বাংলাদেশের কিংবদন্তি অভিনেতা খলিল উল্যাহ খানের স্মৃতিকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছেন তার দ্বিতীয় ছেলে মূসা খান। প্রয়াত এই গুণী অভিনেতার নামে একটি সম্মাননা পদক চালুর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন তিনি।
সম্প্রতি গণমাধ্যমের
সঙ্গে আলাপকালে মূসা খান বলেন, দেশের বিভিন্ন অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে গুণীজনদের সম্মাননা
দেওয়া হলেও তার ইচ্ছা বাবার নামে একটি স্থায়ী সম্মাননা চালু করার। আপাতত পদকটির নাম
রাখা হয়েছে ‘খলিল উল্যাহ খান সম্মাননা’। এই সম্মাননার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে সত্যিকারের
অবদান রাখা শিল্পীদের স্বীকৃতি দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
মূসা খান বলেন,
“আমার বাবা বাংলাদেশের একজন শক্তিমান ও গুণী অভিনেতা ছিলেন। কিন্তু তিনি চলে যাওয়ার
প্রায় এক যুগ পর চলচ্চিত্রের অনেকেই তাকে ভুলে গেছেন। অথচ দর্শক এখনও তার অভিনীত সিনেমা
আগ্রহ নিয়ে দেখেন। আমরা চাই তার অবদান যেন দেশ ও দেশের মানুষ সবসময় মনে রাখে। সেই ভাবনা
থেকেই বাবার নামে এই সম্মাননা চালুর উদ্যোগ নিয়েছি।”
তিনি আরও জানান,
এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সাংবাদিক অভি মঈনুদ্দীনের সহযোগিতা পাচ্ছেন। খলিল উল্যাহ খানের
জীবনের শেষ কয়েক বছরে অভি মঈনুদ্দীনের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল বলেও উল্লেখ করেন
তিনি।
মূসা খানের আশা,
আগামী ১ ফেব্রুয়ারি, খলিল উল্যাহ খানের জন্মদিনে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘খলিল উল্যাহ খান সম্মাননা’
চালু করা যাবে।
উল্লেখ্য, ১৯৩৪
সালের ১ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন খলিল উল্যাহ খান। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে তিনি বাংলা চলচ্চিত্রে
অসামান্য অবদান রাখেন। ২০১২ সালে তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে আজীবন সম্মাননা লাভ
করেন। ২০১৪ সালের ৭ ডিসেম্বর তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
‘প্রীত না জানে
রীত’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হওয়া খলিল উল্যাহ খান অভিনয় করেছেন ‘সঙ্গম’,
‘সোনার কাজল’, ‘অশান্ত ঢেউ’, ‘বেগানা’, ‘পুনম কি রাত’, ‘নদের চাঁদ’, ‘মাটির ঘর’, ‘পাগলা
রাজা’, ‘ফকির মজনু শাহ’ ও ‘বেইমান’-সহ অসংখ্য জনপ্রিয় চলচ্চিত্রে। এছাড়া তিনি বাংলাদেশ
চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছিলেন।

সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশের কিংবদন্তি অভিনেতা খলিল উল্যাহ খানের স্মৃতিকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছেন তার দ্বিতীয় ছেলে মূসা খান। প্রয়াত এই গুণী অভিনেতার নামে একটি সম্মাননা পদক চালুর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন তিনি।
সম্প্রতি গণমাধ্যমের
সঙ্গে আলাপকালে মূসা খান বলেন, দেশের বিভিন্ন অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে গুণীজনদের সম্মাননা
দেওয়া হলেও তার ইচ্ছা বাবার নামে একটি স্থায়ী সম্মাননা চালু করার। আপাতত পদকটির নাম
রাখা হয়েছে ‘খলিল উল্যাহ খান সম্মাননা’। এই সম্মাননার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে সত্যিকারের
অবদান রাখা শিল্পীদের স্বীকৃতি দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
মূসা খান বলেন,
“আমার বাবা বাংলাদেশের একজন শক্তিমান ও গুণী অভিনেতা ছিলেন। কিন্তু তিনি চলে যাওয়ার
প্রায় এক যুগ পর চলচ্চিত্রের অনেকেই তাকে ভুলে গেছেন। অথচ দর্শক এখনও তার অভিনীত সিনেমা
আগ্রহ নিয়ে দেখেন। আমরা চাই তার অবদান যেন দেশ ও দেশের মানুষ সবসময় মনে রাখে। সেই ভাবনা
থেকেই বাবার নামে এই সম্মাননা চালুর উদ্যোগ নিয়েছি।”
তিনি আরও জানান,
এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সাংবাদিক অভি মঈনুদ্দীনের সহযোগিতা পাচ্ছেন। খলিল উল্যাহ খানের
জীবনের শেষ কয়েক বছরে অভি মঈনুদ্দীনের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল বলেও উল্লেখ করেন
তিনি।
মূসা খানের আশা,
আগামী ১ ফেব্রুয়ারি, খলিল উল্যাহ খানের জন্মদিনে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘খলিল উল্যাহ খান সম্মাননা’
চালু করা যাবে।
উল্লেখ্য, ১৯৩৪
সালের ১ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন খলিল উল্যাহ খান। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে তিনি বাংলা চলচ্চিত্রে
অসামান্য অবদান রাখেন। ২০১২ সালে তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে আজীবন সম্মাননা লাভ
করেন। ২০১৪ সালের ৭ ডিসেম্বর তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
‘প্রীত না জানে
রীত’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হওয়া খলিল উল্যাহ খান অভিনয় করেছেন ‘সঙ্গম’,
‘সোনার কাজল’, ‘অশান্ত ঢেউ’, ‘বেগানা’, ‘পুনম কি রাত’, ‘নদের চাঁদ’, ‘মাটির ঘর’, ‘পাগলা
রাজা’, ‘ফকির মজনু শাহ’ ও ‘বেইমান’-সহ অসংখ্য জনপ্রিয় চলচ্চিত্রে। এছাড়া তিনি বাংলাদেশ
চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন