হরমুজ প্রণালিতে চলাচলকারী জাহাজ বা পণ্যের ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণ ইরানের জব্দ সম্পদ থেকে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার এই ঘোষণার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে তেহরান।
জুলাইয়ের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। অন্তর্বর্তী যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভেঙে যাওয়ার পর দুই সপ্তাহে হামলা বেড়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) টানা ১৩তম রাতের মতো ইরানে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, প্রয়োজন হলে এর চেয়েও বড় সামরিক হামলা চালানো হবে।
বৃহস্পতিবার ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ ও দখলে থাকা ইরানের অর্থ থেকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেশি হতে পারে। তারপরও এভাবে ক্ষতিপূরণ দেওয়াটাই সুষ্ঠু এবং ন্যায্য হবে।’
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি শুক্রবার এক্সে ট্রাম্পের বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করে বলেন, ‘অন্য দেশের সম্পদ জব্দ করে ভবিষ্যতের কোনো ক্ষতিপূরণ দেওয়ার চেষ্টা উস্কানিমূলক নজির।’
তিনি আরও বলেন, ‘যারা এ ধরনের অর্থ জব্দের গুণগান করেন বা এ থেকে লাভবান হন, তাদের মনে রাখা উচিত- একবার রাষ্ট্রগুলো যদি সম্পদ বাজেয়াপ্ত করাকে স্বাভাবিকভাবে নেয়, তাহলে কারও সম্পদই আর নিরাপদ থাকবে না।’
ইরানের জব্দ করা সম্পদের বিষয়টি তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে আলোচনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল। গত জুনে যুদ্ধ অবসানে দুই দেশ যে সমঝোতা স্মারক সই করেছিল, সেখানে এ বিষয়ের উল্লেখ ছিল। তবে সেই চুক্তি পরে ভেঙে যায়।
ইরানের সম্পদ জব্দ করে রাখার ঘটনা নতুন নয়। যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি দেশ কয়েক দশক ধরে ইরানের সম্পদ জব্দ করে রেখেছে। ইরানের জব্দ হওয়া সম্পদের সঠিক পরিমাণ জানা যায়নি। তবে বিভিন্ন হিসাব অনুযায়ী, এর মূল্য প্রায় ১০ হাজার কোটি মার্কিন ডলার হতে পারে। ১৯৭৯ সালে তেহরানে মার্কিন দূতাবাসে জিম্মি ঘটনার পর প্রথম ইরানের অর্থসম্পদ জব্দ করেছিল ওয়াশিংটন।

শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুলাই ২০২৬
হরমুজ প্রণালিতে চলাচলকারী জাহাজ বা পণ্যের ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণ ইরানের জব্দ সম্পদ থেকে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার এই ঘোষণার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে তেহরান।
জুলাইয়ের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। অন্তর্বর্তী যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভেঙে যাওয়ার পর দুই সপ্তাহে হামলা বেড়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) টানা ১৩তম রাতের মতো ইরানে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, প্রয়োজন হলে এর চেয়েও বড় সামরিক হামলা চালানো হবে।
বৃহস্পতিবার ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ ও দখলে থাকা ইরানের অর্থ থেকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেশি হতে পারে। তারপরও এভাবে ক্ষতিপূরণ দেওয়াটাই সুষ্ঠু এবং ন্যায্য হবে।’
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি শুক্রবার এক্সে ট্রাম্পের বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করে বলেন, ‘অন্য দেশের সম্পদ জব্দ করে ভবিষ্যতের কোনো ক্ষতিপূরণ দেওয়ার চেষ্টা উস্কানিমূলক নজির।’
তিনি আরও বলেন, ‘যারা এ ধরনের অর্থ জব্দের গুণগান করেন বা এ থেকে লাভবান হন, তাদের মনে রাখা উচিত- একবার রাষ্ট্রগুলো যদি সম্পদ বাজেয়াপ্ত করাকে স্বাভাবিকভাবে নেয়, তাহলে কারও সম্পদই আর নিরাপদ থাকবে না।’
ইরানের জব্দ করা সম্পদের বিষয়টি তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে আলোচনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল। গত জুনে যুদ্ধ অবসানে দুই দেশ যে সমঝোতা স্মারক সই করেছিল, সেখানে এ বিষয়ের উল্লেখ ছিল। তবে সেই চুক্তি পরে ভেঙে যায়।
ইরানের সম্পদ জব্দ করে রাখার ঘটনা নতুন নয়। যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি দেশ কয়েক দশক ধরে ইরানের সম্পদ জব্দ করে রেখেছে। ইরানের জব্দ হওয়া সম্পদের সঠিক পরিমাণ জানা যায়নি। তবে বিভিন্ন হিসাব অনুযায়ী, এর মূল্য প্রায় ১০ হাজার কোটি মার্কিন ডলার হতে পারে। ১৯৭৯ সালে তেহরানে মার্কিন দূতাবাসে জিম্মি ঘটনার পর প্রথম ইরানের অর্থসম্পদ জব্দ করেছিল ওয়াশিংটন।

আপনার মতামত লিখুন