সোমবার (৩১ আগস্ট) সকালে সংসদ ভবনে স্পিকারের কার্যালয়ে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন ইন্টার-পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (আইপিইউ) মহাসচিব মিজ অ্যান্ডা ফিলিপের (মার্টিন অ্যান্ডারসন) নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদল।
এসময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেন, এ দেশের মানুষ জন্মগতভাবেই গণতন্ত্রকামী এবং তারা কখনো স্বৈরাচারী শাসন মেনে নেয়নি। অধিকার আদায় ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য এ দেশের জনগণ বারবার নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছে।
সাক্ষাৎকালে স্পিকার বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে দেশ স্বাধীন হলেও প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা পেতে সময় লেগেছে। শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাত ধরেই এ দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের সূচনা হয়। তিনি ২০০৮ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত অনুষ্ঠিত নির্বাচনগুলোকে ‘প্রহসন’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে বাংলাদেশে স্বৈরাচারের অবসান ঘটেছে। বর্তমান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটিয়ে দায়িত্ব পালন করছে।
আইপিইউ মহাসচিব মিজ অ্যান্ডা ফিলিপ বলেন, বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে জনগণের দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষা পূরণ হয়েছে। সংসদীয় গণতন্ত্র ও প্রয়োজনীয় সংস্কারের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী ও কার্যকর সংসদ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। তিনি আরও বলেন, বর্তমান সংস্কার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে আমাদের দায়বদ্ধতা নিশ্চিত হবে।
বৈঠকে দুই পক্ষ জাতিসংঘে বাংলাদেশের ভূমিকা, আন্তর্জাতিক আদালতে সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত মামলার নিষ্পত্তি এবং সংসদীয় কূটনীতিসহ বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় বিষয়ে আলোচনা করেন। এ সময় জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, চিফ হুইপ মো. নুরুল ইসলাম এবং সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
/

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬
সোমবার (৩১ আগস্ট) সকালে সংসদ ভবনে স্পিকারের কার্যালয়ে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন ইন্টার-পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (আইপিইউ) মহাসচিব মিজ অ্যান্ডা ফিলিপের (মার্টিন অ্যান্ডারসন) নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদল।
এসময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেন, এ দেশের মানুষ জন্মগতভাবেই গণতন্ত্রকামী এবং তারা কখনো স্বৈরাচারী শাসন মেনে নেয়নি। অধিকার আদায় ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য এ দেশের জনগণ বারবার নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছে।
সাক্ষাৎকালে স্পিকার বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে দেশ স্বাধীন হলেও প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা পেতে সময় লেগেছে। শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাত ধরেই এ দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের সূচনা হয়। তিনি ২০০৮ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত অনুষ্ঠিত নির্বাচনগুলোকে ‘প্রহসন’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে বাংলাদেশে স্বৈরাচারের অবসান ঘটেছে। বর্তমান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটিয়ে দায়িত্ব পালন করছে।
আইপিইউ মহাসচিব মিজ অ্যান্ডা ফিলিপ বলেন, বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে জনগণের দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষা পূরণ হয়েছে। সংসদীয় গণতন্ত্র ও প্রয়োজনীয় সংস্কারের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী ও কার্যকর সংসদ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। তিনি আরও বলেন, বর্তমান সংস্কার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে আমাদের দায়বদ্ধতা নিশ্চিত হবে।
বৈঠকে দুই পক্ষ জাতিসংঘে বাংলাদেশের ভূমিকা, আন্তর্জাতিক আদালতে সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত মামলার নিষ্পত্তি এবং সংসদীয় কূটনীতিসহ বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় বিষয়ে আলোচনা করেন। এ সময় জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, চিফ হুইপ মো. নুরুল ইসলাম এবং সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
/

আপনার মতামত লিখুন