সংবাদ

বেপরোয়া গতি থামাতে কঠোর হচ্ছে প্রশাসন


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০২ পিএম

বেপরোয়া গতি থামাতে কঠোর হচ্ছে প্রশাসন
সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে কঠোর তদারকি ও আইন প্রয়োগ করছে পুলিশ ও বিআরটিএ। ছবি : সংগৃহীত

সড়কে ক্রমবর্ধমান প্রাণহানি ও বিশৃঙ্খলা রোধে যানবাহনের ফিটনেস পরীক্ষা, চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান ও নিবন্ধনে কঠোর হচ্ছে প্রশাসন। গতিসীমা নিয়ন্ত্রণ, আধুনিক সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন এবং পেশাদার প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সড়ক দুর্ঘটনা উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনা সম্ভব বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞ ও পরিবহন খাতের অংশীদারেরা।

পরিবহন ও অবকাঠামো বিশেষজ্ঞদের মতে, বেপরোয়া ওভারটেকিং, মোবাইল ফোন ব্যবহারে অসাবধানতা, ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন ও ফিটনেসবিহীন যানবাহনের কারণে অধিকাংশ দুর্ঘটনা ঘটছে।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক ড. মো. শামসুল হক জানান, গতিসীমা মনিটরিংয়ে পর্যাপ্ত স্পিড ক্যামেরা স্থাপন, চালকদের পেশাদার প্রশিক্ষণ প্রদান ও আইন অমান্যকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে মহাসড়কে ইজিবাইক, মোটরসাইকেল ও অটোরিকশার মতো স্বল্পগতির যানবাহনের বেপরোয়া চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

লালবাগ ট্রাফিক বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. মোফিজুল ইসলাম বলেন, ট্রাফিক বিভাগ ও বিআরটিএ-র সমন্বিত তদারকি বাড়লেও হাইওয়েতে অতিরিক্ত গতির প্রবণতা এখনো প্রধান চ্যালেঞ্জ। চালকদের পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও প্রশিক্ষণের ওপর জোর দেন তিনি।

এদিকে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির তথ্য অনুযায়ী, গত ৬ মাসে দেশে ৪ হাজার ২৩৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ হাজার ২৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন ৭ হাজার ৫৪৪ জন। সংগঠনটির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, কেবল আইন প্রয়োগ নয়, পথচারী পারাপারে নিরাপদ ব্যবস্থা, স্পষ্ট রোড মার্কিং ও বাসস্টপ সংস্কার করে আধুনিক ও নিরাপদ সড়ক অবকাঠামো গড়ে তুলতে হবে।

সূত্র: বাসস

/ 

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬


বেপরোয়া গতি থামাতে কঠোর হচ্ছে প্রশাসন

প্রকাশের তারিখ : ১৬ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

সড়কে ক্রমবর্ধমান প্রাণহানি ও বিশৃঙ্খলা রোধে যানবাহনের ফিটনেস পরীক্ষা, চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান ও নিবন্ধনে কঠোর হচ্ছে প্রশাসন। গতিসীমা নিয়ন্ত্রণ, আধুনিক সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন এবং পেশাদার প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সড়ক দুর্ঘটনা উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনা সম্ভব বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞ ও পরিবহন খাতের অংশীদারেরা।

পরিবহন ও অবকাঠামো বিশেষজ্ঞদের মতে, বেপরোয়া ওভারটেকিং, মোবাইল ফোন ব্যবহারে অসাবধানতা, ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন ও ফিটনেসবিহীন যানবাহনের কারণে অধিকাংশ দুর্ঘটনা ঘটছে।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক ড. মো. শামসুল হক জানান, গতিসীমা মনিটরিংয়ে পর্যাপ্ত স্পিড ক্যামেরা স্থাপন, চালকদের পেশাদার প্রশিক্ষণ প্রদান ও আইন অমান্যকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে মহাসড়কে ইজিবাইক, মোটরসাইকেল ও অটোরিকশার মতো স্বল্পগতির যানবাহনের বেপরোয়া চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

লালবাগ ট্রাফিক বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. মোফিজুল ইসলাম বলেন, ট্রাফিক বিভাগ ও বিআরটিএ-র সমন্বিত তদারকি বাড়লেও হাইওয়েতে অতিরিক্ত গতির প্রবণতা এখনো প্রধান চ্যালেঞ্জ। চালকদের পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও প্রশিক্ষণের ওপর জোর দেন তিনি।

এদিকে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির তথ্য অনুযায়ী, গত ৬ মাসে দেশে ৪ হাজার ২৩৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ হাজার ২৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন ৭ হাজার ৫৪৪ জন। সংগঠনটির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, কেবল আইন প্রয়োগ নয়, পথচারী পারাপারে নিরাপদ ব্যবস্থা, স্পষ্ট রোড মার্কিং ও বাসস্টপ সংস্কার করে আধুনিক ও নিরাপদ সড়ক অবকাঠামো গড়ে তুলতে হবে।

সূত্র: বাসস

/ 


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত