জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন থেকে পদত্যাগ করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনে উপস্থিত হয়ে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের কাছে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এই পদত্যাগপত্র হস্তান্তর করেন।
স্পিকারের কাছে জমা দেওয়া পদত্যাগপত্রে ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি উল্লেখ করেন, "আমি নিম্ন স্বাক্ষরকারী ফেরদৌসী আহমেদ, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্য (সংরক্ষিত মহিলা আসন) হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছি। আমি সম্পূর্ণ সজ্ঞানে ও স্বেচ্ছায় জাতীয় সংসদের সদস্য (সংরক্ষিত মহিলা আসন-২৩) পদ থেকে পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি। অতএব বিনীত প্রার্থনা এই যে আমার পদত্যাগপত্রটি গ্রহণ করে পদত্যাগ কার্যকর করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে আপনার সদয় মর্জি হয়।"
পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার আগে ও পরে ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি জাতীয় সংসদ ভবনে প্রায় ১৫ মিনিট অবস্থান করেন।
কার্যালয়ে প্রবেশের সময় তার হাতে একটি ফাইল দেখা গেলেও বের হওয়ার সময় তার সাথে কিছু ছিল না। স্পিকারের কার্যালয় থেকে বেরিয়ে পদত্যাগের কারণ সম্পর্কিত বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, "আমাকে স্পিকার ডেকেছেন, তার সঙ্গে দেখা করেছি। আমি স্পিকারের সঙ্গে দেখা করে কথা বলেছি।"
একই সময়ে পদত্যাগপত্র জমা দেওয়া প্রসঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন, "তদন্ত হোক। বিএনপির সিদ্ধান্ত যেটা হবে, তা হবে।"
সংসদ সচিবালয়ের সংশিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে যে ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির পদত্যাগপত্র ইতিমধ্যেই গৃহীত হয়েছে এবং এ সংক্রান্ত পরবর্তী প্রশাসনিক প্রক্রিয়াগুলো বর্তমানে চলমান রয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২৬
জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন থেকে পদত্যাগ করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনে উপস্থিত হয়ে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের কাছে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এই পদত্যাগপত্র হস্তান্তর করেন।
স্পিকারের কাছে জমা দেওয়া পদত্যাগপত্রে ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি উল্লেখ করেন, "আমি নিম্ন স্বাক্ষরকারী ফেরদৌসী আহমেদ, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্য (সংরক্ষিত মহিলা আসন) হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছি। আমি সম্পূর্ণ সজ্ঞানে ও স্বেচ্ছায় জাতীয় সংসদের সদস্য (সংরক্ষিত মহিলা আসন-২৩) পদ থেকে পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি। অতএব বিনীত প্রার্থনা এই যে আমার পদত্যাগপত্রটি গ্রহণ করে পদত্যাগ কার্যকর করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে আপনার সদয় মর্জি হয়।"
পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার আগে ও পরে ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি জাতীয় সংসদ ভবনে প্রায় ১৫ মিনিট অবস্থান করেন।
কার্যালয়ে প্রবেশের সময় তার হাতে একটি ফাইল দেখা গেলেও বের হওয়ার সময় তার সাথে কিছু ছিল না। স্পিকারের কার্যালয় থেকে বেরিয়ে পদত্যাগের কারণ সম্পর্কিত বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, "আমাকে স্পিকার ডেকেছেন, তার সঙ্গে দেখা করেছি। আমি স্পিকারের সঙ্গে দেখা করে কথা বলেছি।"
একই সময়ে পদত্যাগপত্র জমা দেওয়া প্রসঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন, "তদন্ত হোক। বিএনপির সিদ্ধান্ত যেটা হবে, তা হবে।"
সংসদ সচিবালয়ের সংশিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে যে ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির পদত্যাগপত্র ইতিমধ্যেই গৃহীত হয়েছে এবং এ সংক্রান্ত পরবর্তী প্রশাসনিক প্রক্রিয়াগুলো বর্তমানে চলমান রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন