সংবাদ

প্ল্যাটফর্মে ট্রেনের ধাক্কায় পা বিচ্ছিন্ন, অতঃপর মৃত্যু


সোহেল সাশ্রু, ভৈরব (কিশোরগঞ্জ)
সোহেল সাশ্রু, ভৈরব (কিশোরগঞ্জ)
প্রকাশ: ৯ আগস্ট ২০২৬, ১১:৫০ এএম

প্ল্যাটফর্মে ট্রেনের ধাক্কায় পা বিচ্ছিন্ন, অতঃপর মৃত্যু
ছবি : সংগৃহীত

কিশোরগঞ্জের ভৈরব রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেনে কাটা পড়ে মরিয়ম বেগম (৪৫) নামের এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (৮ আগস্ট) রাত ১১টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয় বলে নিশ্চিত করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মমিনুর রহমান রবিন।

মরিয়ম বেগম তাড়াইল উপজেলার বাওয়াল এলাকার মুন্সিবাড়ির মাহবুব আলমের স্ত্রী এবং বাজিতপুর থানার আইনরিগ্রুপ এলাকার আবদুল আলীর মেয়ে।

স্থানীয়রা ও রেলওয়ে পুলিশ জানায়, শনিবার (৮ আগস্ট) রাতে ভৈরব থানা পুলিশ স্টেশনের ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে একটি দোকানে অভিযান চালাচ্ছিল, যা দেখতে সেখানে ভিড় জমে। ভিড়ের মধ্যে প্ল্যাটফর্ম ঘেঁষে দাঁড়িয়ে ছিলেন মরিয়ম বেগম, যিনি কিশোরগঞ্জ যাওয়ার জন্য এগারসিন্দুর ট্রেনের অপেক্ষায় ছিলেন। রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা থেকে আসা আখাউড়াগামী তিতাস কমিউটার ট্রেন স্টেশনে প্রবেশ করার সময় ধাক্কায় তিনি রেললাইনে পড়ে যান এবং তার একটি পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

স্থানীয়রা ও থানা পুলিশের সহায়তায় তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। প্রাথমিক চিকিৎসার পর ঢাকায় রেফার করা হলেও নেওয়ার প্রস্তুতির মধ্যেই তার মৃত্যু হয়।

নিহতের বোনজামাই আমির হোসেন জানান, মরিয়ম বেগমের পাঁচ ছেলে সন্তান রয়েছে। তার স্বামী সিএনজিচালক, ১৫ দিন আগে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হন। গাড়ি মেরামতের জন্য স্বর্ণালংকার বিক্রি ও কিস্তিতে ঋণ নিয়েছিলেন তিনি। কিস্তির টাকা জোগাড়ে কিছু গয়না বন্ধক রাখতে তিনি কিশোরগঞ্জ যাচ্ছিলেন।

ভৈরব রেলওয়ে থানার ওসি রফিকুল হাসান বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে এবং নিহতের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ০৯ আগস্ট ২০২৬


প্ল্যাটফর্মে ট্রেনের ধাক্কায় পা বিচ্ছিন্ন, অতঃপর মৃত্যু

প্রকাশের তারিখ : ০৯ আগস্ট ২০২৬

featured Image

কিশোরগঞ্জের ভৈরব রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেনে কাটা পড়ে মরিয়ম বেগম (৪৫) নামের এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (৮ আগস্ট) রাত ১১টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয় বলে নিশ্চিত করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মমিনুর রহমান রবিন।

মরিয়ম বেগম তাড়াইল উপজেলার বাওয়াল এলাকার মুন্সিবাড়ির মাহবুব আলমের স্ত্রী এবং বাজিতপুর থানার আইনরিগ্রুপ এলাকার আবদুল আলীর মেয়ে।

স্থানীয়রা ও রেলওয়ে পুলিশ জানায়, শনিবার (৮ আগস্ট) রাতে ভৈরব থানা পুলিশ স্টেশনের ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে একটি দোকানে অভিযান চালাচ্ছিল, যা দেখতে সেখানে ভিড় জমে। ভিড়ের মধ্যে প্ল্যাটফর্ম ঘেঁষে দাঁড়িয়ে ছিলেন মরিয়ম বেগম, যিনি কিশোরগঞ্জ যাওয়ার জন্য এগারসিন্দুর ট্রেনের অপেক্ষায় ছিলেন। রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা থেকে আসা আখাউড়াগামী তিতাস কমিউটার ট্রেন স্টেশনে প্রবেশ করার সময় ধাক্কায় তিনি রেললাইনে পড়ে যান এবং তার একটি পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

স্থানীয়রা ও থানা পুলিশের সহায়তায় তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। প্রাথমিক চিকিৎসার পর ঢাকায় রেফার করা হলেও নেওয়ার প্রস্তুতির মধ্যেই তার মৃত্যু হয়।

নিহতের বোনজামাই আমির হোসেন জানান, মরিয়ম বেগমের পাঁচ ছেলে সন্তান রয়েছে। তার স্বামী সিএনজিচালক, ১৫ দিন আগে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হন। গাড়ি মেরামতের জন্য স্বর্ণালংকার বিক্রি ও কিস্তিতে ঋণ নিয়েছিলেন তিনি। কিস্তির টাকা জোগাড়ে কিছু গয়না বন্ধক রাখতে তিনি কিশোরগঞ্জ যাচ্ছিলেন।

ভৈরব রেলওয়ে থানার ওসি রফিকুল হাসান বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে এবং নিহতের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত