সড়কে ক্রমবর্ধমান প্রাণহানি ও বিশৃঙ্খলা রোধে যানবাহনের ফিটনেস পরীক্ষা, চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান ও নিবন্ধনে কঠোর হচ্ছে প্রশাসন। গতিসীমা নিয়ন্ত্রণ, আধুনিক সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন এবং পেশাদার প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সড়ক দুর্ঘটনা উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনা সম্ভব বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞ ও পরিবহন খাতের অংশীদারেরা।
পরিবহন ও অবকাঠামো বিশেষজ্ঞদের মতে, বেপরোয়া ওভারটেকিং, মোবাইল ফোন ব্যবহারে অসাবধানতা, ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন ও ফিটনেসবিহীন যানবাহনের কারণে অধিকাংশ দুর্ঘটনা ঘটছে।
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক ড. মো. শামসুল হক জানান, গতিসীমা মনিটরিংয়ে পর্যাপ্ত স্পিড ক্যামেরা স্থাপন, চালকদের পেশাদার প্রশিক্ষণ প্রদান ও আইন অমান্যকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে মহাসড়কে ইজিবাইক, মোটরসাইকেল ও অটোরিকশার মতো স্বল্পগতির যানবাহনের বেপরোয়া চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
লালবাগ ট্রাফিক বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. মোফিজুল ইসলাম বলেন, ট্রাফিক বিভাগ ও বিআরটিএ-র সমন্বিত তদারকি বাড়লেও হাইওয়েতে অতিরিক্ত গতির প্রবণতা এখনো প্রধান চ্যালেঞ্জ। চালকদের পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও প্রশিক্ষণের ওপর জোর দেন তিনি।
এদিকে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির তথ্য অনুযায়ী, গত ৬ মাসে দেশে ৪ হাজার ২৩৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ হাজার ২৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন ৭ হাজার ৫৪৪ জন। সংগঠনটির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, কেবল আইন প্রয়োগ নয়, পথচারী পারাপারে নিরাপদ ব্যবস্থা, স্পষ্ট রোড মার্কিং ও বাসস্টপ সংস্কার করে আধুনিক ও নিরাপদ সড়ক অবকাঠামো গড়ে তুলতে হবে।
সূত্র: বাসস
/

শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ অক্টোবর ২০২৬
সড়কে ক্রমবর্ধমান প্রাণহানি ও বিশৃঙ্খলা রোধে যানবাহনের ফিটনেস পরীক্ষা, চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান ও নিবন্ধনে কঠোর হচ্ছে প্রশাসন। গতিসীমা নিয়ন্ত্রণ, আধুনিক সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন এবং পেশাদার প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সড়ক দুর্ঘটনা উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনা সম্ভব বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞ ও পরিবহন খাতের অংশীদারেরা।
পরিবহন ও অবকাঠামো বিশেষজ্ঞদের মতে, বেপরোয়া ওভারটেকিং, মোবাইল ফোন ব্যবহারে অসাবধানতা, ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন ও ফিটনেসবিহীন যানবাহনের কারণে অধিকাংশ দুর্ঘটনা ঘটছে।
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক ড. মো. শামসুল হক জানান, গতিসীমা মনিটরিংয়ে পর্যাপ্ত স্পিড ক্যামেরা স্থাপন, চালকদের পেশাদার প্রশিক্ষণ প্রদান ও আইন অমান্যকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে মহাসড়কে ইজিবাইক, মোটরসাইকেল ও অটোরিকশার মতো স্বল্পগতির যানবাহনের বেপরোয়া চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
লালবাগ ট্রাফিক বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. মোফিজুল ইসলাম বলেন, ট্রাফিক বিভাগ ও বিআরটিএ-র সমন্বিত তদারকি বাড়লেও হাইওয়েতে অতিরিক্ত গতির প্রবণতা এখনো প্রধান চ্যালেঞ্জ। চালকদের পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও প্রশিক্ষণের ওপর জোর দেন তিনি।
এদিকে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির তথ্য অনুযায়ী, গত ৬ মাসে দেশে ৪ হাজার ২৩৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ হাজার ২৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন ৭ হাজার ৫৪৪ জন। সংগঠনটির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, কেবল আইন প্রয়োগ নয়, পথচারী পারাপারে নিরাপদ ব্যবস্থা, স্পষ্ট রোড মার্কিং ও বাসস্টপ সংস্কার করে আধুনিক ও নিরাপদ সড়ক অবকাঠামো গড়ে তুলতে হবে।
সূত্র: বাসস
/

আপনার মতামত লিখুন