ফরিদপুরের নগরকান্দায় এক শিশু মাদ্রাসাছাত্রীকে ঘরে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টার অপরাধে মিরাজ শেখ (৩৫) নামে এক যুবককে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ফরিদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শামীমা পারভীন জনাকীর্ণ আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন। কারাদণ্ডের পাশাপাশি আসামিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে; অনাদায়ে তাকে আরও এক বছর সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২৮ আগস্ট দুপুরে ভুক্তভোগী শিশুটি আসামি মিরাজ শেখের বাড়ির সামনে খেলাধুলা করছিল। এ সময় খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে কৌশলে তাকে নিজের ঘরে ডেকে নেন মিরাজ। এরপর শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে নগরকান্দা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।
মামলার তদন্ত শেষে নগরকান্দা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনিরুজ্জামান অভিযুক্ত মিরাজ শেখকে একক আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় ৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ ও প্রমাণাদি পর্যালোচনা শেষে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক এ রায় দেন।
রাষ্ট্রপক্ষের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া বলেন, ‘আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ আদালতে শতভাগ প্রমাণ করা সম্ভব হয়েছে। এই রায়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং আমরা সন্তুষ্ট।’
রায় ঘোষণার সময় আসামি মিরাজ শেখ আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। পরে কড়া পুলিশ পাহারায় তাকে ফরিদপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ফরিদপুরের নগরকান্দায় এক শিশু মাদ্রাসাছাত্রীকে ঘরে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টার অপরাধে মিরাজ শেখ (৩৫) নামে এক যুবককে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ফরিদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শামীমা পারভীন জনাকীর্ণ আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন। কারাদণ্ডের পাশাপাশি আসামিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে; অনাদায়ে তাকে আরও এক বছর সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২৮ আগস্ট দুপুরে ভুক্তভোগী শিশুটি আসামি মিরাজ শেখের বাড়ির সামনে খেলাধুলা করছিল। এ সময় খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে কৌশলে তাকে নিজের ঘরে ডেকে নেন মিরাজ। এরপর শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে নগরকান্দা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।
মামলার তদন্ত শেষে নগরকান্দা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনিরুজ্জামান অভিযুক্ত মিরাজ শেখকে একক আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় ৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ ও প্রমাণাদি পর্যালোচনা শেষে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক এ রায় দেন।
রাষ্ট্রপক্ষের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া বলেন, ‘আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ আদালতে শতভাগ প্রমাণ করা সম্ভব হয়েছে। এই রায়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং আমরা সন্তুষ্ট।’
রায় ঘোষণার সময় আসামি মিরাজ শেখ আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। পরে কড়া পুলিশ পাহারায় তাকে ফরিদপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

আপনার মতামত লিখুন