গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার ঢোলভাঙ্গা গ্রামে গভীর রাতে নিজ মামীর ঘরে ঢুকে খাটের নিচে লুকিয়ে পড়ার অভিযোগে এক যুবকের বিরুদ্ধে এলাকায় তুমুল চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযুক্ত যুবক শিমুল মিয়া বেতকাপা ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে মামী ও বিএনপির নেতা ভাগ্নেকে এক ঘরে দেখতে পেয়ে ওই ঘরের ছিটকানি বাইরে থেকে আটকে দেন গৃহকর্তা ইসরাফিল আলী কিনু। পরে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে দরজা খোলা হলে উভয় পক্ষের মধ্যে তর্কাতর্কি ও তুমুল মারামারির ঘটনা ঘটে।
গৃহকর্তা ইসরাফিল আলী কিনু জানান, রোববার রাতে তিনি দোকান বন্ধ করে বাসায় ফেরার পর ছেলে দরজা খুলে দেয়। ঘরে প্রবেশের পরই তিনি শিমুলের উপস্থিতি টের পান। উপস্থিতি টের পেয়ে শিমুল দ্রুত পাশের ঘরের খাটের নিচে আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করেন। এ অবস্থায় তিনি ঘরটি বাইরে থেকে আটকে দিয়ে আশপাশের স্বজনদের ডেকে আনেন। পরবর্তী সময়ে ঘর খোলার পর বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হলে দুজনেই আহত হন।
এদিকে অভিযোগ অস্বীকার করে শিমুল মিয়া এক সংবাদ সম্মেলন ডেকে দাবি করেন, বিষয়টি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। রাজনৈতিকভাবে তাকে সমাজে হেয়প্রতিপন্ন করতেই এই সাজানো নাটক মঞ্চস্থ করা হয়েছে।
পলাশবাড়ীর এই চাঞ্চল্যকর ও সংবেদনশীল ঘটনাটি নিয়ে বর্তমানে পুরো উপজেলায় দিনভর নানা আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার ঢোলভাঙ্গা গ্রামে গভীর রাতে নিজ মামীর ঘরে ঢুকে খাটের নিচে লুকিয়ে পড়ার অভিযোগে এক যুবকের বিরুদ্ধে এলাকায় তুমুল চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযুক্ত যুবক শিমুল মিয়া বেতকাপা ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে মামী ও বিএনপির নেতা ভাগ্নেকে এক ঘরে দেখতে পেয়ে ওই ঘরের ছিটকানি বাইরে থেকে আটকে দেন গৃহকর্তা ইসরাফিল আলী কিনু। পরে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে দরজা খোলা হলে উভয় পক্ষের মধ্যে তর্কাতর্কি ও তুমুল মারামারির ঘটনা ঘটে।
গৃহকর্তা ইসরাফিল আলী কিনু জানান, রোববার রাতে তিনি দোকান বন্ধ করে বাসায় ফেরার পর ছেলে দরজা খুলে দেয়। ঘরে প্রবেশের পরই তিনি শিমুলের উপস্থিতি টের পান। উপস্থিতি টের পেয়ে শিমুল দ্রুত পাশের ঘরের খাটের নিচে আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করেন। এ অবস্থায় তিনি ঘরটি বাইরে থেকে আটকে দিয়ে আশপাশের স্বজনদের ডেকে আনেন। পরবর্তী সময়ে ঘর খোলার পর বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হলে দুজনেই আহত হন।
এদিকে অভিযোগ অস্বীকার করে শিমুল মিয়া এক সংবাদ সম্মেলন ডেকে দাবি করেন, বিষয়টি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। রাজনৈতিকভাবে তাকে সমাজে হেয়প্রতিপন্ন করতেই এই সাজানো নাটক মঞ্চস্থ করা হয়েছে।
পলাশবাড়ীর এই চাঞ্চল্যকর ও সংবেদনশীল ঘটনাটি নিয়ে বর্তমানে পুরো উপজেলায় দিনভর নানা আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন