গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে আরও ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৭৪ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে।
গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৮৪ জনে। ঢাকা বিভাগে একা মারা গেছেন ২৯৯ জন।
রোববার (১৯ জুলাই) প্রকাশিত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বুলেটিন বলছে, শনিবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় মোট ৬৯৯ জন হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে এসেছেন, ভর্তি হয়েছেন ৬৪৯ জন।
হাসপাতালগুলোয় যেন রোগীর চাপ কমছে না। চার মাসের বেশি সময় ধরে হামের সংক্রমণ চলছে, অথচ পরিস্থিতির উন্নতির কোনো লক্ষণ নেই।
গত চার মাসে হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ২৯৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন ঢাকা বিভাগে। সিলেটে মৃত্যু ৯৭ জন, রাজশাহীতে ৮৯ জন, চট্টগ্রামে ৫৫ জন, বরিশালে ৪৩ জন, ময়মনসিংহে ৬৬ জন, খুলনায় ৩১ জন এবং রংপুরে ৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন।
ঢাকার এই সংখ্যা অন্য সব বিভাগের তুলনায় অনেক বেশি, যা রাজধানী ও এর আশপাশের এলাকায় হামের ভয়াবহতা স্পষ্ট করে তুলেছে।
এখনও সারা দেশের হাসপাতালে হাম ও উপসর্গ নিয়ে ৬৪৯ জন ভর্তি রয়েছেন। ঢাকা বিভাগেই ভর্তি রোগীর সংখ্যা ২৩২, চট্টগ্রামে ১৪৪, বরিশালে ১১৫, সিলেটে ৬৬, খুলনায় ৩৮, ময়মনসিংহে ২২, রাজশাহীতে ২১ এবং রংপুরে ১১ জন। এই সংখ্যা বলছে, হাম এখনো দেশের প্রতিটি বিভাগেই সক্রিয় রয়েছে।
১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৯৯ হাজার ২৪৯ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৯৫ হাজার ৫২৯ জন। অর্থাৎ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হচ্ছেন অনেকেই, কিন্তু নতুন রোগী আসা থামছে না।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হামের সংক্রমণ রোধে গণটিকাদান কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে। পুষ্টিহীনতা ও টিকাদানের ঘাটতিই এই রোগের প্রাদুর্ভাবের মূল কারণ। শিশুদের সময়মতো টিকা না দিলে এই মৃত্যুর মিছিল থামবে না।

সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুলাই ২০২৬
গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে আরও ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৭৪ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে।
গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৮৪ জনে। ঢাকা বিভাগে একা মারা গেছেন ২৯৯ জন।
রোববার (১৯ জুলাই) প্রকাশিত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বুলেটিন বলছে, শনিবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় মোট ৬৯৯ জন হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে এসেছেন, ভর্তি হয়েছেন ৬৪৯ জন।
হাসপাতালগুলোয় যেন রোগীর চাপ কমছে না। চার মাসের বেশি সময় ধরে হামের সংক্রমণ চলছে, অথচ পরিস্থিতির উন্নতির কোনো লক্ষণ নেই।
গত চার মাসে হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ২৯৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন ঢাকা বিভাগে। সিলেটে মৃত্যু ৯৭ জন, রাজশাহীতে ৮৯ জন, চট্টগ্রামে ৫৫ জন, বরিশালে ৪৩ জন, ময়মনসিংহে ৬৬ জন, খুলনায় ৩১ জন এবং রংপুরে ৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন।
ঢাকার এই সংখ্যা অন্য সব বিভাগের তুলনায় অনেক বেশি, যা রাজধানী ও এর আশপাশের এলাকায় হামের ভয়াবহতা স্পষ্ট করে তুলেছে।
এখনও সারা দেশের হাসপাতালে হাম ও উপসর্গ নিয়ে ৬৪৯ জন ভর্তি রয়েছেন। ঢাকা বিভাগেই ভর্তি রোগীর সংখ্যা ২৩২, চট্টগ্রামে ১৪৪, বরিশালে ১১৫, সিলেটে ৬৬, খুলনায় ৩৮, ময়মনসিংহে ২২, রাজশাহীতে ২১ এবং রংপুরে ১১ জন। এই সংখ্যা বলছে, হাম এখনো দেশের প্রতিটি বিভাগেই সক্রিয় রয়েছে।
১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৯৯ হাজার ২৪৯ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৯৫ হাজার ৫২৯ জন। অর্থাৎ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হচ্ছেন অনেকেই, কিন্তু নতুন রোগী আসা থামছে না।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হামের সংক্রমণ রোধে গণটিকাদান কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে। পুষ্টিহীনতা ও টিকাদানের ঘাটতিই এই রোগের প্রাদুর্ভাবের মূল কারণ। শিশুদের সময়মতো টিকা না দিলে এই মৃত্যুর মিছিল থামবে না।

আপনার মতামত লিখুন