সংবাদ

জামায়াত নেতার তরুণীকাণ্ডে সাতক্ষীরায় কে কী বলছেন?


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২২ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫৫ পিএম

জামায়াত নেতার তরুণীকাণ্ডে সাতক্ষীরায় কে কী বলছেন?
জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের ‘ব্যক্তিগত মুহূর্তের’ ভিডিও নিয়ে সাতক্ষীরায় ব্যাপক আলোচনা–সমালোচনা চলছে। বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীরা নানা মন্তব্য করছেন।

গত ২০ জুলাই রাত থেকে সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর) আসনের এমপি গাজী নজরুল ইসলামের ‘ব্যক্তিগত মুহূর্তের’ একাধিক ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

পরদিন ২১ জুলাই দুপুরে এমপি নিজের ফেসবুক আইডিতে পোস্ট দিয়ে জানান, ওই তরুণী তার দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়াম বেগম। গত ১৭ জুন পারিবারিকভাবে এবং প্রথম স্ত্রীর সম্মতিতে বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।

সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আবু জাহিদ গণমাধ্যমে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘একজন এমপি ও বর্ষীয়ান মানুষ হিসেবে যে কাজ তিনি করেছেন, তা খুবই লজ্জাজনক। এটা তার রুচির দুর্ভিক্ষ।’

সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিন ইসলাম এক ভিডিও বার্তায় বলেন, ‘বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। আমি বলব, গাজী নজরুল ইসলাম জনপ্রতিনিধির যে চেয়ারে আছেন, সেখান থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করতে হবে; পাশাপাশি জামায়াতের দলীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।’

সাতক্ষীরা শহর ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি আল মামুন ফেসবুকে লিখেছেন, ‘কত ত্যাগ, কত কুরবানি, কত কষ্ট, কত পেরেশানি! আহা, প্রিয় কাফেলায় কালি লাগিয়ে দিলেন।’

ছাত্রদলের সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ শাখার সভাপতি মাসুদুল আলম মন্তব্য করেছেন, ‘দেখা যাক জামায়াত তার আদর্শ থেকে সরে যায় কি না।’

ছাত্রশিবিরের কর্মী খালিদ হাসান লিখেছেন, ‘আমাদের উচিত তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিয়ে দেখানো যে আমরা আমাদের সংগঠনের লোকদের ছাড় দেই না।’

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও নানা মন্তব্য দেখা গেছে। নাঈম শাহাদাত নামে একজন লিখেছেন, ‘প্রকাশিত ওই নারী উনার দ্বিতীয় স্ত্রী কি না, এ নিয়ে আমি কোনো মন্তব্য করব না। আমি শুধু বলব, আপনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর অনেক বড় ক্ষতি করে দিয়েছেন।’

রুহুল আমিন নামে একজন লিখেছেন, ‘দুপুরের পর থেকে আমার মনে হচ্ছে প্যারালাইজড হয়ে গেছে দুই হাত, দুই পা। এই নিউজ দেখার পর থেকে।’

আব্দুল্লাহ আল মামুন নামের একজন জামায়াত সমর্থকের মন্তব্য, ‘ভাই এখন তো আমাদের ঘরের দরজা দিয়ে বসে থাকা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকল না।’

সাতক্ষীরা পৌর ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক মোহাম্মদ ইমাদুল লিখেছেন, ‘সত্যতা তুলে ধরার জন্য ধন্যবাদ ভাইয়া। এ সমস্ত ব্যক্তির সর্বোচ্চ শাস্তি হওয়া উচিত।’

সাতক্ষীরার আরও অনেকে ফেসবুকে এ ঘটনা নিয়ে নিজেদের কথা বলছেন। চলছে পাল্টাপাল্টি আলোচনা, সমালোচনা ও নিন্দা।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬


জামায়াত নেতার তরুণীকাণ্ডে সাতক্ষীরায় কে কী বলছেন?

প্রকাশের তারিখ : ২২ জুলাই ২০২৬

featured Image

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের ‘ব্যক্তিগত মুহূর্তের’ ভিডিও নিয়ে সাতক্ষীরায় ব্যাপক আলোচনা–সমালোচনা চলছে। বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীরা নানা মন্তব্য করছেন।

গত ২০ জুলাই রাত থেকে সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর) আসনের এমপি গাজী নজরুল ইসলামের ‘ব্যক্তিগত মুহূর্তের’ একাধিক ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

পরদিন ২১ জুলাই দুপুরে এমপি নিজের ফেসবুক আইডিতে পোস্ট দিয়ে জানান, ওই তরুণী তার দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়াম বেগম। গত ১৭ জুন পারিবারিকভাবে এবং প্রথম স্ত্রীর সম্মতিতে বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।

সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আবু জাহিদ গণমাধ্যমে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘একজন এমপি ও বর্ষীয়ান মানুষ হিসেবে যে কাজ তিনি করেছেন, তা খুবই লজ্জাজনক। এটা তার রুচির দুর্ভিক্ষ।’

সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিন ইসলাম এক ভিডিও বার্তায় বলেন, ‘বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। আমি বলব, গাজী নজরুল ইসলাম জনপ্রতিনিধির যে চেয়ারে আছেন, সেখান থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করতে হবে; পাশাপাশি জামায়াতের দলীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।’

সাতক্ষীরা শহর ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি আল মামুন ফেসবুকে লিখেছেন, ‘কত ত্যাগ, কত কুরবানি, কত কষ্ট, কত পেরেশানি! আহা, প্রিয় কাফেলায় কালি লাগিয়ে দিলেন।’

ছাত্রদলের সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ শাখার সভাপতি মাসুদুল আলম মন্তব্য করেছেন, ‘দেখা যাক জামায়াত তার আদর্শ থেকে সরে যায় কি না।’

ছাত্রশিবিরের কর্মী খালিদ হাসান লিখেছেন, ‘আমাদের উচিত তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিয়ে দেখানো যে আমরা আমাদের সংগঠনের লোকদের ছাড় দেই না।’

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও নানা মন্তব্য দেখা গেছে। নাঈম শাহাদাত নামে একজন লিখেছেন, ‘প্রকাশিত ওই নারী উনার দ্বিতীয় স্ত্রী কি না, এ নিয়ে আমি কোনো মন্তব্য করব না। আমি শুধু বলব, আপনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর অনেক বড় ক্ষতি করে দিয়েছেন।’

রুহুল আমিন নামে একজন লিখেছেন, ‘দুপুরের পর থেকে আমার মনে হচ্ছে প্যারালাইজড হয়ে গেছে দুই হাত, দুই পা। এই নিউজ দেখার পর থেকে।’

আব্দুল্লাহ আল মামুন নামের একজন জামায়াত সমর্থকের মন্তব্য, ‘ভাই এখন তো আমাদের ঘরের দরজা দিয়ে বসে থাকা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকল না।’

সাতক্ষীরা পৌর ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক মোহাম্মদ ইমাদুল লিখেছেন, ‘সত্যতা তুলে ধরার জন্য ধন্যবাদ ভাইয়া। এ সমস্ত ব্যক্তির সর্বোচ্চ শাস্তি হওয়া উচিত।’

সাতক্ষীরার আরও অনেকে ফেসবুকে এ ঘটনা নিয়ে নিজেদের কথা বলছেন। চলছে পাল্টাপাল্টি আলোচনা, সমালোচনা ও নিন্দা।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত