্য ত্রাণ ও সাহায্য প্রদান করতে পারবেন।
উল্লেখ্য, গত বছর একই স্থানে ১১০ জন শিল্পীকে নিয়ে ‘ঘনঘটা’র প্রথম আসর বসেছিল। এবার আরও বড় পরিসরে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এই উৎসবের দ্বিতীয় সংস্করণ।
\

আপনার মতামত লিখুন