ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রকৃত গরীবরাই সরকারের ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডের সহায়তা পাবেন বলে উল্লেখ করেছেন সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য মাধবী মারমা।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সারা দেশে একযোগে কৃষক কার্ড বিতরণের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের অংশ হিসেবে বান্দরবানের রুমায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মাধবী মারমা বলেন, কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ড জনগণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর মহৎ একটি উদ্যোগ। যা ধর্ম, বর্ণ ও দলমত নির্বিশেষে প্রকৃত গরীব ও অসচ্ছল ব্যক্তিরাই এই কার্ডের সুবিধা ভোগ করবেন। তালিকায় থাকা বা মনোনীত কোনো ব্যক্তি যদি কোনো কারণে সরকারের উপহারের এই টাকা না পান, তাহলে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন তিনি।
রুমা উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্যমতে, উপজেলায় ৫ হাজার ৫০১ জন কৃষকের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ১ হাজার ২০১ জনের তথ্য সংগ্রহ ও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সম্পন্ন করা হয়েছে। এদের মধ্যে আজ প্রথম ধাপে ৫৭৭ জন কৃষকের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ২ হাজার ৫০০ টাকা হারে প্রদান করা হবে।
রুমা পলি মৌজার কৃষক লাল থং থাং বম বলেন, এক সময় তারা শুধুমাত্র জুম চাষে সীমাবদ্ধ থাকলেও এখন বিভিন্ন ফলদ বাগান আবাদ করছেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই কৃষক কার্ডের কারণে জীবনমান উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে।
রুমা সদরের কৃষক উখ্য মং মারমা বলেন, কফি, কাজুসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য উৎপাদন করেন তিনি ও তার পরিবার। এ অবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর উপহারের এই কৃষক কার্ডের টাকায় ক্ষেতের সার, বীজ ও সেচ ব্যয়ে ব্যবহার করতে পারবেন এবং এতে ফসল উৎপাদন আরও বাড়বে। প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানানোর পাশাপাশি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।
অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস, কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ড. মো. হারুনুর রশিদ, বান্দরবান জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আবু নাঈম মো. সাইফুদ্দীন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. তাসলিম হোসাইন, রুমা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ লিজা প্রমুখ।

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২৬
ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রকৃত গরীবরাই সরকারের ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডের সহায়তা পাবেন বলে উল্লেখ করেছেন সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য মাধবী মারমা।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সারা দেশে একযোগে কৃষক কার্ড বিতরণের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের অংশ হিসেবে বান্দরবানের রুমায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মাধবী মারমা বলেন, কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ড জনগণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর মহৎ একটি উদ্যোগ। যা ধর্ম, বর্ণ ও দলমত নির্বিশেষে প্রকৃত গরীব ও অসচ্ছল ব্যক্তিরাই এই কার্ডের সুবিধা ভোগ করবেন। তালিকায় থাকা বা মনোনীত কোনো ব্যক্তি যদি কোনো কারণে সরকারের উপহারের এই টাকা না পান, তাহলে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন তিনি।
রুমা উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্যমতে, উপজেলায় ৫ হাজার ৫০১ জন কৃষকের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ১ হাজার ২০১ জনের তথ্য সংগ্রহ ও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সম্পন্ন করা হয়েছে। এদের মধ্যে আজ প্রথম ধাপে ৫৭৭ জন কৃষকের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ২ হাজার ৫০০ টাকা হারে প্রদান করা হবে।
রুমা পলি মৌজার কৃষক লাল থং থাং বম বলেন, এক সময় তারা শুধুমাত্র জুম চাষে সীমাবদ্ধ থাকলেও এখন বিভিন্ন ফলদ বাগান আবাদ করছেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই কৃষক কার্ডের কারণে জীবনমান উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে।
রুমা সদরের কৃষক উখ্য মং মারমা বলেন, কফি, কাজুসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য উৎপাদন করেন তিনি ও তার পরিবার। এ অবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর উপহারের এই কৃষক কার্ডের টাকায় ক্ষেতের সার, বীজ ও সেচ ব্যয়ে ব্যবহার করতে পারবেন এবং এতে ফসল উৎপাদন আরও বাড়বে। প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানানোর পাশাপাশি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।
অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস, কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ড. মো. হারুনুর রশিদ, বান্দরবান জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আবু নাঈম মো. সাইফুদ্দীন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. তাসলিম হোসাইন, রুমা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ লিজা প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন