উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রায় ৮ কোটি ৩৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া ‘ভিসা গাইড’ ও ‘জাস্ট থট এডুকেশন’ এজেন্সির মূল হোতাসহ চার আসামির ৫ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম এ আদেশ দেন।
মামলার আসামি মোহাম্মদ মাশায়ের রহমান অন্তু আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দি শেষে শুনানির পর ‘জাস্ট থট এডুকেশনের’ মতিউর ওরফে হারুন, তার স্ত্রী ও এজেন্সির কর্মচারী সাইদুলসহ চার আসামির প্রত্যেককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়।
আসামিদের হাজির করাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই আদালত প্রাঙ্গণে জড়ো হন ভুক্তভোগী শত শত শিক্ষার্থী। দীর্ঘ অপেক্ষার পর দুপুর ১টা ২০ মিনিটের দিকে কড়া পুলিশি পাহারায় ও মাথায় হেলমেট পরা অবস্থায় আসামিদের এজলাসে তোলা হয়।
তবে আসামিদের দেখামাত্রই ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটে। এ সময় পুলিশ ও ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে।একপর্যায়ে ভবনের ৬ তলা থেকে এক শিক্ষার্থী নিচে পড়ে যাওয়ার উপক্রম হলে সহপাঠীরা তাকে টেনে রক্ষা করেন।
পরে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী শিক্ষার্থীরা নিচতলায় শান্তভাবে অবস্থান নিলেও, রিমান্ড আদেশের পর আসামিদের সরিয়ে নেওয়ার সময় ফের উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, রিমান্ড মঞ্জুরের পর পুলিশ আসামিদের ভিন্ন পথ ব্যবহার করে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা এগিয়ে গেলে পুলিশ তাদের ওপর লাঠিচার্জ করে। পুলিশও শিক্ষার্থীদের ওপর চড়াও হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
প্রতারণার শিকার কয়েকজন শিক্ষার্থী তাদের ক্ষোভ ও অসহায়ত্বের কথা তুলে ধরেন।
রিমন নামের এক ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমরা আসামিদের মারতে যাইনি। শুধু তাদের মুখটা দেখতে চেয়েছিলাম। কিন্তু আদালত প্রাঙ্গণে নিরাপত্তার অজুহাত দেখিয়ে পুলিশ লাঠিচার্জ করেছে।’
ফাহিম নামের আরেক ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর অভিযোগ, ‘কোটি কোটি টাকা লুট করে এই প্রতারকেরা আমাদের ভবিষ্যৎ অন্ধকার করে দিয়েছে। আমাদের হকের টাকা চাইতে এসে উল্টো পুলিশের খেতে হলো। এর চেয়ে দুঃখের আর কী হতে পারে?’
ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা অবিলম্বে আত্মসাত করা টাকা ফেরতসহ প্রতারক চক্রের সদস্যদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
আদালত প্রাঙ্গণে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ নিরাপত্তা জোরদার করেছে।

বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুলাই ২০২৬
উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রায় ৮ কোটি ৩৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া ‘ভিসা গাইড’ ও ‘জাস্ট থট এডুকেশন’ এজেন্সির মূল হোতাসহ চার আসামির ৫ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম এ আদেশ দেন।
মামলার আসামি মোহাম্মদ মাশায়ের রহমান অন্তু আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দি শেষে শুনানির পর ‘জাস্ট থট এডুকেশনের’ মতিউর ওরফে হারুন, তার স্ত্রী ও এজেন্সির কর্মচারী সাইদুলসহ চার আসামির প্রত্যেককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়।
আসামিদের হাজির করাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই আদালত প্রাঙ্গণে জড়ো হন ভুক্তভোগী শত শত শিক্ষার্থী। দীর্ঘ অপেক্ষার পর দুপুর ১টা ২০ মিনিটের দিকে কড়া পুলিশি পাহারায় ও মাথায় হেলমেট পরা অবস্থায় আসামিদের এজলাসে তোলা হয়।
তবে আসামিদের দেখামাত্রই ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটে। এ সময় পুলিশ ও ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে।একপর্যায়ে ভবনের ৬ তলা থেকে এক শিক্ষার্থী নিচে পড়ে যাওয়ার উপক্রম হলে সহপাঠীরা তাকে টেনে রক্ষা করেন।
পরে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী শিক্ষার্থীরা নিচতলায় শান্তভাবে অবস্থান নিলেও, রিমান্ড আদেশের পর আসামিদের সরিয়ে নেওয়ার সময় ফের উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, রিমান্ড মঞ্জুরের পর পুলিশ আসামিদের ভিন্ন পথ ব্যবহার করে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা এগিয়ে গেলে পুলিশ তাদের ওপর লাঠিচার্জ করে। পুলিশও শিক্ষার্থীদের ওপর চড়াও হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
প্রতারণার শিকার কয়েকজন শিক্ষার্থী তাদের ক্ষোভ ও অসহায়ত্বের কথা তুলে ধরেন।
রিমন নামের এক ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমরা আসামিদের মারতে যাইনি। শুধু তাদের মুখটা দেখতে চেয়েছিলাম। কিন্তু আদালত প্রাঙ্গণে নিরাপত্তার অজুহাত দেখিয়ে পুলিশ লাঠিচার্জ করেছে।’
ফাহিম নামের আরেক ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর অভিযোগ, ‘কোটি কোটি টাকা লুট করে এই প্রতারকেরা আমাদের ভবিষ্যৎ অন্ধকার করে দিয়েছে। আমাদের হকের টাকা চাইতে এসে উল্টো পুলিশের খেতে হলো। এর চেয়ে দুঃখের আর কী হতে পারে?’
ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা অবিলম্বে আত্মসাত করা টাকা ফেরতসহ প্রতারক চক্রের সদস্যদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
আদালত প্রাঙ্গণে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ নিরাপত্তা জোরদার করেছে।

আপনার মতামত লিখুন