নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় এক মুদিব্যবসায়ীর শরীরে প্রকাশ্যে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা চালানোর অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। গতকাল বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাতে উপজেলার সান্দিকোনা ইউনিয়নের সাহিত্যপুর বাজারে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে।
দগ্ধ ব্যবসায়ীর নাম মো. খলিলুর রহমান। তিনি চেংজানা গ্রামের সুলতান মিয়ার ছেলে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, খলিলুর রহমান সাহিত্যপুর বাজারে মনোহারি পণ্যের পাশাপাশি বোতলজাত পেট্রোল বিক্রি করতেন। বৃহস্পতিবার রাতে একই গ্রামের খদা নেওয়াজ মিয়ার ছেলে সুমন মিয়া দোকানে এসে আচমকা বোতলে থাকা পেট্রোল খলিলুর রহমানের শরীরে ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। নিমেষেই আগুন তার শরীরে ছড়িয়ে পড়ে এবং দোকানের মালামাল পুড়ে যায়।
পরে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে আগুন নেভায় এবং তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর অবস্থার অবনতি হলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে দ্রুত ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে রাতে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং অভিযুক্ত যুবকের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ অক্টোবর ২০২৬
নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় এক মুদিব্যবসায়ীর শরীরে প্রকাশ্যে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা চালানোর অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। গতকাল বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাতে উপজেলার সান্দিকোনা ইউনিয়নের সাহিত্যপুর বাজারে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে।
দগ্ধ ব্যবসায়ীর নাম মো. খলিলুর রহমান। তিনি চেংজানা গ্রামের সুলতান মিয়ার ছেলে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, খলিলুর রহমান সাহিত্যপুর বাজারে মনোহারি পণ্যের পাশাপাশি বোতলজাত পেট্রোল বিক্রি করতেন। বৃহস্পতিবার রাতে একই গ্রামের খদা নেওয়াজ মিয়ার ছেলে সুমন মিয়া দোকানে এসে আচমকা বোতলে থাকা পেট্রোল খলিলুর রহমানের শরীরে ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। নিমেষেই আগুন তার শরীরে ছড়িয়ে পড়ে এবং দোকানের মালামাল পুড়ে যায়।
পরে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে আগুন নেভায় এবং তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর অবস্থার অবনতি হলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে দ্রুত ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে রাতে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং অভিযুক্ত যুবকের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন