জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্রসচিব জাহাঙ্গীর আলম এবং সাবেক যুগ্মসচিব ধনঞ্জয় কুমার দাসের বিরুদ্ধে তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন টিম এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
প্রসিকিউশন জানিয়েছে, তদন্ত প্রতিবেদন যাচাই-বাছাইয়ের কাজ
চলছে। এটি শেষ হওয়া মাত্রই অতি দ্রুত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র
(ফরমাল চার্জ) দাখিল করা হবে।
সাবেক এই দুই শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে জুলাই আন্দোলন চলাকালে
মাঠপর্যায়ের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্বিচারে গুলি ও হত্যাযজ্ঞ চালানোর নির্দেশ দেওয়ার
অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রসিকিউশন সূত্রে জানা গেছে, তাদের বিরুদ্ধে অপরাধের ক্ষেত্রে
‘সুপিরিয়র কমান্ড রেসপন্সিবিলিটি’ (উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার দায়)-এর পাশাপাশি জুলাই হত্যাকাণ্ডে
সরাসরি উসকানি, নির্দেশ এবং অপরাধের ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ
পাওয়া গেছে।
সাবেক সচিবদের পাশাপাশি জুলাই হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় তৎকালীন
আওয়ামী লীগ সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রী ও এমপিদের বিরুদ্ধেও তদন্তে বড় অগ্রগতি হয়েছে।
প্রসিকিউশন জানিয়েছে, আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের প্রায় ১০ জন মন্ত্রী ও এমপির বিরুদ্ধে
ইতিমধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন তাদের হাতে এসে পৌঁছেছে।
তদন্ত প্রতিবেদন জমা হওয়া বিশিষ্ট ব্যক্তিদের
মধ্যে রয়েছেন:
আমির হোসেন আমু (সাবেক মন্ত্রী), ডা. দীপু মনি (সাবেক মন্ত্রী),
শাহজাহান খান (সাবেক মন্ত্রী), কামাল আহমেদ মজুমদার (সাবেক প্রতিমন্ত্রী) ও ড. আবদুর
রাজ্জাক (সাবেক মন্ত্রী)।
প্রসিকিউশন টিমের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই রাজনৈতিক নেতা
ও মন্ত্রীদের বিরুদ্ধেও জুলাই গণহত্যার উসকানি ও পরিকল্পনার অভিযোগ রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া
শেষ করে এই হাইপ্রোফাইল আসামিদের বিরুদ্ধেও পর্যায়ক্রমে ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ
দাখিল করা হবে।

মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৬
জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্রসচিব জাহাঙ্গীর আলম এবং সাবেক যুগ্মসচিব ধনঞ্জয় কুমার দাসের বিরুদ্ধে তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন টিম এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
প্রসিকিউশন জানিয়েছে, তদন্ত প্রতিবেদন যাচাই-বাছাইয়ের কাজ
চলছে। এটি শেষ হওয়া মাত্রই অতি দ্রুত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র
(ফরমাল চার্জ) দাখিল করা হবে।
সাবেক এই দুই শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে জুলাই আন্দোলন চলাকালে
মাঠপর্যায়ের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্বিচারে গুলি ও হত্যাযজ্ঞ চালানোর নির্দেশ দেওয়ার
অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রসিকিউশন সূত্রে জানা গেছে, তাদের বিরুদ্ধে অপরাধের ক্ষেত্রে
‘সুপিরিয়র কমান্ড রেসপন্সিবিলিটি’ (উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার দায়)-এর পাশাপাশি জুলাই হত্যাকাণ্ডে
সরাসরি উসকানি, নির্দেশ এবং অপরাধের ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ
পাওয়া গেছে।
সাবেক সচিবদের পাশাপাশি জুলাই হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় তৎকালীন
আওয়ামী লীগ সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রী ও এমপিদের বিরুদ্ধেও তদন্তে বড় অগ্রগতি হয়েছে।
প্রসিকিউশন জানিয়েছে, আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের প্রায় ১০ জন মন্ত্রী ও এমপির বিরুদ্ধে
ইতিমধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন তাদের হাতে এসে পৌঁছেছে।
তদন্ত প্রতিবেদন জমা হওয়া বিশিষ্ট ব্যক্তিদের
মধ্যে রয়েছেন:
আমির হোসেন আমু (সাবেক মন্ত্রী), ডা. দীপু মনি (সাবেক মন্ত্রী),
শাহজাহান খান (সাবেক মন্ত্রী), কামাল আহমেদ মজুমদার (সাবেক প্রতিমন্ত্রী) ও ড. আবদুর
রাজ্জাক (সাবেক মন্ত্রী)।
প্রসিকিউশন টিমের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই রাজনৈতিক নেতা
ও মন্ত্রীদের বিরুদ্ধেও জুলাই গণহত্যার উসকানি ও পরিকল্পনার অভিযোগ রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া
শেষ করে এই হাইপ্রোফাইল আসামিদের বিরুদ্ধেও পর্যায়ক্রমে ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ
দাখিল করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন