মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধির সত্ত্বেও বিশ্ববাজারে টানা তৃতীয় দিনের মতো বিশ্ববাজারে ক্রুড অয়েলের দাম প্রায় ১ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) তেলের দাম কিছুটা কমলেও আন্তর্জাতিক বাজারে ব্যারেলপ্রতি দর এখনো ১০০ মার্কিন ডলারের ওপরে অবস্থান করছে।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, শুক্রবার গ্রিনিচ মান সময় রাত ১২টা ২০ মিনিট পর্যন্ত আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দর প্রতি ব্যারেলে ১.১ ডলার বা ১ শতাংশ কমে ১০৩.৭৭ ডলারে নেমে আসে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম প্রতি ব্যারেলে ১.০৩ ডলার বা ১ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ১০০.৮৮ ডলারে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। বৃহস্পতিবারও আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দামে প্রায় ১ শতাংশ পতন পরিলক্ষিত হয়েছিল।
সীমান্তজুড়ে সম্প্রতি সৌদি আরব ও ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি বিমান হামলার জেরে মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক সংকট আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তবে এই উত্তেজনার মাঝেও বিশ্ববাজারে তেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়া নিয়ে ব্যবসায়ীদের বড় কোনো উদ্বেগ তৈরি হয়নি।
জ্বালানি খাতের বিশ্লেষক ও ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা, সংঘাতপূর্ণ রুটগুলো এড়িয়ে বিকল্প বাণিজ্যিক পথ ব্যবহার করে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হবে। নতুন করে সরবরাহ সংকটের আশঙ্কার চেয়ে এই বিকল্প ব্যবস্থাপনার সম্ভাবনাই বাজারে তেলের দর নিয়ন্ত্রণে বড় ভূমিকা রাখছে।
/

শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধির সত্ত্বেও বিশ্ববাজারে টানা তৃতীয় দিনের মতো বিশ্ববাজারে ক্রুড অয়েলের দাম প্রায় ১ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) তেলের দাম কিছুটা কমলেও আন্তর্জাতিক বাজারে ব্যারেলপ্রতি দর এখনো ১০০ মার্কিন ডলারের ওপরে অবস্থান করছে।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, শুক্রবার গ্রিনিচ মান সময় রাত ১২টা ২০ মিনিট পর্যন্ত আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দর প্রতি ব্যারেলে ১.১ ডলার বা ১ শতাংশ কমে ১০৩.৭৭ ডলারে নেমে আসে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম প্রতি ব্যারেলে ১.০৩ ডলার বা ১ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ১০০.৮৮ ডলারে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। বৃহস্পতিবারও আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দামে প্রায় ১ শতাংশ পতন পরিলক্ষিত হয়েছিল।
সীমান্তজুড়ে সম্প্রতি সৌদি আরব ও ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি বিমান হামলার জেরে মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক সংকট আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তবে এই উত্তেজনার মাঝেও বিশ্ববাজারে তেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়া নিয়ে ব্যবসায়ীদের বড় কোনো উদ্বেগ তৈরি হয়নি।
জ্বালানি খাতের বিশ্লেষক ও ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা, সংঘাতপূর্ণ রুটগুলো এড়িয়ে বিকল্প বাণিজ্যিক পথ ব্যবহার করে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হবে। নতুন করে সরবরাহ সংকটের আশঙ্কার চেয়ে এই বিকল্প ব্যবস্থাপনার সম্ভাবনাই বাজারে তেলের দর নিয়ন্ত্রণে বড় ভূমিকা রাখছে।
/

আপনার মতামত লিখুন