জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি ও ঐতিহাসিক ৫ আগস্ট উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে শহীদদের আত্মত্যাগকে ধারণ করে একটি উন্নত, গণতান্ত্রিক ও আত্মমর্যাদাসম্পন্ন নতুন বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বুধবার (৫ আগস্ট) সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বাণীতে তিনি এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
বাণীতে মির্জা ফখরুল বলেন, দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশের মানুষ শেখ হাসিনার দুঃশাসন ও ধ্বংসপ্রাপ্ত রাষ্ট্রব্যবস্থার বিরুদ্ধে লড়াই করেছে। এই সংগ্রামে অসংখ্য মানুষ গুম-খুনের শিকার হয়েছেন, বিপর্যস্ত হয়েছে অর্থনীতি ও শিক্ষা ব্যবস্থা। তবে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে জনগণ হাল ছাড়েনি।
২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, চব্বিশের আন্দোলনে ছাত্র-জনতার ওপর নির্বিচারে গুলি চালানো হয়েছে। এমনকি ঘরের বারান্দায় থাকা শিশুরাও রেহাই পায়নি। শেখ হাসিনার নির্দেশে হেলিকপ্টার থেকেও গুলি করা হয়েছে। কিন্তু অদম্য ছাত্র-জনতার মুখে ৫ আগস্ট স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটে এবং দেশ এক নতুন যাত্রাপথ খুঁজে পায়।
হাসিনা সরকারের অপরাধের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, জাতিসংঘ ও দেশীয় ট্রাইব্যুনালের তদন্তে পূর্ববর্তী সরকারের ভয়াবহ অপরাধগুলো প্রমাণিত হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়ায় বিচার সম্পন্ন হয়েছে।
বর্তমান সরকার প্রসঙ্গে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, ‘প্রায় ছয় মাস আগে জনমতের ভিত্তিতে তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা সরকার গঠন করেছি। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকট ও নানা প্রতিকূলতা আমাদের মোকাবিলা করতে হচ্ছে। তবে এসব চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও আমরা জনগণের ভাগ্য বদলে অঙ্গীকারবদ্ধ।’
নিজের রাজনৈতিক দর্শনের কথা তুলে ধরে ৭৮ বছর বয়সী এই প্রবীণ নেতা বলেন, ‘আমার আস্থা চব্বিশের তারুণ্যে এবং আদর্শ জিয়াউর রহমান। আমি বিশ্বাস করি, বাংলাদেশ পারবে। শহীদদের মেধা ও পরিশ্রমকে পুঁজি করে আমরা এমন এক রাষ্ট্র গড়ব যেখানে আইনের শাসন ও মানুষের মর্যাদা থাকবে সর্বোচ্চ।’
তিনি আরও দৃঢ়ভাবে বলেন, এই মাটিতে আর কোনো স্বৈরাচারকে মাথা তুলে দাঁড়াতে দেওয়া হবে না–এটিই চব্বিশের ৫ আগস্টের সবচেয়ে বড় শক্তি ও অঙ্গীকার।
\

বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ আগস্ট ২০২৬
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি ও ঐতিহাসিক ৫ আগস্ট উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে শহীদদের আত্মত্যাগকে ধারণ করে একটি উন্নত, গণতান্ত্রিক ও আত্মমর্যাদাসম্পন্ন নতুন বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বুধবার (৫ আগস্ট) সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বাণীতে তিনি এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
বাণীতে মির্জা ফখরুল বলেন, দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশের মানুষ শেখ হাসিনার দুঃশাসন ও ধ্বংসপ্রাপ্ত রাষ্ট্রব্যবস্থার বিরুদ্ধে লড়াই করেছে। এই সংগ্রামে অসংখ্য মানুষ গুম-খুনের শিকার হয়েছেন, বিপর্যস্ত হয়েছে অর্থনীতি ও শিক্ষা ব্যবস্থা। তবে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে জনগণ হাল ছাড়েনি।
২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, চব্বিশের আন্দোলনে ছাত্র-জনতার ওপর নির্বিচারে গুলি চালানো হয়েছে। এমনকি ঘরের বারান্দায় থাকা শিশুরাও রেহাই পায়নি। শেখ হাসিনার নির্দেশে হেলিকপ্টার থেকেও গুলি করা হয়েছে। কিন্তু অদম্য ছাত্র-জনতার মুখে ৫ আগস্ট স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটে এবং দেশ এক নতুন যাত্রাপথ খুঁজে পায়।
হাসিনা সরকারের অপরাধের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, জাতিসংঘ ও দেশীয় ট্রাইব্যুনালের তদন্তে পূর্ববর্তী সরকারের ভয়াবহ অপরাধগুলো প্রমাণিত হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়ায় বিচার সম্পন্ন হয়েছে।
বর্তমান সরকার প্রসঙ্গে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, ‘প্রায় ছয় মাস আগে জনমতের ভিত্তিতে তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা সরকার গঠন করেছি। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকট ও নানা প্রতিকূলতা আমাদের মোকাবিলা করতে হচ্ছে। তবে এসব চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও আমরা জনগণের ভাগ্য বদলে অঙ্গীকারবদ্ধ।’
নিজের রাজনৈতিক দর্শনের কথা তুলে ধরে ৭৮ বছর বয়সী এই প্রবীণ নেতা বলেন, ‘আমার আস্থা চব্বিশের তারুণ্যে এবং আদর্শ জিয়াউর রহমান। আমি বিশ্বাস করি, বাংলাদেশ পারবে। শহীদদের মেধা ও পরিশ্রমকে পুঁজি করে আমরা এমন এক রাষ্ট্র গড়ব যেখানে আইনের শাসন ও মানুষের মর্যাদা থাকবে সর্বোচ্চ।’
তিনি আরও দৃঢ়ভাবে বলেন, এই মাটিতে আর কোনো স্বৈরাচারকে মাথা তুলে দাঁড়াতে দেওয়া হবে না–এটিই চব্বিশের ৫ আগস্টের সবচেয়ে বড় শক্তি ও অঙ্গীকার।
\

আপনার মতামত লিখুন