চুয়াডাঙ্গাকে মাদকমুক্ত করতে মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান। তিনি বলেছেন, "মাদক সংশ্লিষ্ট যারা এখনো আত্মসমর্পণ করেননি, আপনাদের জায়গা হবে ভুট্টাক্ষেত, জঙ্গল, কারাগার কিংবা জেলার বাইরে। এই জেলায় মাদক কারবার করা আর সম্ভব হবে না।"
শনিবার (১৮ জুলাই) বিকেলে চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার ধোপাখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক মাদকবিরোধী সমাবেশ ও আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জীবননগর থানা-পুলিশ এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে ১৬ জন মাদকসেবী ও মাদক কারবারি অপরাধের পথ ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার প্রত্যয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করেন। তারা ভবিষ্যতে কোনো ধরনের মাদক সংশ্লিষ্টতায় না জড়ানোর অঙ্গীকার করেন।
পুলিশ সুপার বলেন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে পুলিশ শুধু আইন প্রয়োগই করছে না, জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং বিপথগামীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতেও কাজ করছে। যারা স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করবে, তাদের পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, বর্তমানে মাদক কারবারি ও সেবীদের ‘সামারি ট্রায়াল’-এর মাধ্যমে দ্রুত শাস্তির আওতায় আনা হচ্ছে।
জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান সেখের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সহকারী পুলিশ সুপার শেখ মোহাম্মদ নূরুল্লাহ্, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আনোয়ার হোসেন খান খোকন ও সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান আলী, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা সাজেদুর রহমান।
বক্তারা যুবসমাজকে রক্ষা করতে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, সাংবাদিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
\

রোববার, ১৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুলাই ২০২৬
চুয়াডাঙ্গাকে মাদকমুক্ত করতে মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান। তিনি বলেছেন, "মাদক সংশ্লিষ্ট যারা এখনো আত্মসমর্পণ করেননি, আপনাদের জায়গা হবে ভুট্টাক্ষেত, জঙ্গল, কারাগার কিংবা জেলার বাইরে। এই জেলায় মাদক কারবার করা আর সম্ভব হবে না।"
শনিবার (১৮ জুলাই) বিকেলে চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার ধোপাখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক মাদকবিরোধী সমাবেশ ও আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জীবননগর থানা-পুলিশ এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে ১৬ জন মাদকসেবী ও মাদক কারবারি অপরাধের পথ ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার প্রত্যয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করেন। তারা ভবিষ্যতে কোনো ধরনের মাদক সংশ্লিষ্টতায় না জড়ানোর অঙ্গীকার করেন।
পুলিশ সুপার বলেন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে পুলিশ শুধু আইন প্রয়োগই করছে না, জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং বিপথগামীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতেও কাজ করছে। যারা স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করবে, তাদের পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, বর্তমানে মাদক কারবারি ও সেবীদের ‘সামারি ট্রায়াল’-এর মাধ্যমে দ্রুত শাস্তির আওতায় আনা হচ্ছে।
জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান সেখের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সহকারী পুলিশ সুপার শেখ মোহাম্মদ নূরুল্লাহ্, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আনোয়ার হোসেন খান খোকন ও সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান আলী, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা সাজেদুর রহমান।
বক্তারা যুবসমাজকে রক্ষা করতে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, সাংবাদিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
\

আপনার মতামত লিখুন