মানিকগঞ্জের দৌলতপুরে এক সনাতন ধর্মাবলম্বী পরিবারের ফাঁকা বসতবাড়ি থেকে প্রায় ২ লাখ ৪২ হাজার টাকা মূল্যের কাঁসা ও পিতলের পূজার সামগ্রী চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় চুরির মালামাল উদ্ধারসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দৌলতপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন-দৌলতপুর এলাকার আব্দুর রহমান (৩৩) এবং টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার ধুপুরিয়া মুন্সিপাড়ার চঞ্চল হোসেন (৫০)। এ ছাড়া আলিফ হোসেন (১৭) নামে এক কিশোরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শিশু হওয়ায় তার ক্ষেত্রে শিশু আইনের প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, দৌলতপুরের হিন্দুপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মনোরঞ্জন সাহা (৫৭) পরিবার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রামে বসবাস করছেন। গ্রামের বাড়িতে নিয়মিত কেউ থাকেন না। গত ১৩ সেপ্টেম্বর তিনি প্রতিবেশী সুজন হালদার ও সাবিত্রী শীলকে বসতবাড়িটি পরিষ্কার করার জন্য অনুরোধ জানান। পরে ১৫ সেপ্টেম্বর তাঁরা বাড়ি পরিষ্কার করতে গিয়ে দেখতে পান ঘরের প্রধান দরজা খোলা। ভেতরে প্রবেশ করে দেখা যায়, সিলিংয়ের ওপর যত্নে রাখা কাঁসা ও পিতলের মূল্যবান পূজার যাবতীয় পাত্র উধাও।
বাড়ির মালিক মনোরঞ্জন সাহা জানান, চুরি হওয়া মালামালগুলো তাদের পারিবারিক ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং ঐতিহ্যবাহী ছিল।
পুলিশ জানায়, চুরির অভিযোগে গ্রেপ্তার আব্দুর রহমানের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে চঞ্চল হোসেনের একটি ভাঙারির দোকান থেকে কাঁসার ছয়টি লোটা, দুটি মাঝারি আকারের কাঁসার বাটি এবং একটি বড় আকারের কলস উদ্ধার করা হয়েছে।
এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) স্বপন কুমার সরকার বলেন, ‘চুরির ঘটনার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। উদ্ধার করা মালামাল ছাড়াও অবশিষ্ট চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধারে পুলিশের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।’

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মানিকগঞ্জের দৌলতপুরে এক সনাতন ধর্মাবলম্বী পরিবারের ফাঁকা বসতবাড়ি থেকে প্রায় ২ লাখ ৪২ হাজার টাকা মূল্যের কাঁসা ও পিতলের পূজার সামগ্রী চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় চুরির মালামাল উদ্ধারসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দৌলতপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন-দৌলতপুর এলাকার আব্দুর রহমান (৩৩) এবং টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার ধুপুরিয়া মুন্সিপাড়ার চঞ্চল হোসেন (৫০)। এ ছাড়া আলিফ হোসেন (১৭) নামে এক কিশোরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শিশু হওয়ায় তার ক্ষেত্রে শিশু আইনের প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, দৌলতপুরের হিন্দুপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মনোরঞ্জন সাহা (৫৭) পরিবার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রামে বসবাস করছেন। গ্রামের বাড়িতে নিয়মিত কেউ থাকেন না। গত ১৩ সেপ্টেম্বর তিনি প্রতিবেশী সুজন হালদার ও সাবিত্রী শীলকে বসতবাড়িটি পরিষ্কার করার জন্য অনুরোধ জানান। পরে ১৫ সেপ্টেম্বর তাঁরা বাড়ি পরিষ্কার করতে গিয়ে দেখতে পান ঘরের প্রধান দরজা খোলা। ভেতরে প্রবেশ করে দেখা যায়, সিলিংয়ের ওপর যত্নে রাখা কাঁসা ও পিতলের মূল্যবান পূজার যাবতীয় পাত্র উধাও।
বাড়ির মালিক মনোরঞ্জন সাহা জানান, চুরি হওয়া মালামালগুলো তাদের পারিবারিক ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং ঐতিহ্যবাহী ছিল।
পুলিশ জানায়, চুরির অভিযোগে গ্রেপ্তার আব্দুর রহমানের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে চঞ্চল হোসেনের একটি ভাঙারির দোকান থেকে কাঁসার ছয়টি লোটা, দুটি মাঝারি আকারের কাঁসার বাটি এবং একটি বড় আকারের কলস উদ্ধার করা হয়েছে।
এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) স্বপন কুমার সরকার বলেন, ‘চুরির ঘটনার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। উদ্ধার করা মালামাল ছাড়াও অবশিষ্ট চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধারে পুলিশের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।’

আপনার মতামত লিখুন