প্রশ্নপত্র ফাঁসের আন্দোলনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভিডিও বার্তায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন বলিউড অভিনেত্রী দিয়া মির্জা। তিনি বলেছেন, নিহত শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের প্রতি সহানুভূতির কোনো শব্দ ছিল না এই বক্তব্যে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) গভীর রাতে প্রধানমন্ত্রী জাতির উদ্দেশে ভিডিও বার্তা দেন। এর প্রতিক্রিয়ায় দিয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখেন, ‘যেসব বাবা-মা তাদের সন্তানদের হারিয়েছেন, যেসব সন্তান মারা গেছে, নিজেদের অধিকার দাবি করা শিক্ষার্থীদের অসাধারণ ধৈর্য, সোনমজি এবং সপ্তাহের পর সপ্তাহ অনশনরত শিক্ষার্থীদের জন্য সহানুভূতির একটি শব্দও নেই। এতটাই কি কঠিন হতে পারে, স্যার?’
তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন, ‘এই বিষয়ে মুখ খুলতে আপনার ৪৭ দিন লেগে গেল, আর এখনো আপনি কিছুই বলেননি। এমন কিছুই বলেননি, যা ভেঙে যাওয়া লাখো মানুষের হৃদয়ের ক্ষত কিছুটা হলেও সারিয়ে তুলতে পারে।’
দিয়ার ভাষ্যে, ‘নেতৃত্ব শুধু প্রশাসনিক পদক্ষেপের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, মানুষের কষ্টের সময় তাদের পাশে দাঁড়ানোর মধ্যেও নেতৃত্বের পরিচয় পাওয়া যায়।’
নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ সামনে আসার পর থেকেই ভারতে দেশজুড়ে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা বাতিল, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষীদের শাস্তির দাবিতে আন্দোলন করছেন। আন্দোলন চলাকালে বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষ ও হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী মোদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বার্তায় শিক্ষার্থীদের শান্ত থাকার আহ্বান জানান এবং সমস্যার সমাধানে সরকারের পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করেন। তবে সেই বক্তব্যে নিহত শিক্ষার্থী বা তাঁদের পরিবারের প্রতি কোনো সমবেদনা প্রকাশ না থাকায় সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
দিয়া মির্জার এই মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা তৈরি করেছে। অনেকেই তার বক্তব্যের সঙ্গে একমত হয়ে শিক্ষার্থী ও তাঁদের পরিবারের প্রতি সহানুভূতি জানানোর দাবি তুলেছেন। কেউ কেউ প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের পক্ষেও মত দিয়েছেন।
দিয়াকে সম্প্রতি নেটফ্লিক্সের ‘ইক্কা’ ছবিতে দেখা গেছে। খুব শিগগির তাকে ওনি সেন পরিচালিত ‘অপারেশন সফেদ সাগর’ সিরিজে দেখা যাবে, যা কারগিল যুদ্ধের অকথিত কাহিনি নিয়ে নির্মিত।
শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুলাই ২০২৬
প্রশ্নপত্র ফাঁসের আন্দোলনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভিডিও বার্তায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন বলিউড অভিনেত্রী দিয়া মির্জা। তিনি বলেছেন, নিহত শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের প্রতি সহানুভূতির কোনো শব্দ ছিল না এই বক্তব্যে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) গভীর রাতে প্রধানমন্ত্রী জাতির উদ্দেশে ভিডিও বার্তা দেন। এর প্রতিক্রিয়ায় দিয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখেন, ‘যেসব বাবা-মা তাদের সন্তানদের হারিয়েছেন, যেসব সন্তান মারা গেছে, নিজেদের অধিকার দাবি করা শিক্ষার্থীদের অসাধারণ ধৈর্য, সোনমজি এবং সপ্তাহের পর সপ্তাহ অনশনরত শিক্ষার্থীদের জন্য সহানুভূতির একটি শব্দও নেই। এতটাই কি কঠিন হতে পারে, স্যার?’
তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন, ‘এই বিষয়ে মুখ খুলতে আপনার ৪৭ দিন লেগে গেল, আর এখনো আপনি কিছুই বলেননি। এমন কিছুই বলেননি, যা ভেঙে যাওয়া লাখো মানুষের হৃদয়ের ক্ষত কিছুটা হলেও সারিয়ে তুলতে পারে।’
দিয়ার ভাষ্যে, ‘নেতৃত্ব শুধু প্রশাসনিক পদক্ষেপের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, মানুষের কষ্টের সময় তাদের পাশে দাঁড়ানোর মধ্যেও নেতৃত্বের পরিচয় পাওয়া যায়।’
নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ সামনে আসার পর থেকেই ভারতে দেশজুড়ে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা বাতিল, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষীদের শাস্তির দাবিতে আন্দোলন করছেন। আন্দোলন চলাকালে বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষ ও হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী মোদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বার্তায় শিক্ষার্থীদের শান্ত থাকার আহ্বান জানান এবং সমস্যার সমাধানে সরকারের পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করেন। তবে সেই বক্তব্যে নিহত শিক্ষার্থী বা তাঁদের পরিবারের প্রতি কোনো সমবেদনা প্রকাশ না থাকায় সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
দিয়া মির্জার এই মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা তৈরি করেছে। অনেকেই তার বক্তব্যের সঙ্গে একমত হয়ে শিক্ষার্থী ও তাঁদের পরিবারের প্রতি সহানুভূতি জানানোর দাবি তুলেছেন। কেউ কেউ প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের পক্ষেও মত দিয়েছেন।
দিয়াকে সম্প্রতি নেটফ্লিক্সের ‘ইক্কা’ ছবিতে দেখা গেছে। খুব শিগগির তাকে ওনি সেন পরিচালিত ‘অপারেশন সফেদ সাগর’ সিরিজে দেখা যাবে, যা কারগিল যুদ্ধের অকথিত কাহিনি নিয়ে নির্মিত।
আপনার মতামত লিখুন