দেশের পরিবেশ রক্ষা, কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, সংস্থা ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানকে তাগিদ দিয়ে বলেন, টেকসই সমাধান নিশ্চিত করতে বিচ্ছিন্ন কোনো উদ্যোগ নয়, বরং সুপরিকল্পিত ও সম্মিলিত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে আয়োজিত মন্ত্রী পর্যায়ের মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পানি ও অন্যান্য দূষণরোধে এই সভার আয়োজন করা হয়।
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, ‘পরিবেশ দূষণ বর্তমানে দেশের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দাঁড়িয়েছে। অপরিকল্পিত নগরায়ন, দুর্বল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং নদী ও জলাশয়ে বর্জ্য ফেলার কারণে পরিবেশের ওপর মারাত্মক চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। বিশেষ করে একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক ও পলিথিনের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার এই সংকটকে আরও ঘনীভূত করছে।’
পরিবেশ রক্ষায় শুধু সরকারি উদ্যোগ যথেষ্ট নয় উল্লেখ করে মন্ত্রী আরও বলেন, ‘জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশবান্ধব আচরণ গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। ক্ষতিকর পলিথিনের ব্যবহার কমিয়ে বিকল্প পরিবেশবান্ধব উপকরণের ব্যবহার বাড়াতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।’
সভায় সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। তিনি পরিবেশ সংরক্ষণে তার মন্ত্রণালয়ের নেওয়া বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরে বলেন, পরিবেশ রক্ষায় সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কাজের সমন্বয় বাড়ানো এবং জনসচেতনতা তৈরির কোনো বিকল্প নেই।
মতবিনিময় সভায় পানি দূষণ প্রতিরোধ, কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নদ-নদী সংরক্ষণ এবং পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর পলিথিন নিয়ন্ত্রণসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সভায় বক্তারা টেকসই পরিবেশ নিশ্চিত করতে আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহিদুল হাসান এবং পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব শওকত রশীদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সভায় অংশ নেন।
সভায় বক্তারা বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, পানি ও পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং টেকসই পরিবেশ নিশ্চিত করতে আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় আরো শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ আগস্ট ২০২৬
দেশের পরিবেশ রক্ষা, কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, সংস্থা ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানকে তাগিদ দিয়ে বলেন, টেকসই সমাধান নিশ্চিত করতে বিচ্ছিন্ন কোনো উদ্যোগ নয়, বরং সুপরিকল্পিত ও সম্মিলিত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে আয়োজিত মন্ত্রী পর্যায়ের মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পানি ও অন্যান্য দূষণরোধে এই সভার আয়োজন করা হয়।
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, ‘পরিবেশ দূষণ বর্তমানে দেশের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দাঁড়িয়েছে। অপরিকল্পিত নগরায়ন, দুর্বল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং নদী ও জলাশয়ে বর্জ্য ফেলার কারণে পরিবেশের ওপর মারাত্মক চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। বিশেষ করে একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক ও পলিথিনের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার এই সংকটকে আরও ঘনীভূত করছে।’
পরিবেশ রক্ষায় শুধু সরকারি উদ্যোগ যথেষ্ট নয় উল্লেখ করে মন্ত্রী আরও বলেন, ‘জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশবান্ধব আচরণ গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। ক্ষতিকর পলিথিনের ব্যবহার কমিয়ে বিকল্প পরিবেশবান্ধব উপকরণের ব্যবহার বাড়াতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।’
সভায় সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। তিনি পরিবেশ সংরক্ষণে তার মন্ত্রণালয়ের নেওয়া বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরে বলেন, পরিবেশ রক্ষায় সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কাজের সমন্বয় বাড়ানো এবং জনসচেতনতা তৈরির কোনো বিকল্প নেই।
মতবিনিময় সভায় পানি দূষণ প্রতিরোধ, কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নদ-নদী সংরক্ষণ এবং পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর পলিথিন নিয়ন্ত্রণসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সভায় বক্তারা টেকসই পরিবেশ নিশ্চিত করতে আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহিদুল হাসান এবং পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব শওকত রশীদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সভায় অংশ নেন।
সভায় বক্তারা বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, পানি ও পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং টেকসই পরিবেশ নিশ্চিত করতে আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় আরো শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আপনার মতামত লিখুন