প্রশাসন ও ভূমিমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে রাজশাহী ও নাটোরের পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের মধ্যকার বিরোধের অবসান হয়েছে। এর ফলে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টা থেকে রাজশাহী থেকে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন রুটে বাস চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। এতে কয়েক দিন ধরে চলা চরম পরিবহন সংকটের অবসান ঘটায় স্বস্তি ফিরেছে সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে।
রাজশাহী মোটর শ্রমিক ইউনিয়ন সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার রাজশাহী থেকে দর্শনাগামী ‘রাব্বি পরিবহন’-এর একটি বাস নাটোরে আটকে দেন স্থানীয় মালিক-শ্রমিকেরা। এর প্রতিবাদে রাজশাহীর শ্রমিক ইউনিয়ন নাটোরে চলাচলকারী ‘তুহিন পরিবহন’-এর কয়েকটি বাস আটকে রাখে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই জেলার পরিবহন সংশ্লিষ্টদের মধ্যে বিরোধ চরমে পৌঁছায় এবং শুক্রবার সকাল থেকে রাজশাহী থেকে দূরপাল্লার বাস চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।
পরিবহন ধর্মঘটের কারণে রাজশাহী বাস টার্মিনালে শত শত যাত্রী আটকা পড়েন। চরম দুর্ভোগে পড়েন জরুরি কাজে বের হওয়া মানুষ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের উদ্যোগে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় আলোচনা হয়। শেষ পর্যন্ত ভূমিমন্ত্রীর সরাসরি হস্তক্ষেপে নাটোরের মালিক-শ্রমিকদের সঙ্গে সমঝোতা হলে ধর্মঘট প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
রাজশাহী মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের এক নেতা জানান, নাটোর হয়ে চলাচলকারী বাসগুলো এতক্ষণ পুঠিয়া পর্যন্ত গিয়ে ফিরে আসছিল। সমঝোতার পর এখন বাসগুলো নির্বিঘ্নে নাটোর অতিক্রম করে নিজ নিজ গন্তব্যে যাচ্ছে। বাস চলাচল শুরু হওয়ায় টার্মিনালগুলোতে আবার চিরচেনা ব্যস্ততা ফিরে এসেছে। তবে এ ধরনের জনদুর্ভোগ এড়াতে বিরোধের স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন সাধারণ যাত্রীরা।
\

বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রশাসন ও ভূমিমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে রাজশাহী ও নাটোরের পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের মধ্যকার বিরোধের অবসান হয়েছে। এর ফলে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টা থেকে রাজশাহী থেকে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন রুটে বাস চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। এতে কয়েক দিন ধরে চলা চরম পরিবহন সংকটের অবসান ঘটায় স্বস্তি ফিরেছে সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে।
রাজশাহী মোটর শ্রমিক ইউনিয়ন সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার রাজশাহী থেকে দর্শনাগামী ‘রাব্বি পরিবহন’-এর একটি বাস নাটোরে আটকে দেন স্থানীয় মালিক-শ্রমিকেরা। এর প্রতিবাদে রাজশাহীর শ্রমিক ইউনিয়ন নাটোরে চলাচলকারী ‘তুহিন পরিবহন’-এর কয়েকটি বাস আটকে রাখে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই জেলার পরিবহন সংশ্লিষ্টদের মধ্যে বিরোধ চরমে পৌঁছায় এবং শুক্রবার সকাল থেকে রাজশাহী থেকে দূরপাল্লার বাস চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।
পরিবহন ধর্মঘটের কারণে রাজশাহী বাস টার্মিনালে শত শত যাত্রী আটকা পড়েন। চরম দুর্ভোগে পড়েন জরুরি কাজে বের হওয়া মানুষ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের উদ্যোগে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় আলোচনা হয়। শেষ পর্যন্ত ভূমিমন্ত্রীর সরাসরি হস্তক্ষেপে নাটোরের মালিক-শ্রমিকদের সঙ্গে সমঝোতা হলে ধর্মঘট প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
রাজশাহী মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের এক নেতা জানান, নাটোর হয়ে চলাচলকারী বাসগুলো এতক্ষণ পুঠিয়া পর্যন্ত গিয়ে ফিরে আসছিল। সমঝোতার পর এখন বাসগুলো নির্বিঘ্নে নাটোর অতিক্রম করে নিজ নিজ গন্তব্যে যাচ্ছে। বাস চলাচল শুরু হওয়ায় টার্মিনালগুলোতে আবার চিরচেনা ব্যস্ততা ফিরে এসেছে। তবে এ ধরনের জনদুর্ভোগ এড়াতে বিরোধের স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন সাধারণ যাত্রীরা।
\

আপনার মতামত লিখুন