বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে অভিযান চালিয়ে প্রায় ২ কোটি ৭০ লাখ টাকা মূল্যের ৮৯ হাজার ৯১৬ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (১১ বিজিবি)। বুধবার (৫ আগস্ট) রাতে সদর ইউনিয়নের জারুলিয়াছড়ি এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়। তবে এ সময় কোনো পাচারকারীকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
বিজিবি সূত্র জানায়, নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নের (১১ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবিরের নির্দেশনায় আশারতলী বিওপির একটি বিশেষ টহল দল সীমান্ত এলাকায় নজরদারি বাড়ায়। রাত আনুমানিক ৯টার দিকে সীমান্ত পিলার ৪৬ থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার অভ্যন্তরে জারুলিয়াছড়ি এলাকায় কয়েকজন ব্যক্তিকে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। বিজিবি সদস্যরা তাদের ধাওয়া করলে চোরাকারবারিরা একটি ব্যাগ ফেলে পাশের গহীন জঙ্গলে পালিয়ে যান।
পরে ফেলে যাওয়া ব্যাগটি তল্লাশি করে ৯টি কার্টনে মোড়ানো ৮৯ হাজার ৯১৬ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে ৮৯ হাজার ১৬ পিস হলুদ রঙের এবং ৯০০ পিস সবুজ রঙের ইয়াবা ছিল। জব্দ করা এই মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য ২ কোটি ৬৯ লাখ ৭৪ হাজার ৮০০ টাকা।
নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নের (১১ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির বলেন, "মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের 'জিরো টলারেন্স' নীতি বাস্তবায়নে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সীমান্ত দিয়ে মাদক ও অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে আমাদের গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। যেকোনো মূল্যে সীমান্ত অপরাধ দমনে বিজিবি বদ্ধপরিকর।"
জব্দ করা ইয়াবাগুলো বর্তমানে বিজিবি হেফাজতে রয়েছে এবং পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ আগস্ট ২০২৬
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে অভিযান চালিয়ে প্রায় ২ কোটি ৭০ লাখ টাকা মূল্যের ৮৯ হাজার ৯১৬ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (১১ বিজিবি)। বুধবার (৫ আগস্ট) রাতে সদর ইউনিয়নের জারুলিয়াছড়ি এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়। তবে এ সময় কোনো পাচারকারীকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
বিজিবি সূত্র জানায়, নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নের (১১ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবিরের নির্দেশনায় আশারতলী বিওপির একটি বিশেষ টহল দল সীমান্ত এলাকায় নজরদারি বাড়ায়। রাত আনুমানিক ৯টার দিকে সীমান্ত পিলার ৪৬ থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার অভ্যন্তরে জারুলিয়াছড়ি এলাকায় কয়েকজন ব্যক্তিকে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। বিজিবি সদস্যরা তাদের ধাওয়া করলে চোরাকারবারিরা একটি ব্যাগ ফেলে পাশের গহীন জঙ্গলে পালিয়ে যান।
পরে ফেলে যাওয়া ব্যাগটি তল্লাশি করে ৯টি কার্টনে মোড়ানো ৮৯ হাজার ৯১৬ পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে ৮৯ হাজার ১৬ পিস হলুদ রঙের এবং ৯০০ পিস সবুজ রঙের ইয়াবা ছিল। জব্দ করা এই মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য ২ কোটি ৬৯ লাখ ৭৪ হাজার ৮০০ টাকা।
নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নের (১১ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির বলেন, "মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের 'জিরো টলারেন্স' নীতি বাস্তবায়নে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সীমান্ত দিয়ে মাদক ও অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে আমাদের গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। যেকোনো মূল্যে সীমান্ত অপরাধ দমনে বিজিবি বদ্ধপরিকর।"
জব্দ করা ইয়াবাগুলো বর্তমানে বিজিবি হেফাজতে রয়েছে এবং পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

আপনার মতামত লিখুন