চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন। রোববার (৯ আগস্ট) সকালে তিনি এই পরিদর্শন সম্পন্ন করেন।
পরিদর্শনকালে তিনি হাসপাতালের চিকিৎসাসেবার মান পর্যবেক্ষণ, ডাক্তার-নার্সদের হাজিরা খাতা তল্লাশি এবং চিকিৎসাধীন রোগীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় ও তাদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।
হাসপাতালের প্রশাসনিক ও সেবামূলক কার্যক্রমে নানা অনিয়ম এবং চিকিৎসকদের অনুপস্থিতি দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এ সময় তিনি মোবাইল ফোনে এক ঘণ্টার মধ্যে চাঁদপুর জেলার সিভিল সার্জনকে বদলি ও সরিয়ে দেওয়ার কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেন।
পরিদর্শন শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাইমচরবাসীর চিকিৎসাসেবার দীর্ঘদিনের দুর্দশা নিরসনে একগুচ্ছ বড় ঘোষণা দেন। তিনি জানান, হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০০ শয্যায় উন্নীতকরণ এবং দ্রুত নতুন আধুনিক ভবন নির্মাণ করা হবে। একই সঙ্গে নদীবেষ্টিত দুর্গম চর অঞ্চলের রোগীদের জরুরি স্থানান্তরের জন্য তাৎক্ষণিকভাবে ‘ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্স’ চালুর আশ্বাস দেন। এছাড়া হাসপাতালের সামনে গড়ে ওঠা অনুমোদনহীন ও অবৈধ ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা হিসেবে সেগুলো বন্ধের নির্দেশ দেন।
পরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী চাঁদপুর শহরের আড়াইশ শয্যা চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি সেখানে সার্বিক চিকিৎসা ব্যবস্থার খোঁজখবর নেন এবং রোগীদের খাবার খেয়ে দেখেন।
পরিদর্শনকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক, চাঁদপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সলিমুল্লাহ সেলিম এবং হাইমচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমিত রায়।
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর এই কড়া পদক্ষেপ ও তাৎক্ষণিক দিকনির্দেশনায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় ভুক্তভোগী রোগীরা। স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করতে এমন ঝটিকা অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

রোববার, ০৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ আগস্ট ২০২৬
চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন। রোববার (৯ আগস্ট) সকালে তিনি এই পরিদর্শন সম্পন্ন করেন।
পরিদর্শনকালে তিনি হাসপাতালের চিকিৎসাসেবার মান পর্যবেক্ষণ, ডাক্তার-নার্সদের হাজিরা খাতা তল্লাশি এবং চিকিৎসাধীন রোগীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় ও তাদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।
হাসপাতালের প্রশাসনিক ও সেবামূলক কার্যক্রমে নানা অনিয়ম এবং চিকিৎসকদের অনুপস্থিতি দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এ সময় তিনি মোবাইল ফোনে এক ঘণ্টার মধ্যে চাঁদপুর জেলার সিভিল সার্জনকে বদলি ও সরিয়ে দেওয়ার কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেন।
পরিদর্শন শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাইমচরবাসীর চিকিৎসাসেবার দীর্ঘদিনের দুর্দশা নিরসনে একগুচ্ছ বড় ঘোষণা দেন। তিনি জানান, হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০০ শয্যায় উন্নীতকরণ এবং দ্রুত নতুন আধুনিক ভবন নির্মাণ করা হবে। একই সঙ্গে নদীবেষ্টিত দুর্গম চর অঞ্চলের রোগীদের জরুরি স্থানান্তরের জন্য তাৎক্ষণিকভাবে ‘ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্স’ চালুর আশ্বাস দেন। এছাড়া হাসপাতালের সামনে গড়ে ওঠা অনুমোদনহীন ও অবৈধ ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা হিসেবে সেগুলো বন্ধের নির্দেশ দেন।
পরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী চাঁদপুর শহরের আড়াইশ শয্যা চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি সেখানে সার্বিক চিকিৎসা ব্যবস্থার খোঁজখবর নেন এবং রোগীদের খাবার খেয়ে দেখেন।
পরিদর্শনকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক, চাঁদপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সলিমুল্লাহ সেলিম এবং হাইমচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমিত রায়।
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর এই কড়া পদক্ষেপ ও তাৎক্ষণিক দিকনির্দেশনায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় ভুক্তভোগী রোগীরা। স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করতে এমন ঝটিকা অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন