সংবাদ

স্মার্টফোন চুরির অভিযোগে কিশোরকে ‘গাছে বেঁধে নির্যাতন’


প্রতিনিধি, জিয়ানগর (পিরোজপুর)
প্রতিনিধি, জিয়ানগর (পিরোজপুর)
প্রকাশ: ১৯ জুলাই ২০২৬, ০৯:০৫ পিএম

স্মার্টফোন চুরির অভিযোগে কিশোরকে ‘গাছে বেঁধে নির্যাতন’
ছবি : ভিডিও থেকে সংগৃহীত

পিরোজপুরের জিয়ানগরে স্মার্টফোন চুরির অভিযোগে এক কিশোরকে গাছে বেঁধে নির্যাতন ও মাথার চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। রোববার (১৯ জুলাই) দুপুরে উপজেলার সেউতিবাড়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার দুটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

নির্যাতনের শিকার ওই কিশোরের নাম জাকারিয়া (১৭)। সে উপজেলার কালাইয়া গ্রামের জাকির হোসেনের ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, সেউতিবাড়িয়া গ্রামের জসিম মল্লিকের ঘর থেকে গতকাল শনিবার দুপুরে প্রায় ৭০ হাজার টাকা মূল্যের দুটি স্মার্টফোন ও কিছু টাকা চুরি হয়। আজ দুপুরে স্থানীয়রা ওই কিশোরকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। পরে তার কাছ থেকে চুরি হওয়া ফোন ও টাকা উদ্ধার করা হয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, চুরির অভিযোগে এক কিশোরকে গাছে বেঁধে মারধর করা হচ্ছে। এ সময় কিশোরটি চুরির কথা স্বীকার করে। অন্য একটি ভিডিওতে দেখা যায়, মারধরের পর কিশোরটির মাথার চুল কেটে দেওয়া হচ্ছে।

ভুক্তভোগী জসিম মল্লিক বলেন, ‘আমি বাড়ির বাইরে ছিলাম এবং আমার মা ঘরে নামাজ পড়ছিলেন। তখন ওই কিশোরটি দুটি স্মার্টফোন ও মানিব্যাগ থেকে দেড় হাজার টাকা নিয়ে বের হচ্ছিল। সন্দেহ হওয়ায় আমি তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করি। একপর্যায়ে সে পালানোর চেষ্টা করলে আমি চিৎকার করি। পরে তাকে ধরে ফোন দুটি উদ্ধার করা হয়। এ সময় আমি ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে দুটি থাপ্পড় দিই। পরে স্থানীয় অন্য লোকজনও সেখানে উপস্থিত হন।’

তবে স্থানীয়দের দাবি, কিশোরটি এর আগেও বিভিন্ন চুরির ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিল। এলাকায় প্রায়ই চুরির ঘটনা ঘটে বলে তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

জিয়ানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোহাব্বত খান বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্যাতনের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি তিনি জেনেছেন। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬


স্মার্টফোন চুরির অভিযোগে কিশোরকে ‘গাছে বেঁধে নির্যাতন’

প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুলাই ২০২৬

featured Image

পিরোজপুরের জিয়ানগরে স্মার্টফোন চুরির অভিযোগে এক কিশোরকে গাছে বেঁধে নির্যাতন ও মাথার চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। রোববার (১৯ জুলাই) দুপুরে উপজেলার সেউতিবাড়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার দুটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

নির্যাতনের শিকার ওই কিশোরের নাম জাকারিয়া (১৭)। সে উপজেলার কালাইয়া গ্রামের জাকির হোসেনের ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, সেউতিবাড়িয়া গ্রামের জসিম মল্লিকের ঘর থেকে গতকাল শনিবার দুপুরে প্রায় ৭০ হাজার টাকা মূল্যের দুটি স্মার্টফোন ও কিছু টাকা চুরি হয়। আজ দুপুরে স্থানীয়রা ওই কিশোরকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। পরে তার কাছ থেকে চুরি হওয়া ফোন ও টাকা উদ্ধার করা হয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, চুরির অভিযোগে এক কিশোরকে গাছে বেঁধে মারধর করা হচ্ছে। এ সময় কিশোরটি চুরির কথা স্বীকার করে। অন্য একটি ভিডিওতে দেখা যায়, মারধরের পর কিশোরটির মাথার চুল কেটে দেওয়া হচ্ছে।

ভুক্তভোগী জসিম মল্লিক বলেন, ‘আমি বাড়ির বাইরে ছিলাম এবং আমার মা ঘরে নামাজ পড়ছিলেন। তখন ওই কিশোরটি দুটি স্মার্টফোন ও মানিব্যাগ থেকে দেড় হাজার টাকা নিয়ে বের হচ্ছিল। সন্দেহ হওয়ায় আমি তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করি। একপর্যায়ে সে পালানোর চেষ্টা করলে আমি চিৎকার করি। পরে তাকে ধরে ফোন দুটি উদ্ধার করা হয়। এ সময় আমি ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে দুটি থাপ্পড় দিই। পরে স্থানীয় অন্য লোকজনও সেখানে উপস্থিত হন।’

তবে স্থানীয়দের দাবি, কিশোরটি এর আগেও বিভিন্ন চুরির ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিল। এলাকায় প্রায়ই চুরির ঘটনা ঘটে বলে তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

জিয়ানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোহাব্বত খান বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নির্যাতনের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি তিনি জেনেছেন। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত