সংবাদ

ভোজ্যতেলের সরবরাহে সংকট কেন


প্রকাশ: ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪০ এএম

ভোজ্যতেলের সরবরাহে সংকট কেন

বাজারে আবারও বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ কমেছে। খুচরা দোকানে চাহিদা অনুযায়ী তেল পাওয়া যাচ্ছে না। কোনো কোনো দোকানে এক লিটারের বোতল নেই, আবার কোথাও কোথাও দুই বা পাঁচ লিটারের বোতল মিলছে না। সরবরাহ কমার প্রভাব পড়েছে খোলা তেলের বাজারেও। গত এক সপ্তাহে খোলা সয়াবিন ও পাম তেলের দাম লিটারে ২ থেকে ৪ টাকা বেড়েছে।

এ সংকট এবারই প্রথম নয়। চলতি বছর এর আগে আরও দুই দফা বোতলজাত সয়াবিনের সরবরাহ কমেছিল। এপ্রিলের শেষে লিটারে ৪ টাকা এবং সেপ্টেম্বরে আরও ৫ টাকা দাম বাড়ানো হয়। এখন আবার সরবরাহ কমেছে। ব্যবসায়ীদের সংগঠন এরই মধ্যে দাম বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে। তবে যাচাই-বাছাই ছাড়া দাম না বাড়ানোর কথা বলেছে সরকার।

সরবরাহ কমিয়ে দাম বাড়ানোর চাপ তৈরি করা হলে তার বোঝা শেষ পর্যন্ত ভোক্তার ওপরই পড়ে। বাজারে তেলের ঘাটতি দেখা দিলে মানুষ বাধ্য হয়ে খোলা তেল কেনে। তাতে খোলা তেলের দামও বাড়ে। কেউ কেউ প্রয়োজনের চেয়ে বেশি তেল কিনে রাখেন। আবার কিছু বিক্রেতা সরবরাহ কম থাকায় বোতলজাত তেল লুকিয়ে রাখছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এভাবে বাজারে কৃত্রিম সংকটের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

ভোজ্যতেলের বাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা জরুরি। কোন কোম্পানি কত তেল বাজারে ছাড়ছে, তার নিয়মিত তথ্য প্রকাশ করা দরকার। সরবরাহ কমিয়ে দাম বাড়ানোর চেষ্টা হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে হবে। প্রয়োজন হলে মজুত ও সরবরাহ ব্যবস্থায় কঠোর নজরদারি করতে হবে।

শুধু দাম নির্ধারণ করাই যথেষ্ট নয়, বাজারে পণ্যের সরবরাহ নিশ্চিত করাও জরুরি। যুক্তিসঙ্গত কারণে ভোজ্যতেলের দাম বাড়তে পারে। কিন্তু কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়ানোর চেষ্টা করা হলে সেটাকে সমর্থন করা যায় না।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬


ভোজ্যতেলের সরবরাহে সংকট কেন

প্রকাশের তারিখ : ০৩ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

বাজারে আবারও বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ কমেছে। খুচরা দোকানে চাহিদা অনুযায়ী তেল পাওয়া যাচ্ছে না। কোনো কোনো দোকানে এক লিটারের বোতল নেই, আবার কোথাও কোথাও দুই বা পাঁচ লিটারের বোতল মিলছে না। সরবরাহ কমার প্রভাব পড়েছে খোলা তেলের বাজারেও। গত এক সপ্তাহে খোলা সয়াবিন ও পাম তেলের দাম লিটারে ২ থেকে ৪ টাকা বেড়েছে।

এ সংকট এবারই প্রথম নয়। চলতি বছর এর আগে আরও দুই দফা বোতলজাত সয়াবিনের সরবরাহ কমেছিল। এপ্রিলের শেষে লিটারে ৪ টাকা এবং সেপ্টেম্বরে আরও ৫ টাকা দাম বাড়ানো হয়। এখন আবার সরবরাহ কমেছে। ব্যবসায়ীদের সংগঠন এরই মধ্যে দাম বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে। তবে যাচাই-বাছাই ছাড়া দাম না বাড়ানোর কথা বলেছে সরকার।

সরবরাহ কমিয়ে দাম বাড়ানোর চাপ তৈরি করা হলে তার বোঝা শেষ পর্যন্ত ভোক্তার ওপরই পড়ে। বাজারে তেলের ঘাটতি দেখা দিলে মানুষ বাধ্য হয়ে খোলা তেল কেনে। তাতে খোলা তেলের দামও বাড়ে। কেউ কেউ প্রয়োজনের চেয়ে বেশি তেল কিনে রাখেন। আবার কিছু বিক্রেতা সরবরাহ কম থাকায় বোতলজাত তেল লুকিয়ে রাখছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এভাবে বাজারে কৃত্রিম সংকটের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

ভোজ্যতেলের বাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা জরুরি। কোন কোম্পানি কত তেল বাজারে ছাড়ছে, তার নিয়মিত তথ্য প্রকাশ করা দরকার। সরবরাহ কমিয়ে দাম বাড়ানোর চেষ্টা হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে হবে। প্রয়োজন হলে মজুত ও সরবরাহ ব্যবস্থায় কঠোর নজরদারি করতে হবে।

শুধু দাম নির্ধারণ করাই যথেষ্ট নয়, বাজারে পণ্যের সরবরাহ নিশ্চিত করাও জরুরি। যুক্তিসঙ্গত কারণে ভোজ্যতেলের দাম বাড়তে পারে। কিন্তু কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়ানোর চেষ্টা করা হলে সেটাকে সমর্থন করা যায় না।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত