দেশের ফ্রেইট ফরওয়ার্ডিং খাতে শতভাগ বিদেশি মালিকানার সুযোগ দেওয়ার উদ্যোগ থেকে সরকার সরে না এলে আমদানি-রপ্তানি সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম বন্ধ করে কর্মবিরতিতে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন এ খাতের ব্যবসায়ীরা।
আজ রোববার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে এ হুঁশিয়ারি দেয় বাংলাদেশ ফ্রেইট ফরওয়ার্ডার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাফা)। সংগঠনটির দাবি, প্রস্তাবিত নতুন লাইসেন্সিং বিধিমালায় শতভাগ বিদেশি মালিকানার সুযোগ দেওয়া হলে দেশীয় ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা অসম প্রতিযোগিতার মুখে পড়বেন। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক ফ্রেইট থেকে অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার বড় অংশ বিদেশে চলে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হবে।
এর আগে সকালে প্রস্তাবিত খসড়া বিধিমালা নিয়ে এনবিআরের সঙ্গে বৈঠক করেন বাফার প্রতিনিধিরা। বৈঠক শেষে আগারগাঁওয়ে এনবিআর ভবনের মূল ফটকের সামনে অবস্থান ও বিক্ষোভ কর্মসূচিতে যোগ দেন দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা ফ্রেইট ফরওয়ার্ডার ও উদ্যোক্তারা।
সমাবেশে এমজিএইচ গ্রুপের শিপিং ও লজিস্টিকস বিভাগের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ ইকবাল আলী শিমুল বলেন, বাংলাদেশ প্রতিবছর আন্তর্জাতিক ফ্রেইট বাবদ অন্তত ৯ বিলিয়ন ডলার পরিশোধ করে। বর্তমানে দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলো এর মাত্র ৮ থেকে ১০ শতাংশ বৈদেশিক মুদ্রা দেশে রাখতে পারছে।
তাঁর হিসাবে, প্রয়োজনীয় নীতিসহায়তা পেলে এই হার প্রায় ২০ শতাংশে উন্নীত করা সম্ভব, যার পরিমাণ অন্তত ২ বিলিয়ন ডলার। কিন্তু শতভাগ বিদেশি মালিকানার সুযোগ দেওয়া হলে আন্তর্জাতিক চালান থেকে তৈরি হওয়া আয় ও মুনাফার আরও বড় অংশ দেশের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
বাফা নেতাদের আশঙ্কা, বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়ন্ত্রণ বাড়লে ফ্রেইট চার্জ, লভ্যাংশ প্রত্যাবাসন, হেড অফিস ব্যয় এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মধ্যকার আন্তঃলেনদেনের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা দেশের বাইরে চলে যাওয়ার সুযোগ বাড়তে পারে।
তাঁরা আরেকটি ঝুঁকির কথাও তুলে ধরেন। তাঁদের দাবি, আন্তর্জাতিক শিপিং লাইনের সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলো সরাসরি ফ্রেইট ফরওয়ার্ডিং লাইসেন্স পেলে একই ব্যবসায়িক গোষ্ঠীর হাতে শিপিং ও ফরওয়ার্ডিং উভয় পর্যায়ের নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রীভূত হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।
সৈয়দ ইকবাল আলী শিমুল বলেন, এর ফলে ফ্রেইট রেট ও কনটেইনার চার্জ নির্ধারণে স্থানীয় আমদানিকারক ও রপ্তানিকারকদের দরকষাকষির সক্ষমতা কমে যেতে পারে। এর প্রভাব তৈরি পোশাকসহ দেশের রপ্তানিমুখী শিল্পের ওপর পড়বে বলে তাঁর আশঙ্কা।
সমাবেশে বাফার সাবেক সভাপতি কবির আহমেদ দেশের ফ্রেইট ফরওয়ার্ডিং বাজারে ব্যবসা বণ্টনের বড় ধরনের বৈষম্যের দাবি করেন। তিনি বলেন, দেশে সক্রিয় প্রায় ১,৩০০ ফ্রেইট ফরওয়ার্ডিং প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শতভাগ বিদেশি ও যৌথ মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানসহ মাত্র ২০ থেকে ২৫টি কোম্পানির হাতে বাজারের প্রায় ৯৫ শতাংশ ব্যবসা রয়েছে। বিপরীতে ১,২৫০টির বেশি দেশীয় ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানকে বাকি প্রায় ৫ শতাংশ ব্যবসা নিয়ে প্রতিযোগিতা করতে হচ্ছে।
বাফা নেতারা বলেন, ফ্রেইট ফরওয়ার্ডিং ভারী মূলধননির্ভর শিল্প নয়। এটি মূলত নেটওয়ার্ক ও সেবানির্ভর ব্যবসা। ফলে সীমিত মূলধনের দেশীয় প্রতিষ্ঠানের বিপরীতে বহুজাতিক কোম্পানিকে শতভাগ মালিকানায় ব্যবসার সুযোগ দেওয়া হলে প্রতিযোগিতার ভারসাম্য আরও নষ্ট হবে।
তাঁদের দাবি, এই খাতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে লক্ষাধিক মানুষের কর্মসংস্থান রয়েছে। বিদেশি প্রতিষ্ঠানের জন্য বাজার পুরোপুরি উন্মুক্ত হলে বিশেষ করে স্থানীয় এসএমই উদ্যোক্তাদের টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়বে।
প্রস্তাবিত পরিবর্তন নিয়ে আইনি প্রশ্নও তুলেছেন বাফা নেতারা। তাঁদের ভাষ্য অনুযায়ী, বর্তমানে কার্যকর বিধিমালায় যৌথ উদ্যোগের ক্ষেত্রে ন্যূনতম ৬০ শতাংশ দেশীয় এবং সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ বিদেশি মালিকানা রাখার বিধান রয়েছে।
বাফার অভিযোগ, যথাযথ নিয়ন্ত্রক প্রভাব বিশ্লেষণ এবং খাতের প্রতিনিধিদের সঙ্গে পর্যাপ্ত আলোচনা ছাড়াই এই সুরক্ষা তুলে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সংগঠনটি আরও বলেছে, ২০১৫ সালের আগে কার্যক্রম শুরু করা শতভাগ বিদেশি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স নবায়নসংক্রান্ত একটি বিষয় উচ্চ আদালতে বিচারাধীন। ফলে ওই মামলার নিষ্পত্তির আগে সংশ্লিষ্ট বিধি পরিবর্তন না করার দাবি জানিয়েছে তারা।
সমাবেশ থেকে বাফা চারটি দাবি জানায়। এগুলো হলো, প্রস্তাবিত খসড়ায় শতভাগ বিদেশি মালিকানার সুযোগ না দিয়ে বিদ্যমান ৬০:৪০ মালিকানা অনুপাত বহাল রাখা, পরিচালনা পর্ষদের ভোটাধিকার, শেয়ার ও লভ্যাংশ বণ্টনে দেশীয় উদ্যোক্তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করা, উচ্চ আদালতে বিচারাধীন মামলার নিষ্পত্তির আগে বিধি-৬ পরিবর্তন না করা এবং বিদেশি অংশগ্রহণ ভারী অবকাঠামো ও প্রযুক্তিনির্ভর খাতে নির্দিষ্ট মূলধনি শর্তে যৌথ উদ্যোগের মধ্যে সীমিত রাখা।
সমাবেশের শেষ দিকে বাফার সভাপতি আরিফুল হাসান বলেন, সরকার প্রস্তাবটি প্রত্যাহার না করলে সংগঠনটি আরও কঠোর কর্মসূচিতে যাবে।
তিনি বলেন, “জাতীয় স্বার্থ ও দেশীয় অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব রক্ষায় অবিলম্বে এই প্রস্তাব প্রত্যাহার করা না হলে আমদানি-রপ্তানি সংশ্লিষ্ট সমস্ত কার্যক্রম বন্ধ করে হলেও এসএমই খাতের হাজার হাজার উদ্যোক্তাকে বাঁচাতে আমরা কর্মবিরতিতে যেতে বাধ্য হব।

রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দেশের ফ্রেইট ফরওয়ার্ডিং খাতে শতভাগ বিদেশি মালিকানার সুযোগ দেওয়ার উদ্যোগ থেকে সরকার সরে না এলে আমদানি-রপ্তানি সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম বন্ধ করে কর্মবিরতিতে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন এ খাতের ব্যবসায়ীরা।
আজ রোববার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে এ হুঁশিয়ারি দেয় বাংলাদেশ ফ্রেইট ফরওয়ার্ডার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাফা)। সংগঠনটির দাবি, প্রস্তাবিত নতুন লাইসেন্সিং বিধিমালায় শতভাগ বিদেশি মালিকানার সুযোগ দেওয়া হলে দেশীয় ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা অসম প্রতিযোগিতার মুখে পড়বেন। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক ফ্রেইট থেকে অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার বড় অংশ বিদেশে চলে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হবে।
এর আগে সকালে প্রস্তাবিত খসড়া বিধিমালা নিয়ে এনবিআরের সঙ্গে বৈঠক করেন বাফার প্রতিনিধিরা। বৈঠক শেষে আগারগাঁওয়ে এনবিআর ভবনের মূল ফটকের সামনে অবস্থান ও বিক্ষোভ কর্মসূচিতে যোগ দেন দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা ফ্রেইট ফরওয়ার্ডার ও উদ্যোক্তারা।
সমাবেশে এমজিএইচ গ্রুপের শিপিং ও লজিস্টিকস বিভাগের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ ইকবাল আলী শিমুল বলেন, বাংলাদেশ প্রতিবছর আন্তর্জাতিক ফ্রেইট বাবদ অন্তত ৯ বিলিয়ন ডলার পরিশোধ করে। বর্তমানে দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলো এর মাত্র ৮ থেকে ১০ শতাংশ বৈদেশিক মুদ্রা দেশে রাখতে পারছে।
তাঁর হিসাবে, প্রয়োজনীয় নীতিসহায়তা পেলে এই হার প্রায় ২০ শতাংশে উন্নীত করা সম্ভব, যার পরিমাণ অন্তত ২ বিলিয়ন ডলার। কিন্তু শতভাগ বিদেশি মালিকানার সুযোগ দেওয়া হলে আন্তর্জাতিক চালান থেকে তৈরি হওয়া আয় ও মুনাফার আরও বড় অংশ দেশের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
বাফা নেতাদের আশঙ্কা, বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়ন্ত্রণ বাড়লে ফ্রেইট চার্জ, লভ্যাংশ প্রত্যাবাসন, হেড অফিস ব্যয় এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মধ্যকার আন্তঃলেনদেনের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা দেশের বাইরে চলে যাওয়ার সুযোগ বাড়তে পারে।
তাঁরা আরেকটি ঝুঁকির কথাও তুলে ধরেন। তাঁদের দাবি, আন্তর্জাতিক শিপিং লাইনের সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলো সরাসরি ফ্রেইট ফরওয়ার্ডিং লাইসেন্স পেলে একই ব্যবসায়িক গোষ্ঠীর হাতে শিপিং ও ফরওয়ার্ডিং উভয় পর্যায়ের নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রীভূত হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।
সৈয়দ ইকবাল আলী শিমুল বলেন, এর ফলে ফ্রেইট রেট ও কনটেইনার চার্জ নির্ধারণে স্থানীয় আমদানিকারক ও রপ্তানিকারকদের দরকষাকষির সক্ষমতা কমে যেতে পারে। এর প্রভাব তৈরি পোশাকসহ দেশের রপ্তানিমুখী শিল্পের ওপর পড়বে বলে তাঁর আশঙ্কা।
সমাবেশে বাফার সাবেক সভাপতি কবির আহমেদ দেশের ফ্রেইট ফরওয়ার্ডিং বাজারে ব্যবসা বণ্টনের বড় ধরনের বৈষম্যের দাবি করেন। তিনি বলেন, দেশে সক্রিয় প্রায় ১,৩০০ ফ্রেইট ফরওয়ার্ডিং প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শতভাগ বিদেশি ও যৌথ মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানসহ মাত্র ২০ থেকে ২৫টি কোম্পানির হাতে বাজারের প্রায় ৯৫ শতাংশ ব্যবসা রয়েছে। বিপরীতে ১,২৫০টির বেশি দেশীয় ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানকে বাকি প্রায় ৫ শতাংশ ব্যবসা নিয়ে প্রতিযোগিতা করতে হচ্ছে।
বাফা নেতারা বলেন, ফ্রেইট ফরওয়ার্ডিং ভারী মূলধননির্ভর শিল্প নয়। এটি মূলত নেটওয়ার্ক ও সেবানির্ভর ব্যবসা। ফলে সীমিত মূলধনের দেশীয় প্রতিষ্ঠানের বিপরীতে বহুজাতিক কোম্পানিকে শতভাগ মালিকানায় ব্যবসার সুযোগ দেওয়া হলে প্রতিযোগিতার ভারসাম্য আরও নষ্ট হবে।
তাঁদের দাবি, এই খাতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে লক্ষাধিক মানুষের কর্মসংস্থান রয়েছে। বিদেশি প্রতিষ্ঠানের জন্য বাজার পুরোপুরি উন্মুক্ত হলে বিশেষ করে স্থানীয় এসএমই উদ্যোক্তাদের টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়বে।
প্রস্তাবিত পরিবর্তন নিয়ে আইনি প্রশ্নও তুলেছেন বাফা নেতারা। তাঁদের ভাষ্য অনুযায়ী, বর্তমানে কার্যকর বিধিমালায় যৌথ উদ্যোগের ক্ষেত্রে ন্যূনতম ৬০ শতাংশ দেশীয় এবং সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ বিদেশি মালিকানা রাখার বিধান রয়েছে।
বাফার অভিযোগ, যথাযথ নিয়ন্ত্রক প্রভাব বিশ্লেষণ এবং খাতের প্রতিনিধিদের সঙ্গে পর্যাপ্ত আলোচনা ছাড়াই এই সুরক্ষা তুলে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সংগঠনটি আরও বলেছে, ২০১৫ সালের আগে কার্যক্রম শুরু করা শতভাগ বিদেশি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স নবায়নসংক্রান্ত একটি বিষয় উচ্চ আদালতে বিচারাধীন। ফলে ওই মামলার নিষ্পত্তির আগে সংশ্লিষ্ট বিধি পরিবর্তন না করার দাবি জানিয়েছে তারা।
সমাবেশ থেকে বাফা চারটি দাবি জানায়। এগুলো হলো, প্রস্তাবিত খসড়ায় শতভাগ বিদেশি মালিকানার সুযোগ না দিয়ে বিদ্যমান ৬০:৪০ মালিকানা অনুপাত বহাল রাখা, পরিচালনা পর্ষদের ভোটাধিকার, শেয়ার ও লভ্যাংশ বণ্টনে দেশীয় উদ্যোক্তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করা, উচ্চ আদালতে বিচারাধীন মামলার নিষ্পত্তির আগে বিধি-৬ পরিবর্তন না করা এবং বিদেশি অংশগ্রহণ ভারী অবকাঠামো ও প্রযুক্তিনির্ভর খাতে নির্দিষ্ট মূলধনি শর্তে যৌথ উদ্যোগের মধ্যে সীমিত রাখা।
সমাবেশের শেষ দিকে বাফার সভাপতি আরিফুল হাসান বলেন, সরকার প্রস্তাবটি প্রত্যাহার না করলে সংগঠনটি আরও কঠোর কর্মসূচিতে যাবে।
তিনি বলেন, “জাতীয় স্বার্থ ও দেশীয় অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব রক্ষায় অবিলম্বে এই প্রস্তাব প্রত্যাহার করা না হলে আমদানি-রপ্তানি সংশ্লিষ্ট সমস্ত কার্যক্রম বন্ধ করে হলেও এসএমই খাতের হাজার হাজার উদ্যোক্তাকে বাঁচাতে আমরা কর্মবিরতিতে যেতে বাধ্য হব।

আপনার মতামত লিখুন