রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলায় ছয় বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মো. হবি সরদার (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি উপজেলার দৌলতদিয়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ওমেদ আলী সরদারপাড়ার বাসিন্দা এবং মৃত ওমেদ আলী সরদারের ছেলে।
স্থানীয় ও ভুক্তভোগী পরিবারের সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ সেপ্টেম্বর শিশুটি পাশের বাড়িতে খেলতে গিয়ে অভিযুক্ত হবি সরদারের বাড়িতে প্রবেশ করে। এ সময় কৌশলে শিশুটিকে তার ঘরের ভেতরে নিয়ে দরজা বন্ধ করে তার স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেন এবং তাকে ধর্ষণ করেন। পরে দীর্ঘ সময় শিশুটিকে খুঁজে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা আশপাশে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে হবি সরদারের ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ দেখতে পেয়ে সন্দেহ হলে তারা ডাকাডাকি করেন। কোনো সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে শিশুটিকে উদ্ধার করেন।
ঘটনার পরপরই সামাজিক লজ্জা ও সংকোচের কারণে শিশুটির পরিবার বিষয়টি প্রকাশ না করে স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা করে। তারা একাধিক মাতব্বরের কাছে গেলেও কোনো সঠিক বিচার পাননি। স্থানীয়রা জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি এলাকায় প্রভাবশালী হওয়ায় বিষয়টি প্রথমদিকে চাপা রাখার প্রবণতা ছিল।
পরবর্তীতে ঘটনাটি জানাজানি হলে বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত হবি সরদারকে আটক করে।
এ বিষয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানার ওসি মো. সফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা লোকমুখে বিষয়টি জানতে পেরে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে আটক করে থানায় নিয়ে এসেছি। শিশুটিকেও উদ্ধার করা হয়েছে।’ তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলায় ছয় বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মো. হবি সরদার (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি উপজেলার দৌলতদিয়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ওমেদ আলী সরদারপাড়ার বাসিন্দা এবং মৃত ওমেদ আলী সরদারের ছেলে।
স্থানীয় ও ভুক্তভোগী পরিবারের সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ সেপ্টেম্বর শিশুটি পাশের বাড়িতে খেলতে গিয়ে অভিযুক্ত হবি সরদারের বাড়িতে প্রবেশ করে। এ সময় কৌশলে শিশুটিকে তার ঘরের ভেতরে নিয়ে দরজা বন্ধ করে তার স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেন এবং তাকে ধর্ষণ করেন। পরে দীর্ঘ সময় শিশুটিকে খুঁজে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা আশপাশে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে হবি সরদারের ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ দেখতে পেয়ে সন্দেহ হলে তারা ডাকাডাকি করেন। কোনো সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে শিশুটিকে উদ্ধার করেন।
ঘটনার পরপরই সামাজিক লজ্জা ও সংকোচের কারণে শিশুটির পরিবার বিষয়টি প্রকাশ না করে স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা করে। তারা একাধিক মাতব্বরের কাছে গেলেও কোনো সঠিক বিচার পাননি। স্থানীয়রা জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি এলাকায় প্রভাবশালী হওয়ায় বিষয়টি প্রথমদিকে চাপা রাখার প্রবণতা ছিল।
পরবর্তীতে ঘটনাটি জানাজানি হলে বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত হবি সরদারকে আটক করে।
এ বিষয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানার ওসি মো. সফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা লোকমুখে বিষয়টি জানতে পেরে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে আটক করে থানায় নিয়ে এসেছি। শিশুটিকেও উদ্ধার করা হয়েছে।’ তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন