নৈতিক স্খলন প্রমাণিত হওয়ায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিওকে কেন্দ্র করে সাংগঠনিক তদন্ত শেষে দলটির গঠনতন্ত্রের ৬২ নং ধারা অনুযায়ী এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২২ জুলাই) বিকেল ৪টায় রাজধানীর মিন্টু রোডের বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানের সরকারি বাসভবনে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের এক বৈঠকে তাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত হয়।
দলের কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়, “সম্প্রতি গাজী নজরুল ইসলামকে নিয়ে বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রকাশিত বিষয়ে সাংগঠনিক তদন্তে তার নৈতিক স্খলন প্রমাণিত হওয়ায় তাকে গঠনতন্ত্রের ৬২ নং ধারা অনুযায়ী জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।”
জামায়াতের ৬২ নং ধারা অনুযায়ী, “কোনো সদস্য (রুকন) জামায়াতের নিয়ম-শৃঙ্খলা ও নীতিসমূহের পরিপন্থি কাজ করেন বা এমন কোনো কাজ করেন যাতে জামায়াতের নৈতিক প্রভাব ক্ষতিগ্রস্ত কিংবা জামায়াতের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয় অথবা সংগঠনের উদ্দেশ্য-লক্ষ্য এবং ইসলামের ইমান ও আকিদা পরিপন্থি কোনো পার্টি বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পর্ক রাখলে জামায়াতের আমির কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের পরামর্শক্রমে জামায়াতের যে কোনো সদস্যকে (রুকনকে) জামায়াত থেকে বহিষ্কার করতে পারবেন।”
সম্প্রতি গাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে এক তরুণীর অন্তরঙ্গ মুহূর্তের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। গত ২০ জুলাই রাত থেকে ভিডিওটি ভাইরাল হলে তা রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।
গত ২১ জুলাই এ নিয়ে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের পর সাংগঠনিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে বিবৃতি দেয় জামায়াতে ইসলামী। বিবৃতিতে আরও খোঁজখবর নিয়ে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানানো হয়। বুধবার বিকেলে সেই পদক্ষেপ হিসেবে তাকে বহিষ্কার করা হয়।

বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুলাই ২০২৬
নৈতিক স্খলন প্রমাণিত হওয়ায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিওকে কেন্দ্র করে সাংগঠনিক তদন্ত শেষে দলটির গঠনতন্ত্রের ৬২ নং ধারা অনুযায়ী এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২২ জুলাই) বিকেল ৪টায় রাজধানীর মিন্টু রোডের বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানের সরকারি বাসভবনে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের এক বৈঠকে তাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত হয়।
দলের কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়, “সম্প্রতি গাজী নজরুল ইসলামকে নিয়ে বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রকাশিত বিষয়ে সাংগঠনিক তদন্তে তার নৈতিক স্খলন প্রমাণিত হওয়ায় তাকে গঠনতন্ত্রের ৬২ নং ধারা অনুযায়ী জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।”
জামায়াতের ৬২ নং ধারা অনুযায়ী, “কোনো সদস্য (রুকন) জামায়াতের নিয়ম-শৃঙ্খলা ও নীতিসমূহের পরিপন্থি কাজ করেন বা এমন কোনো কাজ করেন যাতে জামায়াতের নৈতিক প্রভাব ক্ষতিগ্রস্ত কিংবা জামায়াতের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয় অথবা সংগঠনের উদ্দেশ্য-লক্ষ্য এবং ইসলামের ইমান ও আকিদা পরিপন্থি কোনো পার্টি বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পর্ক রাখলে জামায়াতের আমির কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের পরামর্শক্রমে জামায়াতের যে কোনো সদস্যকে (রুকনকে) জামায়াত থেকে বহিষ্কার করতে পারবেন।”
সম্প্রতি গাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে এক তরুণীর অন্তরঙ্গ মুহূর্তের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। গত ২০ জুলাই রাত থেকে ভিডিওটি ভাইরাল হলে তা রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।
গত ২১ জুলাই এ নিয়ে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের পর সাংগঠনিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে বিবৃতি দেয় জামায়াতে ইসলামী। বিবৃতিতে আরও খোঁজখবর নিয়ে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানানো হয়। বুধবার বিকেলে সেই পদক্ষেপ হিসেবে তাকে বহিষ্কার করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন