সংবাদ

সম্ভাবনা ও সংকট নিয়ে চলছে ফরিদপুরের সরকারি দুগ্ধ খামার


প্রতিনিধি, ফরিদপুর
প্রতিনিধি, ফরিদপুর
প্রকাশ: ২৩ আগস্ট ২০২৬, ১২:৫০ পিএম

সম্ভাবনা ও সংকট নিয়ে চলছে ফরিদপুরের সরকারি দুগ্ধ খামার
ফরিদপুরের তালমায় ১৫৫ একর জমিতে সরকারি দুগ্ধ খামার। ছবি : সংবাদ

ফরিদপুর শহর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে নগরকান্দা উপজেলার তালমা মোড়। এখানেই ১৫৫ একর জায়গাজুড়ে বিস্তৃত জেলার একমাত্র সরকারি দুগ্ধ ও গবাদিপশু উন্নয়ন খামার। ১৯৮৫-৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি এখন এলাকার দুগ্ধ উৎপাদন ও গবাদিপশুর জাত উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তবে সাফল্যের পাশাপাশি অবকাঠামো ও নানা সংকটে খুঁড়িয়ে চলছে এই বিশাল খামার।

খামার সূত্রে জানা যায়, গবাদিপশুর উন্নত জাত তৈরি, সাধারণ মানুষের কাছে ন্যায্যমূল্যে খাঁটি দুধ পৌঁছে দেওয়া এবং উন্নত জাতের ঘাস চাষ সম্প্রসারণই এই খামারের মূল লক্ষ্য। খামারে উৎপাদিত ঘাসের কাটিং খামারিদের মধ্যে বিনা মূল্যে বা নামমাত্র মূল্যে বিতরণ করা হয়। এ ছাড়া স্থানীয় বেকার যুবক, ছাত্র-ছাত্রী ও এনজিও কর্মীদের গবাদিপশু পালনে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দিচ্ছে এই প্রতিষ্ঠানটি। কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে জাত উন্নয়নের পরামর্শ দিয়ে ব্যক্তি পর্যায়ে খামার স্থাপনেও উৎসাহ দিচ্ছে তারা।

খামারের উপপরিচালক মো. ইসমাইল হোসেন জানান, বর্তমানে ৬৭ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়ে খামারটি পরিচালিত হচ্ছে। তবে বেশ কিছু সমস্যার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘খামারের সীমানা প্রাচীর সংস্কার অত্যন্ত জরুরি। এ ছাড়া উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থা, পুরোনো ভবনগুলোর সংস্কার, কর্মচারীদের আবাসন এবং অভ্যন্তরীণ বিদ্যুৎ লাইনের আধুনিকায়ন প্রয়োজন। এসব সমস্যার সমাধান হলে খামারটির কার্যকারিতা আরও বাড়বে।’

এদিকে খামারের কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এলাকাবাসীর মতে, বর্তমান উপপরিচালকের দক্ষতায় খামারটির শৃঙ্খলায় পরিবর্তন এসেছে। যেকোনো প্রয়োজনে স্থানীয়রা খামারে গেলে তাকে পাশে পাচ্ছেন। খামারিদের সুপরামর্শ দেওয়া থেকে শুরু করে বিভিন্ন সমস্যায় তিনি আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করছেন বলে জানান স্থানীয়রা।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬


সম্ভাবনা ও সংকট নিয়ে চলছে ফরিদপুরের সরকারি দুগ্ধ খামার

প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৬

featured Image

ফরিদপুর শহর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে নগরকান্দা উপজেলার তালমা মোড়। এখানেই ১৫৫ একর জায়গাজুড়ে বিস্তৃত জেলার একমাত্র সরকারি দুগ্ধ ও গবাদিপশু উন্নয়ন খামার। ১৯৮৫-৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি এখন এলাকার দুগ্ধ উৎপাদন ও গবাদিপশুর জাত উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তবে সাফল্যের পাশাপাশি অবকাঠামো ও নানা সংকটে খুঁড়িয়ে চলছে এই বিশাল খামার।

খামার সূত্রে জানা যায়, গবাদিপশুর উন্নত জাত তৈরি, সাধারণ মানুষের কাছে ন্যায্যমূল্যে খাঁটি দুধ পৌঁছে দেওয়া এবং উন্নত জাতের ঘাস চাষ সম্প্রসারণই এই খামারের মূল লক্ষ্য। খামারে উৎপাদিত ঘাসের কাটিং খামারিদের মধ্যে বিনা মূল্যে বা নামমাত্র মূল্যে বিতরণ করা হয়। এ ছাড়া স্থানীয় বেকার যুবক, ছাত্র-ছাত্রী ও এনজিও কর্মীদের গবাদিপশু পালনে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দিচ্ছে এই প্রতিষ্ঠানটি। কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে জাত উন্নয়নের পরামর্শ দিয়ে ব্যক্তি পর্যায়ে খামার স্থাপনেও উৎসাহ দিচ্ছে তারা।

খামারের উপপরিচালক মো. ইসমাইল হোসেন জানান, বর্তমানে ৬৭ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়ে খামারটি পরিচালিত হচ্ছে। তবে বেশ কিছু সমস্যার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘খামারের সীমানা প্রাচীর সংস্কার অত্যন্ত জরুরি। এ ছাড়া উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থা, পুরোনো ভবনগুলোর সংস্কার, কর্মচারীদের আবাসন এবং অভ্যন্তরীণ বিদ্যুৎ লাইনের আধুনিকায়ন প্রয়োজন। এসব সমস্যার সমাধান হলে খামারটির কার্যকারিতা আরও বাড়বে।’

এদিকে খামারের কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এলাকাবাসীর মতে, বর্তমান উপপরিচালকের দক্ষতায় খামারটির শৃঙ্খলায় পরিবর্তন এসেছে। যেকোনো প্রয়োজনে স্থানীয়রা খামারে গেলে তাকে পাশে পাচ্ছেন। খামারিদের সুপরামর্শ দেওয়া থেকে শুরু করে বিভিন্ন সমস্যায় তিনি আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করছেন বলে জানান স্থানীয়রা।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত