কিশোরগঞ্জের ভৈরবে আগুনে দুই প্রবাসীর পরিবারসহ পাঁচটি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়েছে। এ সময় ঘরে থাকা নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার পুড়ে গেছে। আগুনে খাইরুন নেছা নামের এক নারী আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার আগানগর ইউনিয়নের শ্যামপুর মধ্যপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের চেষ্টায় দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আগুনের তীব্রতা বেশি হওয়ায় একটি ঘর থেকে পাশের ঘরগুলোতে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এতে সৌদি আরবপ্রবাসী জিল্লু মিয়া ও তার ভাই দিলু মিয়ার বসতঘরসহ পাঁচটি ঘর পুড়ে যায়। আগুনে প্রায় আট ভরি স্বর্ণালংকার পুড়ে গেছে বলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।
এ ছাড়া মুক্তার মিয়ার বসতঘরে থাকা ২২ লাখ টাকা নগদসহ হিরণ মিয়া ও রবিন মিয়ার ঘরের মালামাল পুড়ে গেছে। তবে স্থানীয়দের চেষ্টায় ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে বলে জানা গেছে।
ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, তার বোনের শ্বশুরবাড়িসহ পাঁচটি ঘর আগুনে পুড়ে গেছে। স্বর্ণালংকার উদ্ধারের চেষ্টা করতে গিয়ে তার বোনের হাতে আগুন লেগে তিনি দগ্ধ হন। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
জাহাঙ্গীর হোসেনের ভাষ্য, মুক্তার মিয়ার ঘরের বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এতে তার ঘরে থাকা ২২ লাখ টাকা পুড়ে গেছে। শ্যামপুরের সঙ্গে পাশের গ্রামের সড়ক যোগাযোগ না থাকায় ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারেনি।
ভৈরব বাজার ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মকর্তা মো. আল আমিন বলেন, শ্যামপুর গ্রামে আগুন লাগার খবর তারা পাননি। খবর পেলে সড়কপথে যাওয়া সম্ভব না হলেও নৌপথে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যেত।

বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ আগস্ট ২০২৬
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে আগুনে দুই প্রবাসীর পরিবারসহ পাঁচটি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়েছে। এ সময় ঘরে থাকা নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার পুড়ে গেছে। আগুনে খাইরুন নেছা নামের এক নারী আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার আগানগর ইউনিয়নের শ্যামপুর মধ্যপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের চেষ্টায় দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আগুনের তীব্রতা বেশি হওয়ায় একটি ঘর থেকে পাশের ঘরগুলোতে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এতে সৌদি আরবপ্রবাসী জিল্লু মিয়া ও তার ভাই দিলু মিয়ার বসতঘরসহ পাঁচটি ঘর পুড়ে যায়। আগুনে প্রায় আট ভরি স্বর্ণালংকার পুড়ে গেছে বলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।
এ ছাড়া মুক্তার মিয়ার বসতঘরে থাকা ২২ লাখ টাকা নগদসহ হিরণ মিয়া ও রবিন মিয়ার ঘরের মালামাল পুড়ে গেছে। তবে স্থানীয়দের চেষ্টায় ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে বলে জানা গেছে।
ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, তার বোনের শ্বশুরবাড়িসহ পাঁচটি ঘর আগুনে পুড়ে গেছে। স্বর্ণালংকার উদ্ধারের চেষ্টা করতে গিয়ে তার বোনের হাতে আগুন লেগে তিনি দগ্ধ হন। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
জাহাঙ্গীর হোসেনের ভাষ্য, মুক্তার মিয়ার ঘরের বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এতে তার ঘরে থাকা ২২ লাখ টাকা পুড়ে গেছে। শ্যামপুরের সঙ্গে পাশের গ্রামের সড়ক যোগাযোগ না থাকায় ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারেনি।
ভৈরব বাজার ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মকর্তা মো. আল আমিন বলেন, শ্যামপুর গ্রামে আগুন লাগার খবর তারা পাননি। খবর পেলে সড়কপথে যাওয়া সম্ভব না হলেও নৌপথে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যেত।

আপনার মতামত লিখুন