কক্সবাজারের টেকনাফে মিয়ানমার থেকে আসা একটি নৌকা ডুবে রোহিঙ্গা মা ও তার ৯ বছর বয়সী ছেলের মৃত্যু এবং এক নারী নিখোঁজ হওয়ার পরদিন উখিয়ার সাগরপাড় থেকে আরও তিনটি অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে এসব মরদেহ টেকনাফের নৌকাডুবির ঘটনায় নিখোঁজ ব্যক্তিদের কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। বিষয়টি যাচাই করছে পুলিশ।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টা থেকে বিকেল পৌনে ৩টার মধ্যে উখিয়ার জালিয়াপালং ইউনিয়নের মাদারবুনিয়া ও মনখালী এলাকার সাগরপাড় থেকে মরদেহ তিনটি উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহগুলো কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান বলেন, উদ্ধার হওয়া তিনজনের কারও পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যায়নি। টেকনাফের নৌকাডুবিতে নিখোঁজ ব্যক্তিদের কেউ এসব মরদেহের মধ্যে আছেন কি না, তা যাচাই করা হচ্ছে।
এর আগে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের কচ্ছপিয়া নৌকাঘাট এলাকায় মিয়ানমার থেকে আসা একটি নৌকা ডুবে যায়। স্থানীয় বাসিন্দা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় ১৬ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। তাঁদের মধ্যে আটজন বাংলাদেশি ও আটজন রোহিঙ্গা নাগরিক।
এ ঘটনায় ছুরা খাতুন (২৮) নামে এক রোহিঙ্গা নারী ও তার ৯ বছর বয়সী ছেলে মারা যান। আরও এক নারী নিখোঁজ রয়েছেন। নিহত ছুরা খাতুনের বিস্তারিত পরিচয় পাওয়া যায়নি।
বাহারছড়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. আবু সাইদ বলেন, নৌকাটি উপকূলে আসার সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। স্থানীয় লোকজন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় ১৬ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
টেকনাফ মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের থানায় এনে তাদের পরিচয় ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। নিখোঁজ নারীর সন্ধানেও চেষ্টা চলছে। নৌকাটিতে মোট কতজন ছিলেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পুলিশ জানায়, উদ্ধার হওয়া কয়েকজন বাংলাদেশিকে প্রায় এক বছর আগে মালয়েশিয়ায় পাঠানোর কথা বলে মিয়ানমারে নেওয়া হয়েছিল। পরে তাঁদের নৌপথে মালয়েশিয়ায় পাঠানোর সময় দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিরা জানিয়েছেন।
উখিয়ার সাগরপাড় থেকে উদ্ধার তিন মরদেহের পরিচয় শনাক্ত হওয়ার পরই টেকনাফের নৌকাডুবির সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক আছে কি না, তা স্পষ্ট হবে।
এদিকে টেকনাফের সর্বশেষ নৌকাডুবির ঘটনায় একসঙ্গে দুইজনের মৃত্যু, একজনের নিখোঁজ থাকা এবং পরদিন উখিয়ার সাগরপাড় থেকে তিনটি অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় উপকূলজুড়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কক্সবাজারের টেকনাফে মিয়ানমার থেকে আসা একটি নৌকা ডুবে রোহিঙ্গা মা ও তার ৯ বছর বয়সী ছেলের মৃত্যু এবং এক নারী নিখোঁজ হওয়ার পরদিন উখিয়ার সাগরপাড় থেকে আরও তিনটি অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে এসব মরদেহ টেকনাফের নৌকাডুবির ঘটনায় নিখোঁজ ব্যক্তিদের কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। বিষয়টি যাচাই করছে পুলিশ।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টা থেকে বিকেল পৌনে ৩টার মধ্যে উখিয়ার জালিয়াপালং ইউনিয়নের মাদারবুনিয়া ও মনখালী এলাকার সাগরপাড় থেকে মরদেহ তিনটি উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহগুলো কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান বলেন, উদ্ধার হওয়া তিনজনের কারও পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যায়নি। টেকনাফের নৌকাডুবিতে নিখোঁজ ব্যক্তিদের কেউ এসব মরদেহের মধ্যে আছেন কি না, তা যাচাই করা হচ্ছে।
এর আগে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের কচ্ছপিয়া নৌকাঘাট এলাকায় মিয়ানমার থেকে আসা একটি নৌকা ডুবে যায়। স্থানীয় বাসিন্দা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় ১৬ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। তাঁদের মধ্যে আটজন বাংলাদেশি ও আটজন রোহিঙ্গা নাগরিক।
এ ঘটনায় ছুরা খাতুন (২৮) নামে এক রোহিঙ্গা নারী ও তার ৯ বছর বয়সী ছেলে মারা যান। আরও এক নারী নিখোঁজ রয়েছেন। নিহত ছুরা খাতুনের বিস্তারিত পরিচয় পাওয়া যায়নি।
বাহারছড়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. আবু সাইদ বলেন, নৌকাটি উপকূলে আসার সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। স্থানীয় লোকজন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় ১৬ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
টেকনাফ মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের থানায় এনে তাদের পরিচয় ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। নিখোঁজ নারীর সন্ধানেও চেষ্টা চলছে। নৌকাটিতে মোট কতজন ছিলেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পুলিশ জানায়, উদ্ধার হওয়া কয়েকজন বাংলাদেশিকে প্রায় এক বছর আগে মালয়েশিয়ায় পাঠানোর কথা বলে মিয়ানমারে নেওয়া হয়েছিল। পরে তাঁদের নৌপথে মালয়েশিয়ায় পাঠানোর সময় দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিরা জানিয়েছেন।
উখিয়ার সাগরপাড় থেকে উদ্ধার তিন মরদেহের পরিচয় শনাক্ত হওয়ার পরই টেকনাফের নৌকাডুবির সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক আছে কি না, তা স্পষ্ট হবে।
এদিকে টেকনাফের সর্বশেষ নৌকাডুবির ঘটনায় একসঙ্গে দুইজনের মৃত্যু, একজনের নিখোঁজ থাকা এবং পরদিন উখিয়ার সাগরপাড় থেকে তিনটি অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় উপকূলজুড়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন